আই লিগ ট্রফি প্রাপ্তি উৎসব জলপাইগুড়িতে

সৌভিক সোম

ভারতসেরা মোহনবাগান। পাঁচ বছর পর আরও একবার আই লিগ এসেছে বাংলায়, এসেছে মোহনবাগানে। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। করোনা নামক মারণ ভাইরাসে থমকে গিয়েছে সব কিছু। মাস্কের আড়ালে এ যেন এক অচেনা পৃথিবী। এই অতিমারির চোখরাঙানি কিছুটা সামলে ট্রফি অফিসিয়ালি ক্লাবের হাতে সময় লাগল সাত মাস সাত দিন। আর তাতেই ঘটল আবেগের বিস্ফোরণ। কলকাতার রাজপথ থেকে অলিগলি ভরে উঠল আপামর মেরিনার্সদের পাগলামিতে, ভালোবাসায়।

আরও পড়ুন: কন্যার পোস্টে মোহনবাগান পাগল পিতার তর্পণ

সেই ভালোবাসার ছোঁয়ায় সব প্রতিকূলতা সরিয়ে উদ্‌যাপনে শামিল জলপাইগুড়ি মেরিনার্সও। ট্রফি হাতে আসার দিন সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ির সমাজপাড়া মোড়ে মিলিত হয়ে পঞ্চম আই লিগ (জাতীয় লিগ মিলিয়ে) জয়ের সেলিব্রেশনে মাতলেন জলপাইগুড়ির মোহনবাগানীরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফ্যানস ক্লাবের বিশিষ্ট সদস্য কিংশুক বোস মহাশয়। একে একে বক্তব্য রাখেন সদস্য এবং সম্পাদক শান্তনু বসু, এরপর বক্তব্য রাখেন বুবাই কর, জয়দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: মহাকাব্যের নাম মোহনবাগান: সারথি বঙ্গ জনতা

বক্তব্য রাখেন তরুণ মোহনবাগানী দেবার্ঘ্য বিশ্বাস। তিনি মোহনবাগানের গৌরবের ইতিহাস, আই লিগের পারফরম্যান্স, আইএসএল এবং এএফসি কাপে সম্ভাবনা এসব বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। জলপাইগুড়ির অ্যাকাডেমির পুনর্সূচনার বিষয়টিও উঠে আসে। এরপর উপস্থিত সদস্য তথা মোহনবাগানীদের মিষ্টিমুখ করান বিশিষ্ট সদস্য বুবাই কর। ‘চ্যাম্পিয়ন ৫’ লেখা কেক কেটে এগিয়ে চলে সেলিব্রেশন। এরপর সবুজ মেরুন তারাবাতি, বাজি, স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে শহরের আকাশ বাতাস। ডিজেতে বাজতে থাকে ‘আমাদের সূর্য মেরুন’ কিংবা “চ্যাম্পিয়ন, আমরা চ্যাম্পিয়ন, মোহনবাগান আবার চ্যাম্পিয়ন’। সবশেষে সবুজ মেরুন বেলুন উড়িয়ে আইএসএলের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখে নতুন এক প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুন: সবুজ মেরুন আবেগের বিস্ফোরণ এভাবেই হয়

১৮ অক্টোবর পৃথিবীর সব জায়গার সমস্ত মোহনবাগানীদের কাছে ছিল একটি বিশেষ দিন, নতুন অঙ্গীকার নিয়ে আগামীর জন্য প্রস্তুত হওয়ার শপথ গ্রহণের দিন আর গলা ছেড়ে গাওয়ার দিন— “শেষ আই লিগেতেও আমরা চ্যাম্পিয়ন / আইএসএল, হেয়ার উই কাম’।

আরও পড়ুন: ট্রফি পাওয়ার দিনে অন্য রকম উদ্‌যাপন আই লিগ জয়ের

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *