মোদির বৈঠকে চুপচাপ বসেছিলাম, কথা বলতে দেওয়া হয়নি, ক্ষুব্ধ মমতা

Mysepik Webdesk: দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল দশটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে। কিন্তু সেই বৈঠকে কোনও কথা বলতে দেওয়া হয়নি। বৈঠক শেষে ক্ষুব্ধ হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সুপার ফ্লপ মিটিং। তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে ডেকেও প্রধানমন্ত্রী কোনও সৌজন্য বিনিময় করেননি। নিজেদের পছন্দমতো জেলাশাসকের সঙ্গেই কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে চালু হচ্ছে ‘দুয়ারে রেশন’

এদিক বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “মুখ্যমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে, তাঁদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি। কোনও সৌজন্য বিনিময়ও করেননি প্রধানমন্ত্রী। করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের দাবিদাওয়া নিয়ে উপস্থিত ছিলাম। কাউকে বৈঠকে এক সেকেন্ডের জন্যও কথা বলতে দেওয়া হয়নি। উনি (নরেন্দ্র মোদি) শুধু পছন্দমতো জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা বলেন আর ভাষণ দেন। সুপার ফ্লপ মিটিং। করোনা নিয়ে এত ক্যাজুয়েল বৈঠক! আমরা অপমানিত হয়েছি। পুতুলের মতো বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ যা হয়েছে তা স্বৈরতন্ত্র।

আরও পড়ুন: প্রতিহিংসাপরায়ণতা কি সুচতুর চাল!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “ভ্যাকসিনের ডোজ নিয়ে একেক বার একেক রকম কথা বলা হচ্ছে। এর কী আদৌ কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। ভ্যাকসিন নেই বলে ভ্যাকসিন দেওয়ার মধ্যে ব্যাবধান বাড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ফর্মুলা মেনে চললে গোটা দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দিতে হলে অন্তত ১০ বছর সময় লাগবে। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আজ রাজ্যের অসম্মান হয়েছে।” মমতার কথায়, “এদিন প্রধানমন্ত্রী করোনা ভ্যাকসিন, অক্সিজেন, ওষুধ নিয়ে কোনও কথাই বললেনি। তিনি ভাষণে বলছেন করোনা নাকি কমে গিয়েছে। তাহলে এত মৃত্যু হচ্ছে কেন? আবার বলবে ঘণ্টা বাজালে নাকি করোনা কমবে। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র সম্পূর্ণ ব্যর্থ কেন্দ্র। শুধু ঔদ্ধত্য আর অহংকার দেখাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে ধ্বংস করা হচ্ছে। কেন্দ্রের কারণেই গোটা দেশে করোনা বাড়ছে।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *