Latest News

Popular Posts

কাশ্মীরে বহাল তবিয়তে রয়েছে শিনা বোরা, হত্যাকাণ্ডের ৯ বছর পর চাঞ্চল্যকর দাবি ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের

কাশ্মীরে বহাল তবিয়তে রয়েছে শিনা বোরা, হত্যাকাণ্ডের ৯ বছর পর চাঞ্চল্যকর দাবি ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের

Mysepik Webdesk: ৯ বছর আগে ঘটে যাওয়া শিনা বোরা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনও চালিয়ে যাচ্ছে সিবিআই। এই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত মিডিয়া ব্যারন ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের বর্তমানে বিচার চলছে। কিন্তু যাকে হত্যার অভিযোগে জেলে রয়েছেন ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়, সেই শিনা বোরা নাকি এখনও বেঁচে রয়েছেন এবং তিনি নাকি বহাল তবিয়তে কাশ্মীরে বসবাস করছেন। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৯ বছর এমনটাই দাবি জানিয়ে সিবিআইকে চাঞ্চল্যকর চিঠি দিলেন ইন্দ্রাণী।

আরও পড়ুন: বর্ধমান-ডানকুনি-নিউ জলপাইগুড়ি থেকে পাওয়া যাবে পুরীর স্পেশাল ট্রেন

সিবিআইকে দেওয়া ওই চিঠিতে ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় লেখেন, সম্প্রতি তাঁর সঙ্গে জেলে এক মহিলার কথা হয়েছে। তখনই তিনি জানতে পেরেছেন, শিনা বোরা কাশ্মীরে রয়েছেন। সিবিআই-কে তিনি অনুরোধও করেছেন কাশ্মীর থেকে তাঁকে খুঁজে বার করার জন্য। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে নিজের মেয়ে শিনা বোরাকে খুন করার অপরাধে ২০১৫ সালে গ্রেফতার হন ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়। তখন থেকে রয়েছেন বাইকুল্লা জেলে। গত মাসে তাঁর আইনজীবী সানা খান বোম্বে হাইকোর্টে তাঁর জামিনের আর্জি জানালেও সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বড়োসড়ো সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, বাড়ছে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স

সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক শিনা বোরা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ২০১২ সালে নিজের মেয়ে শিনা বোরাকে হত্যা করেছেন, অভিযোগ ওঠে মিডিয়া ব্যারন ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের ওপর। আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তাঁর গাড়ির চালক শ্যামবীর রাই ধরা পরার পর তিনি জানান যে তিনিই খুনের প্রত্যক্ষদর্শী। ২০১৫ সালে হত্যাকান্ডটি প্রকাশ্যে আসলে গ্রেফতার হন ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়। মুম্বই পুলিস ও সিবিআই তদন্তে জানতে পারে, অসমের গুয়াহাটিতে মা-বাবার কাছে শিনা ও মিখাইল নামে দুই সন্তানকে ফেলে নামজাদা মিডিয়া কর্তা পিটার মুখার্জিকে বিয়ে করেন ইন্দ্রানী। ইন্দ্রাণীর বিয়ের একটি ছবি ম্যাগাজিনে দেখে চিনতে পারেন শিনা। মাকে খুঁজতে মুম্বই যান তিনি। কিন্তু স্বামী পিটার মুখার্জির কাছে মেয়ের পরিবর্তে শিনাকে বোন হিসেবে পরিচয় দেন ইন্দ্রাণী। ২০১২ সালের পর থেকে নিখোঁজ হয়ে যান শিনা।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *