যদুনাথ সরকার: ইতিহাস চর্চার কলম্বাস

অর্কপ্রভ সেনগুপ্ত

ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার একদা বলেছিলেন স্যার যদুনাথ সরকারের ‘‘সত্য প্রিয়ই হউক, আর অপ্রিয়ই হউক, সাধারণের গৃহীত হউক আর প্রচলিত মতের বিরোধী হউক, তাহা ভাবিব না। আমার স্বদেশগৌরবকে আঘাত করুক আর না করুক, তাহাতে ভ্রূক্ষেপ করিব না। সত্য প্রচার করিবার জন্য, সমাজের বা বন্ধুবর্গের মধ্যে উপহাস ও গঞ্জনা সহিতে হয়, সহিব। কিন্তু তবুও সত্যকে খুঁজিব, গ্রহণ করিব। ইহাই ঐতিহাসিকের প্রতিজ্ঞা।’’ এই অমর উক্তি তাঁর ইতিহাস চর্চার মূলমন্ত্র। ‘সত্য’ সত্যিই ছিল যদুনাথ সরকারের ইতিহাস চর্চার অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ঐতিহাসিক অমলেশ ত্রিপাঠী বলেছিলেন, ‘‘…যার মধ্যে বিষয়বস্তু ও আঙ্গিকের পূর্ণ সঙ্গতি বিদ্যমান সেই ইতিহাস শ্রেষ্ঠ ও চিরজীবী।” ঠিক এই ধরনের ইতিহাস রচনাকেই স্যার যদুনাথ তাঁর ধ্রুবতারা করেছেন আজীবন।

আরও পড়ুন: জন্মদিনে রমেশচন্দ্র মজুমদার: দেবী ক্লিওর বরপুত্র

যদুনাথ সরকারের জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায়, ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দের ১০ ডিসেম্বর। তাঁর পিতা রাজকুমার সরকার ছিলেন স্থানীয় জমিদার। তিনি ধর্মভীরু হলেও তাঁর মনন বাংলা নবজাগরণের আলোয় আলোকিত ছিল এবং তাঁর কাছ থেকেই যদুনাথ তাঁর ইতিহাস প্রীতি লাভ করেন। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল রাজশাহীতে। এরপরে প্রেসিডেন্সি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বিএ এবং এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ইতিহাসের পাশাপাশি ইংরেজিরও মেধাবী ছাত্র ছিলেন। প্রাথমিকভাবে তিনি তাঁর কর্মজীবনও শুরু করেছিলেন রিপন কলেজের ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে। তাঁর সুখপাঠ্য ভাষায় ইতিহাস রচনার রহস্য এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে স্যার যদুনাথ সরকার প্রভেনশিয়াল ও ইন্ডিয়ান এডুকেশন সার্ভিসের সদস্য থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য— অনেক পদই অলংকৃত করেছেন। ১৯০১ সালে ‘India of Aurangazib, its Topography, Statistics and Roads’ রচনা করে তিনি পিআরএস বা প্রেমচাঁদ-রায়চাঁদ স্কলারশিপ লাভ করেন। তখন থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি নিরন্তর ইতিহাস চর্চা করে গেছেন। র‍্যাংকে যেমন জার্মান জাতির ইতিহাস লিখেছিলেন, গিবন যেমন রোমান সাম্রাজ্যের পতনের ইতিহাস লিখেছিলেন, স্যার যদুনাথ বেছে নিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাসকে।

আরও পড়ুন: ৭৭ বছর পরেও আলোচনার বৃত্তে নেই রানি অফ ঝাঁসি ব্রিগেড

এর আগে মুঘল ইতিহাস রচনায় শুধু দরবারি ইতিহাসেরই সাহায্য নেওয়া হত। কিন্তু যদুনাথ তার পাশাপাশি কোর্ট বুলেটিন, চিঠিপত্র, বিদেশি কোম্পানিগুলির কাগজ, প্রাদেশিক ও বেসরকারি ইতিহাস (যেমন কাফি খানের ইতিহাস) বা ইম্পেরিয়াল গেজেটিয়ার এগুলির ব্যবহার শুরু করেন। এই দিক থেকে তাঁকে ভারতের র‍্যাংকে বলা যায়। র‍্যাংকের মতোই তিনি দলিলের সাগরে ডুব দিয়েছেন এবং সেখান থেকে তুলে নিয়ে এসেছেন মণি-মাণিক্য ও গুপ্তধনের সম্ভার। কিন্তু একইসঙ্গে র‍্যাংকের ইতিহাসের মতো, স্যার যদুনাথের ইতিহাস নিছক শুষ্ক তথ্যের সংগ্রহ নয়। তাঁর magnum-opus ১৯১২ থেকে ১৯২৪-এর মধ্যে রচিত ‘History of Aurangzib’-এ আমরা পাঁচ খণ্ডে যে রচনা পাই, তা স্যার যদুনাথের ভাষাতেই পাঁচ অঙ্কে বর্ণিত একটি ট্র্যাজিক আখ্যান। একে মহাকাব্যের সঙ্গেও তুলনা করা চলে। আওরঙ্গজেবের জন্ম, শিক্ষালাভ, প্রাদেশিক শাসনকর্তা হিসেবে তাঁর কৃতিত্ব, উত্তরাধিকারের যুদ্ধ, রাজপুত যুদ্ধ, ধর্মের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক, পূর্ব ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তার, বিজাপুর-গোলকুন্ডা দখল, শিবাজির সঙ্গে সংঘাত থেকে ১৭০৭ সালে আহম্মদনগরে তাঁর মৃত্যু— সবেরই তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্যভিত্তিক আলোচনা করেছেন। স্যার যদুনাথের একটি প্রবণতা ছিল ঘটনা এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক ইতিহাস রচনার দিকে। এই প্রবণতা আমরা দেখতে পাই তাঁর ১৯১৩ সালে রচিত ‘Chaitanya’s pilgrimages and teachings’, ১৯১৯-এ রচিত ‘Shivaji and his Times’, ১৯২২-এ রচিত ‘Nadir Shah in India’, ১৯৪০-এ রচিত ‘The House of Shivaji’ এবং চার খণ্ডে সমাপ্ত তাঁর আর এক মহাগ্রন্থ ‘The Fall of Mughal Empire’-এ। এই ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা কেন্দ্রীয় ঘটনাকেন্দ্রিক ইতিহাস রচনার প্রবণতার কারণেই অনেক সময় অর্থনৈতিক বা  সামাজিক ইতিহাসের ব্যখ্যায় স্যার যদুনাথের কিছু খামতি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু এই খামতি থাকা সত্ত্বেও ‘Studies in Mughal India’, ‘Studies in Aurangzib’s reign’, ‘Mughal Administration’ প্রভৃতি গ্রন্থে ভূমি রাজস্ব বা প্রাদেশিক শাসন কাঠামোর মতো বিষয়েও তিনি যথেষ্ট  আলোকপাত করেছেন। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিতে লিখেছেন ‘Economics of British India’। সুতরাং অর্থনৈতিক ইতিহাস নিয়ে তিনি একেবারেই উদাসীন ছিলেন, এ-সম্পূর্ণ সত্য নয়। যাই হোক, পূর্ব উল্লেখিত গ্রন্থগুলির মধ্যে ‘Fall of Mughal Empire’ পৃথক আলোচনার দাবি রাখে। এটি স্যার যদুনাথ সরকারের দ্বিতীয় magnum-opus।

আরও পড়ুন: অনন্য মানুষ: অনন্য জীবন

উইলিয়াম আরভিনের ‘Later Mughals’— যেটা স্যার যদুনাথই সম্পাদনা করেছিলেন, তা শেষ হয়েছিল নাদির শাহের ভারত আক্রমণের মধ্য দিয়ে। যদুনাথ চার খণ্ডে রচিত এই বইটিতে ১৭৩৯ সালে যেখানে নাদির শাহের ভারত আক্রমণের যে স্থানে আরভিন শেষ করেছিলেন, সেখান থেকে শুরু করে ১৮০৩ খ্রিস্টাব্দে লর্ড লেকের দিল্লি জয় অবধি পরবর্তী মুঘলদের আখ্যান রচনা করেন। মুঘল রাজ দরবারে দলাদলি, বাংলা ও বিহারে মারাঠা আক্রমণ, মারাঠা-আফগান দ্বন্দ্ব, পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ, শাহ আলমের উত্থান ও পতন, সিন্ধিয়ার উত্থান— সবই তিনি খুঁটিনাটি সহযোগে বর্ণনা ও ব্যাখ্যা করেছেন। এই গ্রন্থে শুধু মুঘল সাম্রাজ্যের পতনই নয়, একইসঙ্গে মারাঠা সাম্রাজ্যের পতন ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের উত্থানের কাহিনীও বর্ণিত হয়েছে। এই কাজ গিবনের ‘The History of the Decline and Fall of the Roman Empire’-এর থেকে কোনও অংশে কম ছিল না। স্যার যদুনাথ সরকার শেষ বয়স অবধি ইতিহাস লেখা থামাননি। তাঁর শেষ বয়সের আর একটি উল্লেখযোগ্য রচনা হল— ‘Millitary History of India’। ভারতবর্ষের বিভিন্ন ঐতিহাসিক যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগলিক পরিবেশ থেকে সৈন্যসামন্তের বর্ণনা, সামরিক কৌশল থেকে সেনাপতিদের নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য বিচার— সবকিছুতেই এই গ্রন্থটি ছিল ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অবরোধ যুদ্ধের আলোচনায় স্যার যদুনাথের আলোচনা পৃথকভাবে উল্লেখের দাবি রাখে। তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুর্গগুলিতে নিজে ভ্রমণ করে তার আশপাশের ভূপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করতেন এই বিষয়ে লেখার জন্য। এতে মারাঠা রণনীতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে হস্তিবাহিনীর প্রয়োগ নিয়েও যদুনাথ বিশেষ আলোচনা করেছেন। এই গ্রন্থ প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর পর, ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে।

আরও পড়ুন: যতীন দাস এবং ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯২৯

তথ্যনিষ্ঠতা স্যার যদুনাথ সরকারের ইতিহাস চর্চার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি প্রায় সাত-আট ভাষায় রচিত উপাদান থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু উপাদান আছে বলেই তাকে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করেননি। আগে যাচাই করেছেন সমালোচনামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে তা আদৌ সত্য কিনা। অনেক রাজস্থানি বা মারাঠি লোকগাথা— যা ইতিহাস বলে চালানোর প্রচেষ্টা হয়, তাকে যদুনাথ অনেকক্ষেত্রেই একেবারেই গুরুত্ব দেননি। বরং আফিম সেবন করে লেখা হয়েছে বলে বিদ্রূপ করেছেন। কোর্ট-ক্রনিকল বা আত্মজীবনীকেও তিনি আপাত-মূল্যে গ্রহণ করেননি। লেখকের চারত্রিক বৈশিষ্ট্যকে বা তাঁর ইতিহাসকেও এইসব উপাদানের সত্যতা বিচারের সময় মাথায় রেখেছেন। তথ্যনিষ্ঠতার পাশাপাশি যদুনাথ সরকারের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হল তাঁর সাহিত্যিক গুণ। ধুলোর মতো নিরস ইতিহাস তিনি পছন্দ করতেন না। তিনি মনে করতেন, ইতিহাস রচনা করতে হলে সেই ইতিহাস সাহিত্যিক গুণসম্পন্নও হতে হবে। তাঁর লেখাই এই মনোভাবের সর্বদা প্রতিফলন দেখা যায়।  

আরও পড়ুন: ‘বেহালা জনপদের ইতিহাস’ গড়ার কারিগর: প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

স্যার যদুনাথ সরকার কিন্তু সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিলেন না। তাঁর সম্পর্কে প্রধান তিনটি সমালোচনা শোনা যায়। প্রথমত, অভিযোগ করা হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্য সম্পর্কে অনেক স্থানেই তিনি অতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছেন। এই অভিযোগ সত্যি। কিন্তু এর সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে এই দৃষ্টিভঙ্গিকে বর্তমানের দৃষ্টিতে দেখলে তাঁর প্রতি অবিচার করা হবে। তিনি নিজে ভিক্টোরিয়ান যুগের শিক্ষায় শিক্ষিত। এই মনোভাব রাখা তাঁর পক্ষে স্বাভাবিক ছিল। দ্বিতীয়ত, ‘সাম্প্রদায়িক’ হিসবেও তাঁর সমালোচনা করা হয় অনেকক্ষেত্রে। বিশেষ করে আওরঙ্গজেব প্রসঙ্গে তাঁর মূল্যায়ন নিয়ে বলা হয়, তিনি সেখানে বাদশাহ আলমগীরের বহুমুখী চরিত্রের সঠিক মূল্যায়ন করেননি, একপেশেভাবে বাদশাহের শাসনকালকে দেখেছেন। এই কথাও সঠিক না। যদুনাথ বহু স্থানে আলমগীরের সমালোচনা করেছেন যেমন, আবার এও লিখেছেন— ‘‘এই শাসক বুদ্ধিতে, চরিত্রে উদ্যমে সে যুগের এশিয়ার শাসক-কুলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তিনি ছিলেন অসাধারণ পরিশ্রমী, নীতিবান, ন্যায়বান ও দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন।”

অপরদিকে শিবাজির যেমন তিনি প্রশংসা করেছেন, তেমনই শিবাজির স্থায়ী রাষ্ট্র বা শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার ব্যর্থতার কথাও লিখতে ছাড়েননি। মুঘল সেনার নৃশংসতার কথা যেমন লিখেছেন, তেমন মারাঠা বর্গি বাহিনীর নৃশংসতার কথাও লিখেছেন। তাঁকে তাই পক্ষপাতদুষ্ট বা সাম্প্রদায়িক বলা কঠিন। তৃতীয়ত, বলা হয় তিনি বড় বেশি ব্যক্তির উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারণ তিনি মুঘল অর্থনীতি বা সমাজের ফাটলের মধ্যে সন্ধান না করে করেছেন বাদশাহ আলমগীরের চরিত্রের মধ্যে। এই অভিযোগের সত্যতা আছে। কিন্তু প্রথম অভিযোগের মত, এখানেও মনে রাখতে হবে স্যার যদুনাথের সময়কালে যে ধারায় ইতিহাস রচিত হত, তাতে ইতিহাসে ব্যক্তির ভূমিকাকেই গুরুত্ব দেওয়া হত। আর ব্যক্তির উপর গুরুত্ব প্রদান একেবারে অবান্তর তাও নয়। অর্থনীতি বা সামাজিক অবস্থা মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের জন্য অনেকাংশেই দায়ী ছিল, এ-কথা সত্য। কিন্তু যেমন শুধু ব্যক্তিকেন্দ্রিক আলোচনার দ্বারা পতনের ব্যাখ্যা হয় না, তেমন ব্যক্তিকে বাদ দিয়েও হয় না। বাদশাহ আলমগীরের অনেক ব্যক্তিগত নীতিই মুঘল সাম্রাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ও সামাজিক সমস্যার জন্য দায়ী ছিল, এ-এক ঐতিহাসিক সত্য। এই নীতিগুলির উৎস সন্ধান করতে হলে ব্যক্তি আওরঙ্গজেবকে অনুধাবন করা প্রয়োজন আর সেই কাজটিই যদুনাথ সরকার করেছিলেন।

সামগ্রিকভাবে তাই আমরা বলতে পারি, কালের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও স্যার যদুনাথ সরকার নিঃসন্দেহে ছিলেন ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক। তিনি তথ্যনিষ্ঠতায় র‍্যাংকে আর ভাষা ব্যবহারে মেকলের সমকক্ষ। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস রচনার আধুনিক ধারার প্রথম পথ প্রদর্শক। অজানা নথি, দলিল-দস্তাবেজ থেকে অতীতের অজানা ভূখণ্ড আবিষ্কার করার এক কলম্বাস। গত ১০ ডিসেম্বরে দেড়শত বছর পূর্ণ করলেন তিনি। মহামারির পরিস্থিতিতে নিঃশব্দে বিনা ধুমধামে পালিত হল সেই দিন। এই পালন হয়তো তাঁর রুচিসম্মতই হত। আত্মপ্রচারের কোলাহল নয়, নিস্তব্ধ জ্ঞানচর্চাকেই তো তিনি আদর্শ মেনেছেন। তবে এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে ভারতের ইতিহাস চর্চার ধারা যতদিন বহমান থাকবে, তাঁর নাম ভাস্বর হয়ে থাকবে সেই চর্চার ইতিহাসের গাথাতে

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *