দুর্যোগের আবহে আগামীকাল ভোট ভবানীপুরে, চলছে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি

Mysepik Webdesk: টানা দু’দিন ধরে চলছে একনাগাড়ে বৃষ্টি। আর তার মধ্যেই আজ রাত পোহালে কাল ভবানীপুরে হাইভোল্টেজ উপনির্বাচন। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির পক্ষ থেকে দাঁড়িয়েছেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। এই পরিস্থিতিতে সবরকম প্রস্তুতি সেরে ফেলতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই দুর্যোগ আগামীকালও চলবে। ফলে, দুর্যোগের মধ্যে ভোট করানোর জন্য বেশ কয়েকদফা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন: খাস কলকাতার বুকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পুরনো বাড়ি

বৃষ্টির জলের হাত থেকে ইভিএম মেশিনগুলিকে নিরাপদ রাখতে সেগুলিকে পলিথিন ব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক ভোটকর্মীকে দেওয়া হচ্ছে রেনকোট, গামবুট। এছাড়াও ভোটকেন্দ্রগুলিতে যাতে ভোটারদের বৃষ্টিতে ভিজে লাইনে না দাঁড়াতে হয়, তার জন্য ভোটকেন্দ্রগুলিতে শেডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রগুলির আশেপাশে যেসব এলাকাগুলিতে জল জমে, সেই এলাকাগুলিকে আগেভাগেই চিহ্নিত করে সেখানে অস্থায়ী পাম্পিঙের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে, যাতে জল জমার আগেই পাম্পিং করে জল বের করে দেওয়া সম্ভব হয়। প্রতিটি বুথে ওয়েব-কাস্টিংয়ের বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই ব্যবস্থার ফলে সমস্ত বুথে কীভাবে ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন, কত শতাংশ ভোট হচ্ছে, সবটাই দিল্লিতে বসে নজরদারি চালাতে পারবে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন: ভবানীপুর উপনির্বাচনে কোনও বাধা নেই জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট

এছাড়াও ভোটকেন্দ্রগুলির কাছে মোতায়েন থাকছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সিভিল ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট দুটি বোটের ব্যবস্থা রাখছে। কোথাও তিন ফুটের বেশি জল জমে থাকলে ওই বোটগুলিকে কাজে লাগানো যাবে। এছাড়াও উদ্ধারকার্যের জন্য আলাদা করে থাকছে বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা। পাশাপাশি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর। ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে যাতে কোনও নিরাপত্তারক্ষীর হাতে বন্দুক বা আগ্নেয়াস্ত্র না থাকে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে লালবাজার। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রের দু’শো মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা লাগু করা হচ্ছে। ফলে, ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে পাঁচজনের বেশি একসঙ্গে জড়ো হতে পারবে না।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *