প্রথম দফায় করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাবেন ভারতের ৩০ কোটি মানুষ

Mysepik Webdesk: চলতি বছরের শেষে কিংবা আগামী বছরের শুরুতেই আসতে চলেছে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন। এই মুহূর্তে বিশ্বের একাধিক দেশে করোনার ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের অর্থাৎ শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। পিছিয়ে নেই ভারতও। ইতিমধ্যেই প্রথম পর্যায়ে ভারতের ৩০ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বিশেষ করে যাঁদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, প্রথম সারির তালিকায় থাকবেন তাঁরাই। এদের মধ্যে রয়েছেন মূলত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মচারী, পুলিশ এবং বয়স্ক মানুষেরা। দু’বার করে মোট ৬০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ প্রথম পর্যায়ে এদেরকে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতে গ্যাস ডেলিভারির ক্ষেত্রে নিয়মের পরিবর্তন হতে চলেছে, আগেভাগে জেনে নিন

ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই যাঁরা তালিকায় প্রথমে রয়েছেন, তাদের মধ্যে ৫০ থেকে ৭০ লক্ষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, ২ কোটিরও বেশি পুলিশ, মিউনিসিপাল কর্মী, সশস্ত্র বাহিনী, ৫০ বছর বা তারও বেশি বয়সী প্রায় ২৬ কোটি মানুষ। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য এজেন্সির কাছ থেকে থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোভিড ভ্যাকসিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জাতীয় এক্সপার্ট গ্রুপ ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া ওপর খসড়া তৈরি করে ফেলেছেন। এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন নীতি আয়োগ -এর সদস্য ডা. ভি কে পল এবং স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।

আরও পড়ুন: ফের ভারতে শুরু হতে চলেছে রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন স্পুটনিকের ট্রায়াল

কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়ার যে খসড়া তৈরি করা হয়েছে, সেই খসড়া অনুযায়ী প্রথম দফার ৭০ লক্ষ হেলথকেয়ার কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার কর্মীরা। আরও রয়েছেন ১১ লক্ষ এমবিবিএস চিকিৎসক, ৮ লক্ষ আয়ুষ কর্মী, ১৫ লক্ষ নার্স, ৭ লক্ষ ANM এবং ১০ লক্ষ আশা কর্মী। জানা গিয়েছে, অক্টোবরের শেষে কিংবা নভেম্বরের শুরুতেই এই বেনিফিশিয়ারির চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হয়ে যাবে। নভেম্বরের শেষ অথবা ডিসেম্বরের শুরুর মধ্যে তৃতীয় দফার ট্রায়ালের রিপোর্ট হাতে এসে যাওয়ার পরেই ভ্যাকসিনের উৎপাদন ও প্রয়োগ শুরু হয়ে যাবে।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *