আঁধার আমার ভালো লাগে

কাজল সেন

আঁধার ভালো লাগে নন্দনের। আঁধার ভালোবাসে নন্দন। সারাটা দিন প্রখর রোদের আলোয় সবকিছু ঝলমল করলেও নন্দন সেই উজ্জ্বল আলোর মধ্যেও নিজের মতো করে আঁধার খুঁজে নেয়। আঁধারের খোঁজেই তার কেটে যায় প্রতিটি দিন। রাতের জন্য অবশ্য কিছু ভাবতে হয় না। রাত নিজেই আঁধার বয়ে নিয়ে আসে। নন্দনের ভালো লাগে। সে নিশ্চিন্ত হয়। আঁধারের খোঁজে তাকে আর দিনের মতো কষ্ট করতে হয় না রাতে।

নন্দন যখন এই একতলা ছিমছাম বাড়িটা কিনে এখানে সপরিবারে উঠে এসেছিল, তখন আশপাশে খুব কমই বাড়িঘর ছিল। চারিদিক প্রায় ফাঁকা। ইতস্তত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সদ্য গজিয়ে ওঠা কয়েকটা বাড়ি মাত্র। আসলে তখনও ঠিকঠাকভাবে বসতির পত্তন হয়নি এখানে। অনেক আগে এখানে ছিল ধানচাষের জমি। তা সেসব কবেই চুকেবুকে গেছে। শিল্পায়ন যত তেজি হয়েছে, এই অঞ্চলের চাষাবাদ ততই নিষ্প্রভ হয়েছে। বাপ-কাকা চাষের কাজ ছেড়ে না গেলেও ছেলেরা পড়াশোনা যৎসামান্য করে অথবা না করে দলে দলে কারখানায় ঢুকেছে শ্রমিকের কাজে। এদিকে শহরের পরিসরও ক্রমশ বেড়েছে। পার্শ্ববর্তী গ্রামাঞ্চলের ধানজমিগুলি বর্ধিত দামে পরিবর্তিত হয়েছে আবাসভূমিতে। তা মোটামুটি সেই সময়েই নন্দন তার মা বাবা ছোটভাই ছোটবোন আর সদ্য পরিণীতা স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়ি ছেড়ে ছিমছাম এই একতলা বাড়িতে উঠে এসেছিল। এখান থেকে কারাখানার অবস্থান সামান্য দূরে হলেও প্রতিদিন কারখানায় আসা-যাওয়ার ব্যাপারটা মানিয়ে নিয়েছিল। তখন তো আর পেট্রোল বা ডিজেল চালিত ব্যক্তিগত যানবাহনের তেমন রমরমা ছিল না!

আরও পড়ুন: সম্বুদ্ধজাতিকা (৫ম অংশ)

প্রায় সবাই সাধারণ সাইকেল ব্যবহার করত। নন্দনের বাবা ও নন্দনও সাইকেলেই যেত কারখানার কাজে। বাইক বা মোটরসাইকেল তখনও জাঁকিয়ে দাপাদাপি শুরু করেনি শহরের রাস্তায়।

শহর থেকে দূরে তৎকালীন এই প্রায় গ্রামাঞ্চলে নন্দনদের বসতি গড়ে তোলার পেছনে নন্দন ও নন্দনের বাবার একই মানসিকতা সক্রিয় ছিল, শহরের জনাকীর্ণ দমবন্ধ পরিবেশ আর ভালো লাগে না। হাঁপ ধরে যায়। সুস্থ ও সহজভাবে বাঁচার জন্য প্রয়োজন খোলামেলা পরিবেশ, টাটকা তাজা বাতাস, আর অফুরন্ত সূর্যের আলো। তা সেইসময় তা ছিল বৈকি! দক্ষিণমুখো বাড়ি। বাড়ির দশদিক থেকে বাড়িতে প্রবেশ করত আলো আর বাতাস। খুব খুশি হয়েছিল নন্দনের স্ত্রী তপস্যা। উচ্ছ্বসিতও। বিয়ের আগে তপস্যা বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত উত্তর কলকাতায় বারো ঘর এক উঠোনের মতোই এক বহু প্রাচীন ভাড়াবাড়িতে। বিয়ের পর শিল্পনগরে এসে সে অনেকটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল। কিন্তু তার জন্য যে আরও রোমাঞ্চকর আলো বাতাসের উন্মুক্ত জগৎ অপেক্ষা করে আছে, তা তার কল্পনায় ছিল না। চারিদিকে আলো আলো, মুঠো মুঠো আলো! পরে অবশ্য নন্দন একতলা বাড়িকে দোতলায় রূপান্তরিত করেছিল। তপস্যার তখন মনে হয়েছিল, দোতলার ছাদে দাঁড়িয়ে সে বুঝি সূর্যের আরও একটু কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

আরও পড়ুন: এক সমুদ্রকন্যা ও তার সমুদ্র-সুতো তৈরির গল্প

কিন্তু এই সুখের দিন তো কারোর চিরদিন অচল থাকে না! পারিপার্শ্বিক কত কারণেই সুখেরও ব্যাঘাত ঘটে। যেমন নন্দনদের পাশাপাশি জমিগুলো যারা এতদিন কিনে ফেলে রেখেছিল, তারা একে একে বাড়ি বানানো শুরু করল। দেখতে দেখতে আশপাশের ফাঁকা জায়গাগুলো ক্রমশই ভরাট হয়ে যেতে থাকল। নন্দনদের বাড়ির মুখ দক্ষিণ দিকে। সামনে রাস্তার জন্য কয়েক ফুট জায়গা ছেড়ে মুখোমুখি যেমন কয়েকটি বাড়ি তরতর করে মাথা তুলল, ঠিক তেমনি বাড়ির পেছনের দিকেও গলির জন্য ফুট চারেক জায়গা ছেড়ে রেখে বেশ কয়েকটি বাড়ি কথা বলতে শুরু করল। এবং শুধু কি তাই, নন্দনদের বাড়ির পাশে পূর্ব ও পশ্চিমেও দু’টো বাড়ি বিটকেলের মতো দাঁত কেলিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। এ যেন এক ষড়যন্ত্র! আলোকে আসতে না দেবার ষড়যন্ত্র! এবং এই ভাবনা শুধুমাত্র নন্দনের একার নয়, বরং তার বাবা-মা, বউ তপস্যা সবারই। আলো আলো, আরও আলো। আলো রুদ্ধ হলে কারই বা ভালো লাগে!

এসব অবশ্য অনেকদিন আগের কথা। তখন নন্দনের বয়স কম ছিল, উৎসাহ উদ্দীপনা বেশি ছিল, স্বপ্নও ছিল অনেক। বাড়ি একতলা থেকে ক্রমে দোতলা হয়েছিল ঠিকই, আলোর আসার পথও প্রশস্ত হয়েছিল স্বাভাবিক কারণেই, কিন্তু বাড়ির ভেতর আলোটা হঠাতই একদিন ম্লান বলে মনে হয়েছিল, যেদিন নন্দনের বাবা আলোর জগৎ ছেড়ে অন্ধকারে পাড়ি দিয়েছিলেন। জীবনে সেই প্রথম আত্মীয়বিয়োগের শোকে এক অদ্ভুত শূন্যতা অনুভব করেছিল নন্দন। সেই শূন্যতার কোনো বাহারি রং নেই, বরং কেমন যেন ধূসর, একটু ঘন হলেই যা কালো বলে মনে হয়। নন্দন ঠিক বুঝে উঠতে পারেনি, পাশাপাশি বাড়িগুলো মাথা তোলার পরে তাদের বাড়ির ভেতর যে অন্ধকার কিছুটা হলেও ঘনিয়ে তুলেছিল এবং বাবা হঠাৎ চলে যাওয়ায় বাড়ির ভেতর যে অন্য এক অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছিল, তার মধ্যে কোন্‌ অন্ধকারের ঘনত্ব ও গভীরতা বেশি!

আরও পড়ুন: ত্রাসের‌ ‌কবিতা‌ ‌

ইতিমধ্যে সংসারের স্বাভাবিক নিয়মেই অনেক রকম পরিবর্তন ঘটেই চলেছে। নন্দনের এক ছোটভাই ও ছোটবোন ছিল। দু’জনেই পড়াশোনায় খুব মনোযোগী। ছোটভাই বি.টেক পাশ করে ক্যাম্পাস সিলেকশনে মনোনীত হয়ে এক বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি পেয়ে নয়ডা চলে গেল। আর ছোটবোনটা ইংরেজিতে এমএ করার পর একটা স্থানীয় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে শিক্ষিকার অস্থায়ী চাকরি করছিল। নন্দন খোঁজখবর করে পাত্র জোগাড় করে তাকে পাত্রস্থ করে ফেলল। বিয়ের পরে বোন তার ইঞ্জিনিয়ার স্বামীর সঙ্গে পাড়ি দিয়েছে ইউএসএ। ছ’টি মানুষের সংসার তখন আধাআধি হয়ে তিনে এসে ঠেকেছে।

নন্দনের খুব শখ ছিল ফুলগাছের। চাকরি ও সংসারের কাজ সেরে যেটুকু অবসর থাকত, সে বাগানে ও ছাদে ফুলগাছের পরিচর্যায় নিজেকে ব্যস্ত রাখত। এ কাজে তার মা তাকে সহযোগিতা করত, তপস্যাও সাধ্যমতো করার চেষ্টা করত। বিভিন্ন ঋতুতে যখন রকমারি নানা রঙের ফুল ফুটত, উল্লসিত হতো নন্দন ও তপস্যা। খুব আনন্দ হত। তবে তপস্যার এই আনন্দ আহ্লাদের পেছনে যে কী তীব্র বেদনা লুকিয়ে থাকে, তা অনায়াসেই অনুমান করত নন্দন। আসলে এই ফুল ফোটার মধ্যেই তপস্যা যে সন্তানজন্মের অনস্বাদিত রোমাঞ্চ অনুভব করত, তা সহজেই অনুমেয়। নন্দনের অবশ্য জানা ছিল না, সন্তান জন্ম দেবার অক্ষমতা কার। তার, নাকি তপস্যার! জানা অবশ্য যেত, যদি কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া হত। কিন্তু তা হয়নি শেষপর্যন্ত। তপস্যা এ ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করলেও নন্দন বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি। নন্দনের হয়তো মনে হয়েছিল, পরীক্ষায় যদি তারই অক্ষমতা প্রমাণিত হয়, তাহলে তাকে গ্রাস করবে একটা অপরাধবোধ। তপস্যার চোখে চোখ রাখার সঙ্কোচ সে তখন কাটিয়ে উঠবে কী করে! তপস্যা অবশ্য এ ব্যাপারে কখনই কোনো অনুযোগ জানায়নি নন্দনের কাছে। বরং সে তার সাধ্যমতো গুছিয়ে সংসার করার চেষ্টা করে গেছে। পরিপাটি রান্না করা, আসবাব সাজানো, লৌকিকতা রক্ষা করা, সবই সে করে গেছে স্মিত হাসিতে অনায়াসে। শ্বশুরমশাই ক্রমশ তাঁর স্ত্রীর থেকে বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন তাঁর বৌমার ওপর। ননদ ও দেওরের তাদের বৌদির কাছেই ছিল যাবতীয় আবদার ও আহ্লাদ। নন্দন এসবই দেখেছে, অনুভব করেছে, আনন্দিত হয়েছে। সেও চেষ্টা করেছে তপস্যাকে যতটা সম্ভব ভরিয়ে তুলতে। বৈষয়িক সব চাহিদা মেটাতে। শারীরিক মিলনে তীব্র সুখের শীর্ষে পৌঁছে চরম তৃপ্তি দিতে। মানসিকভাবে নিরন্তর ভালোবাসায় ভাসিয়ে রাখতে।

আরও পড়ুন: জ্যাঙ্গো, র‍্যাম্বো আর ফুটবল

এভাবেই দিন যায়। এভাবেই দিন যাচ্ছিল। যদিও নন্দন মাঝেমাঝেই আনমনা হয়ে একটা অন্য উপলব্ধিতে বিষণ্ণ বোধ করছিল। তার মনে হচ্ছিল, জীবনের সব কোণে তো সব আলো জ্বালানো থাকে না! কিছু আলো জ্বালানো থাকে, আর কিছু আলো নিজেকে জ্বালিয়ে নিতে হয়। ‘আলো আমার আলো ওগো আলোয় ভুবন ভরা’। সত্যিই তাই। এই ভুবন আলোয় ভরা। কিন্তু যেহেতু সব আলো তো আর সবার চোখে ধরা পড়ে না; আর তাই আলোকে খুঁজে নিতে হয়, নিজেকেই জ্বালিয়ে নিতেও হয়। ইদানীং নন্দনের এটাও মনে হয়, সেই বা আলোর জন্য এতটা উন্মুখ ছিল কেন! কেন সে শুধুমাত্র আলোর খোঁজেই একদিন শহর থেকে কিছুটা দূরে প্রায় গ্রামাঞ্চলে এসে জমি কিনে বাড়ি বানিয়েছিল! তপস্যাও তো ঠিক এই কারণেই এখানে চলে আসার পর উচ্ছ্বসিত ও উল্লসিত হয়ে উঠেছিল! তাহলে কি এটাই আসল সত্য যে, মনের গভীরে ঘাপটি মেরে বসেছিল অন্ধকার! যে অন্ধকারের কিছুটা মাত্র জানা, আর বেশিটাই অজানা! আর তাই আলোর জন্য এতটা আকুলতা ও ব্যাকুলতা!

নন্দনের এটাও জানা ছিল না যে, কে কখন কাউকে কিছু না জানিয়ে অন্ধকারে নিজেকে আড়াল করে নেবে। নন্দনের বাবা একদিন ঘরের কাউকে কিচ্ছুটি না বলে, হয়তো নিজেকেও কিছুমাত্র জানতে না দিয়ে, অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েছিলেন। ততদিনে অবশ্য নন্দন অন্ধকারের চক্রান্তের কিছুটা আন্দাজ পেয়েছিল। কেন-না পাশাপাশি ও মুখোমুখি গজিয়ে ওঠা বহুতলগুলোর আগ্রাসী মানসিকতায় ক্রমশই নিষ্প্রভ হয়ে যাচ্ছিল নন্দনদের বাড়ির অন্দরমহলের আলো। নতুন করে যেন অন্ধকারের সঙ্গে পরিচয় ঘটছিল নন্দনের। অকস্মাৎ বাবার প্রয়াণ সেই পরিচয়কে আরও ঘনিষ্ঠ করে তুলেছিল। নন্দনের জানা ছিল না সেই অন্ধকারের বেড়াজাল থেকে নিষ্ক্রমণের রাস্তা। নন্দনের মনে হয়েছিল, সে বুঝি তার একান্ত অনিচ্ছায় একটু একটু করে নিমিজ্জিত হচ্ছে সেই আঁধারের চোরাবালিতে।

তাও তো চলে যাচ্ছিল দিন। ছোটভাইয়ের চাকরি হল, ছোটবোনের বিয়ে হল। এসব তো একরকম অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোরই প্রতিবাদ! নন্দনেরও প্রতিবাদ! হ্যাঁ, একথা ঠিক যে, ছোটভাই ও ছোটবোন দূরে চলে গেল। অনেকটা দূরেই চলে গেল। নন্দনদের ঘর অনেকটা খালি হয়ে গেল। তিনটি প্রাণী শুধু ঘরে। বাবা মারা যাবার পর মা আরও বেশি যেন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাঁর ঠাকুরঘরে। তপস্যা সারাদিন ব্যস্ত থাকে সংসারের কাজে আর ফুলগাছের পরিচর্যায়। নন্দনের সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত ব্যস্ততা কারখানার কাজে। নির্জন নিরালা ঘরে সারাদিন আর কার ক’টা কথাই বা নিঃশব্দতাকে ভেঙে ফেলতে চায়!

আরও পড়ুন: অভিন্ন হৃদয় বন্ধু: অ্যাশ, ব্রক, মিস্টি এবং পোকেমন

তবু যেহেতু মানুষ অভ্যেসের দাস, তাই এটাই ক্রমশ সয়ে আসছিল নন্দনের কাছে। কিন্তু তপস্যা যে কোনোদিন এরকম একটা কাজ করতে পারে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি নন্দন। কেউ কি ভেবেছিল! নন্দনের মা, ছোটভাই, ছোটবোন এরা কেউ কি ভেবেছিল! না, কেউই ভাবেনি। তপস্যার এরকম একটা কাজে নন্দন এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল যে, সে তার স্বাভাবিক সব বুদ্ধি বিচার-বিবেচনা বিশ্লেষণ পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছিল। আর এটা আদৌ কি কোনো যুক্তিযুক্ত কাজ হল তপস্যার! হ্যাঁ, সবাই জানে যে, শ্বশুরমশাইয়ের খুব প্রিয়পাত্রী ছিল তপস্যা। নন্দনের বাবা প্রচণ্ড ভালোবাসতেন তপস্যাকে। শ্বশুরমশাইয়ের মৃত্যুতে খুব খুব কেঁদেছিল তপস্যা। কিন্তু তার মানে তো এই নয় যে, শ্বশুরমশাইকেই অনুসরণ করবে তাঁর পুত্রবধূ! বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎই এভাবে আলো থেকে অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া, এটা কি ঠিক হল! কেন, কেন তপস্যা, তুমি এমন করলে! নন্দন বুঝে উঠতে পারে না, তপস্যা কি নিজেও জানতে পেরেছিল, সে আর কোনোদিন আলোকে ধরতে ছুঁতে পারবে না!

নন্দন এখন নিজেকে আলো থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায়। আলো তার ভালো লাগে না। বরং আঁধার ভালোলাগে নন্দনের। আঁধার ভালোবাসে নন্দন। আঁধারেই সে খুঁজে পায় তার বাবাকে। আঁধারেই তার সঙ্গে দেখা হয় তপস্যার। সেই আঁধারে বাবা ও তপস্যার সঙ্গে অনর্গল কথা বলে যায় নন্দন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *