Latest News

Popular Posts

মাঝ আকাশে বিমানের মধ্যে কীভাবে কাজ করে WiFi?

মাঝ আকাশে বিমানের মধ্যে কীভাবে কাজ করে WiFi?

Mysepik Webdesk: আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন, যারা বিমান যাত্রাকালে মাঝ আকাশে ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে WiFi ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু, অনেকেই জানেন না কীভাবে এই প্রযুক্তি ব্যাবস্থার করে থাকে বিমান সংস্থাগুলি। এই বিষয়টি মূলত দু’টি পদ্ধতিতে কাজ করে। একটি গ্র্যান্ড বেসড সিস্টেম (Ground Based System) ও অন্যটি স্যাটেলাইট বেসড সিস্টেম (Satellite Based System)। মাটিতে স্থাপিত বিভিন্ন টাওয়ারগুলির মাধ্যমে গ্র্যান্ড বেসড সিস্টেম কাজ করে। এই প্রযুক্তিকে এয়ার তো গ্রাউন্ড (Air To Ground) বা ATG বলা হয়। বিমানের ফিউজ লেগের নিচে সাধারণত অ্যান্টেনা স্থাপন করা থাকে। এই অ্যান্টেনাগুলি মূলত টাওয়ার থেকে সিগন্যাল রিসিভ করে থাকে। এরপরে WiFi রাউটার বা অ্যাক্সেস পয়েন্টের (Access Point) মাধ্যমে বিমানের ভেতর সিগন্যাল ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: বিস্ফোরকের অপর নাম শাওমি স্মার্টফোন!

সিস্টেমটি ঠিক মোবাইল টাওয়ারের মতোই। বিমানটি যে টাওয়ারের কাছে থাকে, সেই টাওয়ার থেকেই সিগন্যাল গ্রহণ করে। এভাবেই বিমানের অ্যান্টেনা নিকটবর্তী টাওয়ার থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে। প্রথম পর্যায়ে বিমানের ভেতর ইন্টারনেটের স্পিড ছিল ৩ এমবিপিএস। পরে বিমানে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা GOGO এই সিস্টেমকে আপগ্রেড করে। এতে বিমানের ভেতর WiFi -এর স্পিড বেড়ে ১০ এমবিপিএস পর্যন্ত হয়।

আরও পড়ুন: নতুন বছরে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে এই বিশেষ প্রযুক্তিগুলি

তবে, এই সিস্টেমে একাধিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সমুদ্রের ওপর দিয়ে বিমানের যাত্রাকালে ATG -র সুবিধা থাকে না। ফলে বিমানটি তার অ্যান্টেনা দিয়ে কোনও ATG সিস্টেমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে না। তখন ইন্টারনেটের জন্য একমাত্র ভরসা স্যাটেলাইটে বেসড সিস্টেম। পৃথিবীর কক্ষপথে বিভিন্ন স্যাটেলাইট স্থাপন করা রয়েছে। এইসব একের পর এক স্যাটেলাইটে থেকে বিমান সিগন্যাল রিসিভ করে থাকে। তবে, স্যাটেলাইটে থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করার জন্য বিমানে একটি বিশেষ ডিভাইস সংযুক্ত করা থাকে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ১২ এমবিপিএস পর্যন্ত স্পিড পাওয়া যায়। ইন্টারনেরনেট সরবরাহকারী সংস্থা GOGO2KU নামে একটি সার্ভিস চালু করেছে। এই সার্ভিসের মাধ্যমে বর্তমানে ৭২ এমবিপিএস পর্যন্ত স্পিড পাওয়া সম্ভব।

আরও পড়ুন: কে সিভানের জায়গায় ইসরোর প্রধান হলেন এস সোমনাথ

বিমানের ভেতর ইন্টারনেটের সংযোগ পাওয়ার জন্য বিমানে বেশকিছু বিশেষ ডিভাইস সংযুক্ত করতে হয়। এই ডিভাইসগুলি যথেষ্ট দামি এবং এগুলি রক্ষনাবেক্ষন করা যথেষ্ট ব্যয়বহুল। অন্যদিকে, যে সংস্থাগুলির কাছ থেকে ইন্টারনেট পরিষেবা নেওয়া হয়, তাদেরকেও মোটা অঙ্কের টাকা প্রদান করতে হয় বিমান পরিষেবা সংস্থাগুলিকে। অর্থাৎ, বিমানে WiFi পরিষেবা যথেষ্ট ব্যয়বহুল। তবে, এ সবের যাবতীয় খরচ সংগ্রহ করা হয় যাত্রীদের টিকিটের দামের মাধ্যমেই।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *