Latest News

Popular Posts

হুলিয়া জারি প্রধানের বিরুদ্ধে,অস্বস্তিতে তৃণমূল, কটাক্ষের সুর বিজেপির

হুলিয়া জারি প্রধানের বিরুদ্ধে,অস্বস্তিতে তৃণমূল, কটাক্ষের সুর বিজেপির

Mysepik Webdesk: দুর্গতদের জন্য বরাদ্দ বন্যা ত্রানের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এফআইআর দায়ের হলেও অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি পুলিশ। এবার তাকে ধরতে হুলিয়া জারি করল আদালত। চলতি সপ্তাহের শুরুতে আদালতের ওই নির্দেশ অভিযুক্তের বাড়িতে ঝুলিয়ে দিয়ে এসেছে পুলিশ। মালদহের বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা।

আরও পড়ুন: আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করলেন সাবিনা ইয়াসমিন

সূত্রের খবর, ২০১৭ সালে বন্যাত্রাণের টাকা লুঠের অভিযোগ ওঠে প্রধানের বিরুদ্ধে। প্রশাসন গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। তারপর আদালত সক্রিয় হতেই দুমাস আগে প্রধান সোনামনি সাহার বিরুদ্ধে এফআইআর করে প্রশাসন। ঘটনায় অভিযোগের তদন্তের পর তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে এফআইআর করল প্রশাসন। তদন্তে বন্যা ত্রানের ৭৬ লক্ষ টাকা লুঠ হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। প্রধানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাস ভঙ্গের মতো জামিন অযোগ্য একাধিক ধারায় মামলা হতেই গা ঢাকা দেন প্রধান। প্রধানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে পুলিশের তরফে আদালতে জানানো হয়। তারপরেই আদালত প্রধানের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে। একমাসের মধ্যে প্রধান ধরা না দিলে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। হুলিয়া জারির পাশাপাশি ফেরার প্রধানের বাড়ির সামনে পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে গুলির লড়াই হরিশ্চন্দ্রপুরে

এদিকে শাসকদলের প্রধানের হুলিয়া জারি হতেই শাসক ও বিরোধীদের মধ্যে জোর তরজা শুরু হয়েছে। তবে শুধু প্রধান নন। বন্যাত্রাণের টাকা লুঠের অভিযোগে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়েছে। সভাপতি কোয়েল দাসও এখনও অধরা। তার খোঁজ না মেলায় তার বিরুদ্ধেও প্রধানের মতোই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিক দাস বলেন, দল দুর্নীতি সমর্থন করে না। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। ফলে আলাদা করে বলার কিছু নেই। আইন আইনের পথেই চলবে।

বিজেপির মণ্ডল সভাপতি রূপেশ আগরওয়াল বলেন, শুধু একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নয়। দুর্নীতির যথাযথ তদন্ত হলে তৃণমূল নেতা, জনপ্রতিনিধিদের অনেককেই জেলে থাকতে হবে। প্রশাসন শাসকদলের নেতা, জনপ্রতিনিধিদের বাঁচানোর চেষ্টা করলেও আদালতের উপরে আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুরের আইসি সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, প্রধানকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে আমরা আদালতে জানাই। তারপরেই আদালত ফেরার প্রধানের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করার নির্দেশ দেয়। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তেমন হলে তার বিষয়টিও আমরা আদালতকে জানাব।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *