আমি তিস্তা, উত্তরবঙ্গের আত্মার আত্মীয়

ড. রাজা রাউত

আমি তিস্তা। উত্তরবঙ্গের মানুষ আমায় আত্মার আত্মীয়। উত্তরবঙ্গ বরাবরই জৈববৈচিত্র্যে অনন্য। এই অনন্যতার অংশীদার হিসেবে ভালোই লাগে। আরও ভালো লাগে, যখন শুনি বিখ্যাত গায়ক যেসু দাস ও হেমলতা ভারতীয় দূরদর্শনের সৌজন্যে আমাকে নিয়ে গান করে— ‘তিস্তা নদী সি তু চঞ্চলা’। কিংবা ভারতীয় রেল যখন আমার ও আমার বন্ধুর নামে ‘তিস্তা তোর্সা এক্সপ্রেস’ নামে ট্রেন চালায়। অবশ্য ইতিহাসের নিয়মনীতি অনুযায়ী যেকোনও সভ্যতাই গড়ে ওঠে কোনও নদীকে কেন্দ্র করে ব্যতিক্রম আমার ক্ষেত্রেও ঘটেনি। আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে ঋগ্বেদে আমাকে ‘সদানীর’ নামে আখ্যায়িত করা হত শুনেছি। যার অর্থ কমবেশি সারাবছরই জল থাকে আমার কাছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত তরাই এবং বরেন্দ্রভূমির সুখ-দুঃখের সাথি আমি। আমার তীরেই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার বহু শহর ও নগর গড়ে উঠেছে। আমার প্রবাহমানতায় বহু উদ্ভিদ ও প্রাণীবৈচিত্র্য-সমৃদ্ধ বনাঞ্চল গড়ে উঠেছে আমার তীরেই! আবার একথাও সত্য যে, তীরের মানুষের ভোগবাদের শিকার হচ্ছে অবৈজ্ঞানিক কৃতকর্মের ফলে। কিছুটা প্রাকৃতিক কারণে তাই আমাকে নির্দয় হতে হয়েছে। কিছুটা ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে অপারগ হয়ে সময় সময় দুকূলকে ভাসিয়েছি! বহু উদ্ভিদ, প্রাণী সহ মানুষের জীবন বিপন্ন করেছি। একথাও ঠিক।

আমার উৎপত্তি নিয়ে বহু বিতর্ক থাকলেও আধুনিক নদী বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘সো লামো’ হ্রদে আমার উৎপত্তি। যা সমুদ্র সমতল থেকে ১৭৪৮৭ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এর পর ছোট ছোট ঝোড়ার সংবন্ধনে ‘থাঙ্গু’, ‘ইয়ুম থাং’ এবং ‘জোনকিয়া লা’ এলাকায় আমি স্বমহিমায় ফিরে আসি। তারপর পূর্ব সিকিমের রংপোর পাশ দিয়ে বয়ে চলা রংপো নদীর সঙ্গে মিশে গিয়ে ‘তিস্তা বাজার’ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে নিজের উপনদী রঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত হই। সারা উত্তরবঙ্গে আমি প্রায় ১২৫ কিমি পথ পাড়ি দিয়েছি দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলা হয়ে শেষে বাংলাদেশের ‘ফুলচরি’ নামক স্থানে ওপার বাংলার যমুনা (আমাদের ব্রহ্মপুত্র)-র মধ্যে বিলীন হয়ে যাই।

আমার সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০৯ কিমি। বলতে নেই প্রায় ১২৫৮০ বর্গ কিমি এলাকাকে মুক্ত হস্তে সুজলা-সুফলা-শস্য শ্যামলা করেছি। আমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, আমি নাকি নিজেই বৈচিত্র্যময়। তাই হিমালয়ের পাদদেশে ক্রান্তীয়, পর্ণমোচী, আলপাইন, সমতল ক্রান্তীয় প্রভৃতি বিভিন্ন রূপের চাদরে মোড়া ভূভাগ উপহার দিয়েছি এখানকার অধিবাসীকে। গড়ে ১০০০০ বর্গ কিমি এলাকার সমান পরিমাণ বিপুল জলরাশি নিয়ে উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে বয়ে চলছি। তাঁদের মতে, প্রধানত চার প্রকার উপত্যকা তৈরি করেছি। ক্যানিয়ন, পার্বত্য অঞ্চলে গর্জ, অপ্রতিসম উপত্যকা এবং পলি প্রোফাইলিক ‘U’ আকৃতির উপত্যকা। কোনও কোনও জায়গায় ছোটখাট হ্রদ, কোথাও বা ত্রিকোণাকৃতি সমতল ভূভাগ, কখনও বা উঁচু খাঁজ। প্রভৃতি আমার কিছু ছাপ রেখেছি। ভূমিরূপ রূপে! সাদা বালি এবং বিভিন্ন আকৃতির বোল্ডারের জন্য আমি নাকি খ্যাত। জানি না বাবু, সত্য না মিথ্যা! হ্যাঁ, তবে ‘খরস্রোতা’র জন্য ‘রাফটিং’-এর সুবিধা হয়। পনেরো শতকের পরবর্তীতে নাকি আমার গতিপথের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছিল। যদিও পর্যাপ্ত তথ্যের এখনও যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তবে একথা ঠিক, যে সমস্ত নদীগুলো খুব দ্রুত গতিপথ পরিবর্তনে সক্ষম তাদের মধ্যে আমি অন্যতম।

‘তিস্তা’ কথাটি সম্ভবত ‘ত্রিস্রোতা’ শব্দের অপভ্ৰংশ। অতীতে তিনটি স্রোত আকারে তিনটি নদী— ‘করতোয়া’ (বর্তমান তিস্তার পূর্বে), ‘পুনর্ভবা’ (তিস্তার পশ্চিমে) এবং ‘আত্রেয়ী’ (মধ্য অঞ্চলে) রূপে প্রবাহিত হয়েছি এবং স্বাধীন ভাবে তিনটি পৃথক নদী রূপে আত্ম প্রকাশ করেছি। সম্ভবত এই কারণেই প্রাচীনকালে আমাকে ‘ত্রিস্রোতা’ বলা হত। খারাপ লাগে, যখন মানুষ আমার অতীতের ভয়ংকর রূপের বর্ণনা দেয়। স্মৃতিচারণ করে। এই অঞ্চলের নথি ঘাটলে জানা যায়, ১৭৮৭-৮৯ সালে আমার বিধ্বংসী রূপের শিকার হয় ‘পার মেখলিগঞ্জ-জলঢাকা’ (অধুনা বাংলাদেশ) নামক জনপদ কিংবা জলপাইগুড়ি থেকে বার্নিশ ঘাট যাওয়ার ফেরিঘাট নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। অবশ্য এটা বাঁচোয়া যে, ওইসময় আজকের মতো অত বেশি মানুষজন ছিলেন না। এরপর ১৮৮১ সালের বন্যায় করলা-তিস্তা সংলগ্ন অঞ্চল ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়। আবার ১৮৯২ সালের বন্যায় জলপাইগুড়ি শহরের তেমন ক্ষতি না হলেও ১৯০২ সালে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে রেকর্ড পরিমাণ জল বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে প্রভাবিত করে। এর পর ১৯০৬ সালে জলপাইগুড়ি শহরের রাস্তাঘাট ও রেল স্টেশন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৯২২-২৩ সালে আমি আরও পূর্ব দিকে সরে যাওয়ায় বার্নিশ রেল জংশন ও জনবসতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

আমি নিজেই আতঙ্কিত হই, যখন শুনি— এই অঞ্চলের সবচেয়ে ভয়াবহ আমার রূপের কথা। সেই বিভীষিকাময় ১৯৬৮ সালের কথা। ২-৪ অক্টোবর ১৯৬৮ সালে একনাগাড়ে তিনদিন ধরে মুষলধারে সিকিম ও সংলগ্ন অঞ্চলে ব্যাপক বর্ষণের ফলে পাহাড়ে ব্যাপক ধস নামে। আমার এবং উপনদী রঙ্গীতের বাঁধ ভেঙে আমাদের ক্ষমতার বাইরে ৬৫০০০ কিউসেক বিপুল জলরাশি নিয়ে জলপাইগুড়ি জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে ভয়াবহভাবে প্লাবিত করি। সহন ক্ষমতার বাইরে বড় বড় বোল্ডার, পাথর প্রভৃতি সহকারে সেবক অঞ্চলে ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাওয়ার সময় দূরবর্তী ডুয়ার্সের অন্যান্য অপেক্ষাকৃত ছোট নদী যেমন লিস, ঘিস, চেল, ধরলা প্রভৃতির অতিরিক্ত জলও আমাকে আরও বেশি ভয়ংকর বানিয়ে তোলে। এই বিপুল জলরাশি নিয়ে মাত্র ২ ঘণ্টার অন্তরালে জলপাইগুড়ি শহর ও সংলগ্ন অঞ্চলকে ধূলিসাৎ করে দিই। আমার জলস্তর ৬-১৫ ফুট পর্যন্ত উঠে যায়। জান মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তৎকালীন সময়ে প্রায় ২১৬ জন মানুষ প্রাণ হারান। হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে যান। প্রায় ১৫০০ গবাদি পশু মারা যায়। ৪০০০ বাড়িঘর ভেঙে পড়ে। আজও মানুষ আমার এই রূপকে ভুলতে পারেননি।

মনীষীরা ঠিকই বলেছেন। ধ্বংসের মধ্যেও সৃষ্টি আছে। দুঃখের পর সুখ আসে। আমি যখন জয়যাত্রা শুরু করি। খুব কঠোর প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও মানুষ ও বিভিন্ন জীবের জীবিকা তথা জীবনে বেঁচে থাকার রসদের সন্ধান দিয়েছি একথা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। একে একে এগারো হাজার ফুট উচ্চতায় ছোট্ট জনপদ ‘ইয়ুম থাং’ ও ‘লাচুং’ উপহার দিয়েছি। নিচের দিকে পূর্ব সিকিমের সবচেয়ে বড় জনপদ ও সিকিমের শিল্প নগরী হল ‘রংপো’। যেখানে বহু মানুষের কর্মস্থল। এরপর পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করার পর প্রথম পাহাড়ি বড় জনপদ হল ‘তিস্তা বাজার’। এর পর দ্বিতীয় পাহাড়ি জনপদ হল ‘কালিঝোরা’। যেখানে বিখ্যাত বাংলা ও হিন্দি সিনেমা ‘অনুসন্ধান’ ও ‘বরসাত কি একরাত’-এর বেশ কিছু অংশের সাক্ষী সেই নস্টালজিক ‘সরকারি বাংলো’ ও আশপাশের নৈসর্গিক এলাকা। আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছ। এখানে ‘চড়ুইভাতি’ খেতে হাজার হাজার মানুষ শীতের মরশুমে এসে থাকেন। শিলিগুড়ি শহর মাত্র ২৮ কিমি দূরে এখান থেকে। এখানে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আমার বুকের ওপর দম বন্ধ করে আসে। একরকম মাঝারি মানের বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এই বাঁধের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আজও আমার মনে প্রশ্ন জাগে। অনেক কষ্টে থাকলেও কিছু পরিবেশপ্রেমী মানুষ ছাড়া আর কেউ এই কষ্ট বোঝার চেষ্টা করেন না।

এরপর সেবক হয়ে দার্জিলিং জেলাকে বিদায় জানিয়ে জলপাইগুড়ি জেলায় প্রবেশ করেছি। এই জেলায় অবশ্য প্রথম জনপদ হল বিখ্যাত ‘গজলডোবা’। এখানেও আমার বুকের উপর ১৯৭৪ সালে পার্শ্ববর্তী এলাকায় কৃষিকাজে সেচের জন্য জলের চাহিদা মেটাতে একটা বড় ব্যারেজ তৈরি করা হয়েছিল। কষ্ট এখানেও আছে, তবে তুলনামূলক কম। এখানে আমি অনেকটাই চওড়া। বর্ষার সময় অতিরিক্ত জল এখানেই আটকে রাখা হয়। ফলে নিচের এলাকাতে বন্যার সম্ভবনা কমে যায়। আমার এই এলাকায় গর্ব বোধ হয় যখন লক্ষ লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী দেশ বিদেশের বহু পাখি শীতকালে ভিড় জমায়। আমারই জলে পুষ্ট। পাশের জলাভূমিতে। যাকে স্থানীয়রা ‘ডোবা’ বলেন। আর সেই থেকে বোধহয় এলাকার নাম ‘গজলডোবা’। তবে আমার মূল নদী বক্ষেও বহু পাখি স্বচ্ছন্দে আনাগোনা করে।

প্রচুর পক্ষীপ্রেমী শীতকালে এখানে ভিড় জমান। স্থানীয় মানুষরা অর্থনৈতিক দিক থেকে উপকৃত হন পর্যটকদের জন্য। সম্প্রতি রাজ্য সরকার এই এলাকাকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের প্রসারের জন্য পর্যটন হাব তৈরির কাজ শুরু করেছেন। অবশ্য প্রথম পর্যায়ে। অদূর ভবিষ্যতে পরিবেশের উপযুক্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক সমীক্ষা না হওয়ায় মাননীয় রাজ্য উচ্চ আদালত কর্তৃক কাজটি স্থগিত করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুনরায় আদালতের নির্দেশে কাজটি সম্পূর্ণ হওয়ার দিকে। একথা ঠিক যেহেতু পাশেই বৈকুণ্ঠ বনাঞ্চল রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই অত্যাধুনিক কংক্রিটের জঙ্গল হওয়ার ফলে বন্যপ্রাণ ও পাখিদের ক্ষতির সম্ভাবনা প্রবল। পর্যটন থেকে সরকারি রাজস্ব বাড়বে। স্থানীয় কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হবে ঠিকই। কিন্তু এলাকার জৈববৈচিত্র্যের উপর চাপও বাড়বে সন্দেহ নেই। আমারও দূষণের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। যাকে আমি ভীষণ ভয় করি!

কিছুটা পথ গেলেই আসে জলপাইগুড়ির আরেকটি প্রাচীন জনপদ ‘রং ধামালী’। বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই অঞ্চলটি। এখান থেকে ৮-১০ কিমি নিচে গেলেই আমার পাড়ে দেশের সবচেয়ে বড় জনপদ হল ‘জলপাইগুড়ি সদর শহর’। এক সময়কার বৈকুণ্ঠপুর রাজ্যের রাজধানী। অপেক্ষাকৃত আধুনিক যুগে ১৮৬৯ সালে এই রাজ্য জলপাইগুড়ি জেলার মর্যাদা পায়। এই শহরের লক্ষাধিক মানুষ আমার তীরেই বসবাস করেন। এখান থেকেই ধীরে ধীরে আরও নিচে এগিয়ে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ এলাকাকে স্পর্শ করে বেলতলী নামক জায়গায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছি দীর্ঘ ৩০৯ কিমি ভারতে যাত্রা করে।

যেতে যেতে মনে পড়ে উত্তর সিকিমের ‘ইয়ুম থাং’ উপত্যকায় প্রায় ২৪ রকমের রডোডেনড্রন সমৃদ্ধ ‘সিংবা রডোডেনড্রন অভয়ারণ্য’র কথা। যেখানে বহু দুর্লভ ছোট বড় পোকামাকড়, প্রজাপতি, পাখি, স্তন্যপায়ীদের আবাসস্থল। কিংবা বিখ্যাত ‘মহানন্দা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য’ যেখানে উদ্ভিদ বৈচিত্র, স্তন্যপায়ীদের বিবিধতা এবং পাখিদের বাহার কিংবা বয়সে অপেক্ষাকৃত নবীন কিন্তু বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীবৈচিত্র্যে অনন্য ‘বৈকুণ্ঠপুর বনাঞ্চল’ কিংবা পক্ষীরালয় হিসেবে ‘গজলডোবা’র আত্মপ্রকাশ সবটাই আমার দান। একথা সবাই স্বীকার করে এক বাক্যে। এটাই আমার বড় প্রাপ্তি।

শেষে বলি, আমার উপত্যকা জুড়ে ঘন ঘন ধস, ডিনামাইট ফাটিয়ে অবৈধ মাছ শিকার, অবৈজ্ঞানিক বাঁধ নির্মাণ, বিপুল পলি ও বোল্ডারের সমাহারে আমি আজ ভারাক্রান্ত। পূর্বপুরুষদের কাছে শুনেছি, আসলে নদীকে নদীর মতো বইতে দিতে হয়। তবেই গোটা মনুষ্য জাতি সমেত সকল জীবের মঙ্গল। অন্যথায় আমার-আপনার সকলের জীবন প্রশ্নচিহ্নের মুখে যেতে কেবল সময়ের অপেক্ষা।

ছবি: লেখক

লেখক প্রাণীবিদ্যার প্রাক্তন অধ্যাপক। উত্তরবঙ্গে দীর্ঘদিনের জনবিজ্ঞান সংগঠক ও পরিবেশবিদ। বিগত ১৫ বছর ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়/সংবাদপত্রের ফ্রিল্যান্স, বিজ্ঞান ও পরিবেশ বিষয়ক লেখালিখি করেন। ভালোবাসেন প্রকৃতির আলোকচিত্র সংগ্রহ করতে। তাঁর আরও একটা পরিচয় হল, তিনি ‘জলপাইগুড়ি সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাব’-এর সম্পাদক।

Facebook Twitter Email Whatsapp

4 comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *