করোনা আবহে কী মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব? জনগণের মতামত চাইল সরকার

বিশেষজ্ঞ কমিটি থেকে শুরু করে নেতা-মন্ত্রী, কেউই জনগণের উর্ধে নয়। জনগণের সিদ্ধান্তই শেষ কথা। আর সেই কারণেই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের বিষয়ে জনগণ কী ভাবছেন, সেটাই এবার জানতে চাইছে রাজ্য সরকার। অর্থাৎ জনগণের কাছেই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিতে চাইল সরকার। মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া উচিত কিনা, এই বিষয়ে শুধু পড়ুয়ারাই নয়, অভিভাবক, শিক্ষকরা কী চাইছেন, তাঁদের মতামত সরকারকে মেল করে জানাতে পারবেন তাঁরা। pbssm.spo@gmail.com, commissionerschooleducation@gmail.com, wbssed@gmail.কম এই ই-মেল আইডিগুলিতে সোমবার দুপুর দুটোর মধ্যে মেল করে জানানো যাবে।

আরও পড়ুন: তৃণমূলকে একসময় শক্তিশালী করেছিলাম এখন তার ফল পাচ্ছি, আক্ষেপ শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারীর

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে গত দু’দফার বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে বিশেষ প্রস্তাব রেখেছে রাজ্যের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, করোনা আবহে ছাত্র-ছাত্রীদের যদি পরীক্ষা হলে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়, সেক্ষেত্রে তা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবেই বিবেচিত হবে। ফলে, রাজ্যের ১০ হাজার মাধ্যমিক ও ৭ হাজার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের পরীক্ষা নয়, পরিবর্তে ছাত্রছাত্রীরা বাড়ি থেকে বসেই যাতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা করা হোক। শিক্ষা সংসদের সভাপতি মহুয়া দাসের কথায়, যেখানে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলি অনলাইনে বাড়ি বসে দেওয়া যাচ্ছে, সেখানে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নয় কেন?

আরও পড়ুন: শুধু বুথের বাইরেই নয়, ভেতরেও চলেছিল গুলি! শীতলকুচির তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিটের

কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হবে। তারপরেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সিবিএসই বোর্ডের দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এর ফলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করার আগেই তা স্থগিত রাখার চিন্তাভাবনা করা হয়। বর্তমানে করোনা অতিমারীর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশ বা বিশ্বজুড়ে যে টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের একটা বড় অংশই ১৮ বছরের কম বয়সি। এর ফলে অদূর ভবিষ্যতে তাদের টিকা পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। এই সব পরিস্থিতি যাচাই করে রাজ্য সরকারের স্কুলশিক্ষা দপ্তরের নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি আপাতত ক্যাম্পাসে সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণে আপত্তি জানিয়েছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *