Latest News

Popular Posts

শীতকালে স্নান করার সময় এই ভুলগুলি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো

শীতকালে স্নান করার সময় এই ভুলগুলি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো

Mysepik Webdesk: আমাদের মধ্যে অনেকেরই অভ্যাস আছে শীতকালে স্নান করার সময় কোনও রকমে ঠান্ডা জল গায়ে ঢেলে গা মুছে বাথরুম থেকে বেরিয়ে আসা। অনেকেই আবার রোজ জল গরম করে সেই জলে স্নান করেন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রোজ খুব বেশি ঠান্ডা জলে বা রোজ গরম জলে প্রতিদিন স্নান করলে তা ত্বকের পক্ষ ক্ষতিকারক হতে পারে। তবে, রোজই সাবান মেখে স্নান করাই হল বুদ্ধিমানের কাজ। আবার প্রতিদিন স্নান করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তৈলাক্ত ভাব কমে যায় এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এক্ষেত্রে শীতকালে স্নান করার সময় বেশকিছু নিয়ম মেনেই স্নান করা উচিত। এতে ত্বক ভালো থাকে ও শরীর ক্ষতিকারক জীবাণুর কবল থেকে মুক্ত থাকে।

আরও পড়ুন: দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুমাচ্ছেন তো? না ঘুমালে কিন্তু বিপদ!

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শীতকালে রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। ফলে, চুল উঠে যাওয়ার সমস্যা, মাথায় খুশকি, ত্বক শুকিয়ে যাওয়ার মতো একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে সুস্থ থাকতে রোজ স্নান করা উচিত। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই স্নান করার সময় আমরা বেশ কিছু ভুল করে থাকি। একটু কষ্ট করে শীতকালে স্নান করার সময় সেই বিষয়গুলিকে মাথায় রাখলে শরীরও ভালো থাকে। এছাড়াও শীতে একটু বেশিই খাওয়া দাওয়া হয়। ফলে, নিয়মিত স্নান না করলেই পেট গরম হয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা দেখা যায়। আসুন দেখে নেওয়া যাক শীতকালে স্নান করার সময় কোন কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: সাধারণ ঠান্ডা লাগা না ওমিক্রন, কিভাবে বুঝবেন?

১) সাবানের ব্যবহার: শীতকালে রোজ উষ্ণ জলে স্নান করুন। তবে, রোজ সাবান অবশ্যই মাখবেন। সাবান পছন্দ করার সময় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, সেটি যেন অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান হয়। সবসময় কঠোর এবং সুগন্ধযুক্ত সাবান ব্যবহার ব্যবহার না করলেই ভালো। স্নানের পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।

২) তোয়ালের ব্যবহার: স্নানের পর গা মোছার জন্য আমরা মূলত তোয়ালে বা গামছা ব্যবহার করি। এক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে গামছা বা তোয়ালেটা যেন নরম ও মসৃন হয়। খসখসে তুলে বা গামছা দিয়ে গা মুছলে ত্বকের ক্ষতি হয়। এছাড়াও প্রতিদিন স্নান করার পর তোয়ালে বা গামছাটি ভালো করে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। নোংরা তোয়ালে থেকে শরীরে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে।

৩) ঠান্ডা না গরম জল: খুব বেশি ঠান্ডা বা খুব বেশি গরম জলে রোজ স্নান না করে ভালো। জল খুব বেশি ঠান্ডা হলে ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। সর্দি-কাশি লেগে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। অন্যদিকে খুব বেশি গরম জলে স্নান করলে শরীরের তৈলাক্তভাব নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শীতকালে রোজ উষ্ণ জলে স্নান করার বাঞ্ছনীয়।

আরও পড়ুন: মোটেই সুবিধের নয় কাপড়ের মাস্ক! সাবধান করছেন চিকিৎসকরা

৪) বাথরুমের ফ্যান: স্নান করার সময় বাথরুমের ফ্যান চালিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু, স্নান হয়ে গেলে গা মোছার সময় অবশ্যই ফ্যান বন্ধ করে দিন। ফ্যান চালু থাকলে দ্রুত শরীর থেকে জল বাষ্পীভূত হয়ে যায়, ফলে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে।

৫) ময়েশ্চারাইজার ক্রিমের ব্যবহার: স্নান করার পর শুকনো করে গা মুছে তবেই ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগান। লক্ষ রাখতে হবে, যাতে শরীরে কোনও অংশই না বাদ যায়। ত্বক কোনও ভাবেই খসখসে রাখা যাবে না। ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শোষণ করে ত্বকের জলীয়ভাব বজায় রাখবে।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *