আমায় বিধানসভার টিকিট দিতে হবে না, আমি ১৬ ঘন্টা খাটব, কেতুগ্রামের জনসভায় শুভেন্দু

Mysepik Webdesk: গত শনিবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যোগদান করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন কেতুগ্রামে তাঁর প্রথম জনসভায় তিনি বিজেপির মুখ হয়ে বক্তৃতা রাখলেন। এদিন তাঁর বক্তৃতায় তিনি জানান, “আপনারা জানেন বিজেপি পৃথিবীর বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, যারা মানু্ষের সমর্থন নিয়ে দেশ চালানোর অনুমতি দিয়েছেন। অমিত শাহ, দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে আমাকে দলে নিয়েছেন। আমি শৃঙখলা মেনে চলি। দিলীপবাবু আমাকে কেতুগ্রাম ও ছাতনি আসতে বলেন। আমি বলি আমাকে প্রথমটায় ছাড় দিতে। এই প্রথম সভা আমার কাছে স্মরণীয়। কৃষকদের মধ্যে অতীতে করেছি।”

আরও পড়ুন: নতুন করে রাজ্যে করোনার ঢেউ আটকাতে সদ্য বিলেতফেরতদের খোঁজ রাজ্যে

Suvendu Adhikary quits TMC after resigning as MLA - India News

তিনি বলেন, “আমি টিএমসি ছেড়ে কেন এলাম? যুক্ত হলাম এই কারণে যে আমি আমার নৈতিকতা বাদ দিই না। আমি এখন সাধারণ ভোটার। আমার ভোটার হিসাবে অন্য দলে যোগ দেওয়ার অধিকার আছে। আমার সঙ্গে যারা বিশ্বাসঘাতক বলছেন তাদের বলব, ৯৮ সালে টিএমসি হওয়ার পরে, পঞ্চায়েত, লোকসভা ভোটে কারা ছিল? অটল বিহারী বাজপেয়ী, লালকৃষ্ণ আডবাণি না থাকলে আজ এই জায়গায় যেত না। আমি ২০০৪ সালে তমলুক থেকে লক্ষন শেঠের বিরুদ্ধে এন ডি এ প্রার্থী হিসাবে লড়েছিলাম। ২০০৭ সালে ১৪ মার্চ ঘটনার পরে অন্য দল আসেনি। আডবাণী, রাজনাথ, সুষমা স্বরাজ এসেছিলেন। দিল্লিতে তাঁরা আলোচনা করেছিলেন।”

আরও পড়ুন: লন্ডন থেকে কলকাতায় আসা ২ যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস মিলল বিমানবন্দরে, উদ্বেগ

Dissident minister Suvendu Adhikari quits Mamata cabinet

তিনি আরও বলেন, “শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, মীরজাফর নয়। এই দল এখন দেড় জনে চালাচ্ছে। তাঁর স্লোগান, তোলাবাজ ভাইপোর হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাও। বালির গাড়ি রাস্তা ভাঙছে, পাথর, কয়লা, গরু বেচেছে। এবার জিতলে কিডনি বেচবে। আমায় বিধানসভার টিকিট দিতে হবে না। আমি ১৬ ঘন্টা খাটব। নিচে বসব। কিন্তু আমরা জিতব। সোনার বাংলা গড়ব। দুয়ারে সরকার প্রকল্পকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আজ যমের দুয়ারে সরকার সাড়ে ৯ বছর পর। জানুয়ারি অবধি নাটক চলবে। তার পরের মাসে কার্ড আসবে। কিন্তু টাকা পাবেন না। পরিবর্তনের পরিবর্তন চাই।”

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *