ঘুরতে ঘুরতে লাদাখ (তৃতীয় পর্ব)

নীলাঞ্জনা মাহাত

কোনও একটা জায়গার পরিচয় শুধু ভূপ্রকৃতি নয়, সেখানকার ইতিহাস, লোকজন, আদব-কায়দা, খাওয়া-দাওয়া, উৎসব, সবমিলিয়ে একটা পরিপূর্ণ ব্যাপার। একদিনে সেটা গড়ে ওঠে না। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার জন্য অঞ্চলভেদে যেমন খাবার, পোশাক, আচরণের বিভেদ ঘটে, তেমন ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনার রেশ কোনও অঞ্চলের জীবনযাত্রায় রয়ে যায়। তাই যখন কোথাও যাই, আমি সেখানের আস্বাদ সম্পূর্ণরূপে নেওয়ার চেষ্টা করি, যতটা আমার গ্রহণ ক্ষমতায় আছে আর কী। মনের মধ্যে ছটফটানি আছে, জীবনকাল সীমিত। ‘বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি’। তাই হ্যাংলার মতো চেটেপুটে নিতে চাই। যা দেখছি, তাকে নিজের মতো করে ইন্টারপ্রেট করতে চাই। নিজে যা শিখে চলেছি প্রতিনিয়ত, তাকে ঝালিয়ে নিতেও চাই।

আরও পড়ুন: ঘুরতে ঘুরতে লাদাখ (প্রথম পর্ব)

করুণাময় বুদ্ধ। ডিস্কিটে। ছবি: সাগ্নিক সিংহ

স্কুললাইফে ইতিহাস খারাপ লাগার থেকে ইতিহাস পরীক্ষা বেশি খারাপ লাগত। মাধ্যমিকে ইতিহাস পরীক্ষা দিয়েই হাত তুলে দিয়েছিলাম, ‘যাই হোক, ইতিহাস আর পড়ব না, পরীক্ষাও দেব না।’ কিন্তু পরবর্তীকালে ইতিহাসের প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। বুঝি, বর্তমানকে বুঝতে গেলে অতীতকে খানিক বোঝা দরকার, পরিপ্রেক্ষিত যাকে বলে। এলোমেলো ভাবনার জন্ম হয়। লালকেল্লা দেখি বেশ বড় বয়সে, চাকরি-বাকরি করি। দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস দেখে মনে হয়েছিল, এই সেই দিওয়ান-ই- খাস! এখানেই ময়ূর সিংহাসন থাকত! দিওয়ান-ই-আম! বাদশা এখানে দর্শন দিতেন! মুঘল আমলের স্থাপত্যের নমুনা, পরীক্ষায় যেসব লিখে নম্বর পেয়েছি! হাস্যকর মনে হলেও খুবই উত্তেজিত ছিলাম। আবার দিল্লিরই ‘পুরানা কিল্লা’য় গিয়ে অন্যরকম অনুভূতি হয়েছিল। এই দুর্গটা আমার খুব পছন্দের, তৈরি হয়েছিল হুমায়ুনের সময়ে। পরে শের শাহের আমলে আরো কিছু ঘর-দালান, মসজিদ জুড়ে যায়। এখানে আমি দেখেছিলাম এমন একটা কেল্লা যেটা মুঘল সাম্রাজ্যের গোড়ার দিকে তৈরি। যখন বিত্ত-বৈভব কম, দুর্গ বানানো হয়েছে মোটা পাথরে, শক্ত, উঁচু পাঁচিল, বাহুল্য নেই। দামি কোনও পাথর ব্যবহার হয়নি, মানে আমি দেখতে পাইনি। অথচ উলটোদিকে লালকেল্লা, দামি মার্বেল, পাথরে, অলংকরণে চোখ ধাঁধানো। লা-জবাব। লালকেল্লা বানানো হয় যখন, মুঘল সাম্রাজ্য তখন সারা ভারতবর্ষে সবচেয়ে প্রতাপশালী। প্রচুর সম্পদ। সেই গরিমা লালকেল্লায় ফুটে বের হয়। এই দু’টো কেল্লা যখন পর পর দেখি, বুঝে নিই, তৎকালীন শাসকের অর্থনৈতিক অবস্থান। এখন যদি ঐতিহাসিকরা বলেন, না না, লালকেল্লার পৃষ্ঠপোষক শিল্পানুরাগী ছিলেন, তাই লালকেল্লা ওইরকম সুষমামণ্ডিত, আমি পুরোপুরি বিশ্বাস করব না। শিল্পানুরাগ দেখাতে গেলেও রাজ্যের স্থায়িত্ব দরকার, ভাঁড়ে টাকা-পয়সা দরকার। কেল্লা হল শাসকের সুরক্ষাকেন্দ্র। শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করা প্রথম লক্ষ্য। এটাই আমার ইন্টারপ্রেটেশন (পৃষ্ঠপোষককে নির্মাতা বলিনি ইচ্ছে করেই, কোনও রাজা নিজের হাতে ইট/পাথর গাঁথেননি তাই)। ছোটবেলায় পড়েছিলাম ভ্রমণে মনের প্রসার হয়। সেটা আমার ক্ষেত্রে দিব্যি খেটে গেল। ভাবনাগুলো ভুল কিনা সেটা অবশ্য বলতে পারব না।

আরও পড়ুন: ঘুরতে ঘুরতে লাদাখ (দ্বিতীয় পর্ব)

লোকনৃত্য

তাই লাদাখ যাওয়ার আগে লাদাখের ইতিহাস একটু জেনে নিই। এই অংশ এড়িয়ে যাওয়ার দরকার পড়বে না, লাদাখের ইতিহাস মাধ্যমিকের সিলেবাসে ছিল না, আমার জ্ঞানগম্যি উইকিপিডিয়াতেই সীমাবদ্ধ। যেটুকু বুঝেছি, তাই খুব সংক্ষেপে নিজের মতো করে লিখছি। কোনও ভূভাগের ওপর অধিকার বিস্তার করা, তাকে দখলে রাখা কোন শাসকের সাফল্য বলে ইতিহাসে বিবেচিত হয়। লাদাখ খ্রিস্টাব্দ প্রথম শতকে কুষাণ সাম্রাজ্যের শাসনাধীন ছিল। সেই সময় থেকে এই অঞ্চলে বৌদ্ধধর্মের বিস্তার। তারপরে অনেকবার লাদাখের শাসকের পালাবদল হয়েছে, কাশ্মীর আর পশ্চিম তিব্বতের ঝাংজুয়াং বংশের (Zhangzhung) শাসকের মধ্যে। এই সময় এটি মেরুল (Maryul) রাজ্য নামে পরিচিত ছিল। ১৪৬০ সালে মেরুল নামগিয়াল বংশের (Namgyal dynasty) অধীনে আসে, ক্রমে রাজ্যের নামটাও পাল্টে যায়। লাদাখ রাজ্যে পরিবর্তিত হয়। লাদাখে নামগিয়াল বংশের শাসনকাল (১৪৬০-১৮৪২ খ্রিস্টাব্দ) বিশেষ উল্লেখযোগ্য। মুঘল সাম্রাজ্য আর প্রতিবেশী তিব্বতের শাসকের সঙ্গে লাদাখের দখল নিয়ে নানা ঝামেলা লেগে ছিল নামগিয়াল শাসকদের। পশ্চিম দিকের কাশ্মীর যখন মুঘল অধীনে ছিল, সেই সময় থেকে এখানে বৌদ্ধধর্মের পাশাপাশি ইসলামের প্রভাব বাড়ে। প্রতিবেশী তিব্বতের সঙ্গেও সংঘর্ষ হয়েছে বেশ কয়েকবার, বিভিন্ন সময়কালে। তিব্বতের কাছে তিব্বত-লাদাখ-মুঘল যুদ্ধে হেরে গিয়ে ১৬৮৪ সালে যে চুক্তি হয়, তাতে লাদাখের স্বাধীনতা অনেকটাই খর্ব হয়। লাদাখের জীবনযাত্রায় তিব্বতি প্রভাব অনস্বীকার্য। এখানকার সংস্কৃতি, ইতিহাস সবই তিব্বতের সঙ্গে মিলিয়ে জুলিয়ে। এইজন্য লাদাখকে ‘ছোট তিব্বত’ ( Little Tibet) বলা হয়। ১৮৩৪ সালে শিখ অধীনে লাদাখ জম্মুর অংশ হিসেবে জুড়ে যায়। এরপর শিখরা ইংরেজদের কাছে হেরে গেলে জম্মু ও কাশ্মীর (লাদাখ সমেত) স্বতন্ত্র রাজ্য হিসেবে ইংরেজ অধীনে থাকে। মহারাজা হরি সিংয়ের সঙ্গে চুক্তির ফলে ১৯৪৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীর স্বাধীন ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়।

শান্তিস্তূপ থেকে লেহ শহর

বর্তমানে লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। জম্মু ও কাশ্মীরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা প্রশাসন। লেহ এবং কার্গিল এই দু’টি জেলা। দু’টিই গুরুত্বপূর্ণ বড় শহর। স্থানীয় ভাষা হিসেবে লাদাখি, তিব্বতি, বাল্টি, উর্দু চলে। অধিবাসীরা মুখ্যত বৌদ্ধ এবং মুসলিম ধর্মাবলম্বী।

নামগিয়াল সেমো (Namgyal Tsemo) মনাস্টেরি অনেক দূর থেকে, রাজা তাশি নামগিয়াল ১৪৩০ সালে এটি তৈরি করান

লাদাখে প্রবেশের তিনটে উপায় আছে। দিল্লি, শ্রীনগর, জম্মু অথবা চণ্ডীগড় থেকে সরাসরি বিমানে করে পৌঁছনো যায় লেহতে। কার্গিলে মিলিটারি বিমানবন্দর থাকলেও তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। দ্বিতীয় উপায় হিমাচলপ্রদেশের মানালি থেকে লেহ। আর তৃতীয় রাস্তাটি হল জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর থেকে লেহ। কার্গিল এই রাস্তার ধারে। মানালি থেকে লেহ-এর দূরত্ব ৪৯০ কিমি, অসম্ভব সুন্দর এক রাস্তা। মাঝে পেরোতে হয় পাঁচখানা উঁচু পাস। বিখ্যাত বরাচালা লা, ট্যাংলাং লা। কোনওটার উচ্চতা ১৮০০০ ফুট প্রায়। রাস্তার বেশিরভাগটাই ১২/১৩ হাজার ফুট উচ্চতায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেক উচ্চতায় উঠে যেতে হয়, ফলে শরীর অনেকসময় এত তাড়াতাড়ি কম অক্সিজেন লেভেলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না। শারীরিক অস্বস্তি, বমি ভাব, মাথা ধরা, মাথা ঘোরা, ঘুমোতে না পারা, কখনও শ্বাসকষ্টও হতে পারে। এটাই AMS (Accute Mountain Syndrome)। বেশি বাড়াবাড়ি হলে মৃত্যুও হতে পারে। সমস্যা গুরুতর হওয়ার আগেই নিচু জায়গায় নেমে আসাটাই সমাধান। সাধারণত ১০০০০ ফুটের ওপর উচ্চতায় উঠে রাত কাটাতে গেলে, অল্প অল্প করে উচ্চতায় উঠলে শরীর মানিয়ে নিতে পারে। দিনে হাজার ফুট উঠলে সমস্যা হয় না। রাত্রিবাসের জায়গা অপেক্ষাকৃত নিচু জায়গা হলে ভালো। তবে লেখাটি পড়ে চিন্তিত হওয়ার কোনও কারণ নেই, একটু সাবধান থাকলেই নিশ্চিন্তে বেড়িয়ে আসা যায়, সমস্যা হয় না। লাদাখের ড্রাইভারের অভিজ্ঞতায়, সবথেকে ঝামেলা হয় অল্পবয়সি তরুণ ছেলেপুলেদের নিয়ে, তারা কথা শুনতে চায় না, তাই। আমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আমি অবশ্য এক ডাক্তার বন্ধুর পরামর্শে পুরো ট্রিপ ডায়ামক্স নামের ওষুধ খেয়েছিলাম। বিধিসম্মত সতর্কীকরণ: ডাক্তারকে জিজ্ঞেস না করে কোনও ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

লে শহরের আশপাশে

লেহ শহরের উচ্চতা ১১৫৬২ ফুট। এক ধাক্কায় দিল্লি থেকে এই উচ্চতায় যেতে চাইনি। বিমানে গেলে দু’দিন লেহ শহরে বিশ্রামে থাকলে শরীর মানিয়ে নেয়। তবে ওই দু’দিন ঘোরাঘুরি করা যাবে না। এইসব ভেবেচিন্তে আমি তৃতীয় রাস্তা দিয়ে লাদাখে ঢুকি। শ্রীনগর থেকে লেহ। এই রাস্তার গড় উচ্চতা মানালি-লেহ এর থেকে অনেক কম। দু’পাশে মনোহরণ দৃশ্য। আরও একটা কারণ ছিল, একটা অন্যরকম গ্রামে যেতে চেয়েছিলাম। সে কথায় পরে আসব।

পাহাড়ের মাথায় শান্তিস্তূপ, লেহ। ছবি: সাগ্নিক সিংহ

কলকাতা-দিল্লি-শ্রীনগর। কলকাতা থেকে খুব সকালে বেরিয়ে দুপুর দু’টো নাগাদ শ্রীনগর এয়ারপোর্টে পৌঁছই। দিল্লিতে বাক্সপ্যাঁটরা নিয়ে টার্মিনাল পাল্টাতে হয়েছিল। জুন মাসের শেষ। কিন্তু লাদাখের ঠান্ডার জন্য গরম জামাকাপড় ভালোই নিয়েছিলাম। লটবহর যথেষ্ট। প্লেন থেকে কাশ্মীর উপত্যকা সম্বন্ধে খুব ক্লিশে একটা শব্দই বলব। পিকচার পোস্টকার্ড! নিরাপত্তার কারণে প্লেন থেকে ছবি তোলা নিষেধ।

শ্রীনগরের রাস্তায়, সোনমার্গ যাচ্ছি। ছবি: সাগ্নিক সিংহ

লাদাখে শুধুমাত্র ওখানকার রেজিস্টার্ড গাড়িই ট্যুরিস্ট নিয়ে ঘুরতে পারে। অথবা কেউ নিজের গাড়ি নিয়ে যেতে পারেন। জম্মু ও কাশ্মীর অথবা হিমাচলপ্রদেশের ভাড়ার গাড়ি শুধুমাত্র শ্রীনগর-লেহ অথবা মানালি-লেহ মূল রাস্তা ধরে লেহতে পৌঁছে দিতে অথবা নিয়ে আসতে পারে। ঘোরাঘুরি করতে পারে না। দু’দিকের রাস্তাতেই সরকারি বাস চলে। আমাদের এজেন্সি প্রথম দিনের জন্য জম্মু- কাশ্মীরের গাড়ি পাঠিয়েছিল শ্রীনগর এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে যাবার জন্য। কাশ্মীরি পুরুষরা যেমন হয়, অত্যন্ত সুদর্শন, লম্বা, ফর্সা আমাদের ড্রাইভার। তিনি যদিও একটু ‘নাখুশ’ হলেন কাশ্মীরে নেমে কাশ্মীর না ঘুরে লাদাখ চলে যাব বলে। তাকে বোঝালাম, বুড়িছোঁয়া করে ঘুরতে চাই না, সময় নিয়ে ঘুরব বলেই কাশ্মীরকে এবার প্ল্যানে রাখিনি। এত সুন্দর একটা রাজ্য, আলাদা মনোযোগ দাবি করে। আমার ভাবনায় আছে, কাশ্মীর আসব এপ্রিল মাসে বা তার একটু আগে, আপেল, এপ্রিকটের ফুল ফোটে তখন, আরও অনেক ফুল ফোটে বসন্তকালে, টিউলিপের বাগান। চিনার, মেপল গাছের কাশ্মীর। অথবা শীতের আগে, চারিদিকে যখন হলুদ, কমলা, সোনালি রঙের বাহার। যা বিদেশি নামে ‘ফলকালার’। স্বপ্নের পোলাও, বেশি করে ঘি, কাজু দিতে অসুবিধে কোথায়!

ডাল লেক, শ্রীনগর

শ্রীনগর এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি চেপে রওনা দিলাম সোনমার্গের দিকে। ওখানেই আজকের যাত্রার বিরতি। কী রকম যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না, আমি কাশ্মীরে আছি। ঝকঝকে নীল আকাশ। দেখা মিলল ঝলমলে ঝিলম নদীর। আমার দেখা নদীর লিস্টে আর একটা নাম যোগ হল। ডাল লেকের পাড় ধরে যখন যাচ্ছি, ভরদুপুর, চারপাশ ফাঁকা, তবু হিন্দি সিনেমার জনপ্রিয় সব দৃশ্য মনে ভেসে ওঠে। অনেকটা রাস্তা এই লেকের পাড় ধরে চললাম। দূরে সাদা ধবধবে হজরতবাল মসজিদ রোদে চকচক করছে। কতখানি সংযমের পরীক্ষা দিয়ে একবার মাত্র দাঁড়িয়ে পাশ দিয়ে চলে গেছি, আমিই জানি। সোনমার্গ পর্যন্ত এরপর সারাপথে আমাদের সঙ্গী হল সিন্ধ (Sindh) নদী। চালক মশাই একে ‘নল্লা সিন্ধ’ বলেছিল। এই নদীকে নালা বলতে আমার ইচ্ছে করে না। এই নদী কিন্তু সুপরিচিত সিন্ধু (Indus) নদ নয়, তার সঙ্গে দেখা হবে পরে। ঝিলমের শাখানদী সিন্ধ, স্বভাবে ছটফটে এক কিশোরী। পাহাড়, পাথরের সঙ্গে খেলতে খেলতে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলল। ‘আমার হাত ধরে তুমি নিয়ে চলো সখা…’

সিন্ধ নালা

চলবে…

নীলাঞ্জনার ছোটবেলাটা কেটেছে ঝাড়গ্রামে। গাছপালা আর পাহাড় জঙ্গলের প্রতি ভালোবাসার শুরু সেখান থেকেই। আর আছে ঘুরে বেড়ানোর নেশা। পেশায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালযের অঙ্কের অধ্যাপক নীলাঞ্জনা অবসর সময়ে ভালোবাসে গান শুনতে আর বই পড়তে। স্বভাবসিদ্ধ গল্প বলার গুণে নীলাঞ্জনার বেড়ানোর গল্পগুলো নিছক ভ্রমণকাহিনির বাইরে এক অন্য মাত্রা পায়।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *