ধর্ম সমন্বয়

রামামৃত সিংহ মহাপাত্র

এই অঞ্চলে জৈনধর্ম প্রসারের কারণ হিসাবে ভাবা যেতে পারে, এখানে বসবাস করতেন অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষ। তাঁরা ছিলেন ব্রাহ্মণ্য শ্রেণি দ্বারা শোষিত। তাই জৈনধর্মের উদারতার প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে জৈনধর্ম গ্রহণ করেছিল এই সমস্ত অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষ।

জৈনধর্ম প্রসারের প্রমাণ হিসাবে এই অঞ্চল থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু জৈন তীর্থঙ্কর মূর্তি, তাদের শাসন যক্ষিণী, জৈন দেউল, চৌমুখা প্রমুখ। জৈনধর্ম অপসারিত হবার পর এই সমস্ত জৈন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলি গৃহীত হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বারা তাদের দেবদেবী হিসাবে। তবে এ কথা ভুললে চলবে না, জৈনধর্মের ইতিহাস যেহেতু দীর্ঘ তাই তার ক্ষয়ক্ষতি বিবাদের ঘটনাও প্রচুর। এই বিবাদ একাধারে যেমন ছিল নিজেদের ধর্মের সঙ্গে, তেমনি অন্য ধর্মের সঙ্গেও। এল ভাল্লিয়াপ্পা তাঁর ‘নদী কথা’ বইয়ে এই রকম একটি লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। শৈব ও জৈনরা শ্রেষ্ঠত্ব পাবার জন্য তামিলনাড়ুর বৈগাই নদীকে বেছে নিয়েছিল। প্রতিদল স্ব-স্ব ধর্মের বিশিষ্ঠ নীতি ও সূত্রগুলি তালপাতায় লিখে জলে ফেলে দিত। মনে করা হত যে, ধর্মটি শ্রেষ্ঠ তার নীতি লেখা তালপাতাটি স্রোতের উল্টো মুখে নদীর উজান বেয়ে চলে যাবে। এই লড়াইয়ের ফলশ্রুতিতে জৈনধর্মের অভ্যন্তরে গড়ে উঠেছিল অনেক বিভাগ ও উপবিভাগ। শেষপর্যন্ত দিগম্বর ও শ্বেতাম্বর এই দুই বিভাগ প্রাধান্য লাভ করে। রাঢ় তথা দক্ষিণ-পশ্চিম রাঢ়ের অন্তর্ভুক্ত এই অঞ্চলে প্রাপ্ত নগ্ন জৈনমূর্তি প্রমাণ করে এই অঞ্চলে দিগম্বর জৈনধর্ম বিস্তার লাভ করেছিল। প্রথম দিকে জৈনরা কোনও মূর্তিপূজা করতেন না। কারণ তাঁরা বিশ্বাস করতেন দেবতা নয়, মানুষই তাঁদের প্রধান উপাস্য। পরবর্তীকালে চব্বিশজন তীর্থংকরের মূর্তিপূজা তাঁরা শুরু করেছিলেন। ক্রমশ এই ধর্মের প্রভাব জনমানসে যত বেশি প্রভাব বিস্তার করেছে, ততবেশি মূর্তিপূজার দিকে ঝুঁকেছে জৈনধর্ম। চব্বিশজন তীর্থংকরের পাশাপাশি তাঁরা তৈরি করেছে তাদের যক্ষ-যক্ষিণী ও নিজস্ব দেবতামণ্ডলী। প্রথম দিকের জৈনমূর্তিগুলির সঙ্গে পরবর্তী কালের জৈনমূর্তিগুলির পার্থক্য লক্ষণীয়। প্রাচীন মূর্তিগুলিতে যক্ষ-যক্ষিণী, শাসনদেবী, লাঞ্ছনচিহ্ন, বৃক্ষ প্রভৃতি ছিল না। ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “অতি প্রাচীনকালের জৈনমূর্তি একখানি পাথরের পট্ট, ইহার উপরে কতকগুলি চিহ্ন আঁকা থাকতো। এর নাম আর্যপট্ট বা আয়োগপট্ট। পরবর্তীকালে জৈনরা তীর্থংকর ও মূর্তিপূজা শুরু করেছিলেন। ঐতিহাসিকদের অনুমান কুশান আমলে সর্বপ্রথম চব্বিশজন তীর্থংকরের মূর্তিনির্মাণের প্রথাগত শৈলী গড়ে উঠেছিল। জৈনধর্মের অবলুপ্তির পর ওই মূর্তিগুলি হিন্দুধর্ম দ্বারা গৃহীত হয় এবং তাদের দেবদেবীর রূপ পায়।” এইরূপ কয়েকটি দেবদেবী নিয়ে এখানে আলোচনা করা হল।

আরও পড়ুন: জেলার নাম বাঁকুড়া

দেবী অম্বিকা

দেবী অম্বিকা অম্বিকার বর্ণনা দিতে গিয়ে জৈন প্রতিষ্ঠা সার সংগ্রহ গ্রন্থে বলা হয়েছে “দ্বি-ভুজা সিংহমারূঢ়া আম্রাদেবী হরিৎ প্রিয়া।” অম্বিকা দ্বাবিংশতিতম জৈন তীর্থংক নেমিনাথের শাসন যক্ষিণী। দেবীর দেহ ভঙ্গিমায় স্নেহময়ী জননী রূপের প্রকাশ। দু’পাশে দুই পুত্র-শুভংকর ও প্রিয়ংকরের হাত ও মাথা স্পর্শ করে আছেন ত্রিভঙ্গ মূর্তিতে। পদতলে সিংহ। শীর্ষদেশে ধ্যানস্থ তীর্থংকর মূর্তি পদ্মাসনে আসীন। মাথার ওপর বৃত্তাকারে সফল আম্রশাখার আড়ালে দুদিকে দুই বিদ্যাধরী মূর্তি উড়ন্ত অবস্থায় আছে। দেবী সালঙ্কারা, গলায় রত্নহার, বাহুতে, মণিবন্ধে, কোমরে অলংকার, কানে কর্ণপাশা। দক্ষিণাধাঁচে বস্ত্রাবৃতা। কোমরের শাড়ি মেখলার মতো। দেবীর সবচেয়ে লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য, তাঁর স্তন যুগল, বিল্ব আকৃতি। বামক্রোড়ে অম্বিকার কনিষ্ঠ পুত্র প্রিয়ঙ্কর, ডানহাতে ধরে আছেন আম্রলুম্বী। কিছুদূরে দাঁড়িয়ে আছেন জ্যৈষ্ঠপুত্র শুভঙ্কর। এছাড়াও যক্ষ গোমেধ সহ অম্বিকার কিছু মূর্তি দেখতে পাওয়া যায়। মূর্তি দু’টির কোলে রয়েছে শিশপুত্র। প্রসঙ্গত বাঁকুড়া জেলায় প্রাপ্ত জৈন তীর্থংকর মূর্তিগুলির বহুলাংশে নেমিনাথের এবং তাঁর শাসন যক্ষিণী দেবী অম্বিকার। এই অঞ্চলে নেমিনাথ ও অম্বিকার জনপ্রিয়তার কারণ গবেষণা সাপেক্ষ। বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ এবং প্রাপ্ত জৈন দিগম্বর মূর্তি থেকে জানা যায় মহাবীর ও তাঁর পূর্ববর্তী তীর্থংকর পাশ্বর্নাথের পাদস্পর্শ ঘটেছিল এই অঞ্চলে। এই অঞ্চলে মহাবীর ও পাশ্বর্নাথের মূর্তির আধিক্য এই তথ্যকে প্রমাণ করে। অম্বিকার জনপ্রিয়তার কারণ হিসাবে মনে করা যেতে পারে হিন্দুদেবী দুর্গার অপর নাম অম্বিকা। এছাড়াও হিন্দুদের শিশুরক্ষাকারী দেবী ষষ্ঠীর সঙ্গে হাতে শিশু ধরে রাখা এবং সর্বশরীরে মাতৃত্বের চিহ্ণ বহনকারী দেবী অম্বিকার প্রচুর মিল আছে। তাই তাকে সহজেই নিজেদের দেবী বলে গ্রহণ করেছিলেন রাঢ়বঙ্গের তৎকালীন মূল অধিবাসী সমাজের অন্ত্যজ মানুষেরা, যাঁরা সর্বপ্রথম জৈনধর্ম গ্রহণ করেছিলেন সমাজের উচ্চবর্গীয়দের দ্বারা অত্যাচারিত হয়ে। অন্যদিকে, এই রাঢ়বঙ্গের অন্যতম প্রধান দেবী মনসার যে মূর্তি তৈরি হয় বা তাঁর বর্ণনা থেকে জানা যায় অস্তিক ও কস্তিক বলে তাঁর দুই শিশুপুত্র বর্তমান। যা দেবী অম্বিকার সঙ্গে মিল বহন করে। যদিও অনেক গবেষকের মতে, পাশ্বর্নাথের যক্ষিণী পদ্মাবতীর সঙ্গে দেবী মনসার যথেষ্ট মিল পাওয়া যায়। তাই দক্ষিণ বাঁকুড়ার অম্বিকানগর, কেচন্দা, সিমলাপাল, গোতড়া, কলামী প্রভৃতি জায়গায় দেবী আম্বিকার মূর্তির এত ছড়াছড়ি। মনে রাখতে হবে এই অঞ্চলের আদি বাসিন্দা ছিলেন সমাজের অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষেরা এবং তাঁরাই সর্বপ্রথম প্রভাবিত হয়েছিলেন জৈনদের দ্বারা। তাঁদেরই উপাস্য দেবী ষষ্ঠী ও মনসা। ফলে এই অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষদের কাছে টানার জন্যই জৈনধর্মের লোকেরা তাদের দেবদেবী ও সংস্কৃতিকে কাছে টেনে নিয়েছিল। তাই জৈনদের অম্বিকা মূর্তিতে অনার্য কৃষ্টির ছাপ বেশি।

আরও পড়ুন: বাঁকুড়ার লোকদেবতা লোকেশ্বর

দেবী মনসা

বাণেশ্বর বাঁকুড়ার একাধিক গ্রামে বাণেশ্বর শিব হিসাবে যে লিঙ্গটি পূজিত হয় সেটি প্রকৃতপক্ষে জৈন চৌমুখা। গবেষকদের মতে জৈন ধর্মাবলম্বী মানুষেরা পুণ্য অর্জনের জন্য জৈন তীর্থক্ষেত্রে এগুলি অর্পণ করতেন। জৈন চৌমুখাতৃ জৈন তীর্থঙ্করের মূর্তি থাকে।

পাল রাজাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ওড়িশার গঙ্গ বংশীয় রাজা অনন্তবর্মণ তাঁর রাজ্যের সীমানা আরম্যবাগ বা আরামবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন। তিনি নিজে ছিলেন জৈনধর্মাবলম্বী। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতাতেই দশম থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত এই অঞ্চলে জৈনধর্মের প্রচার ও প্রসার ঘটতে থাকে। তবে বাংলায় সেন রাজাদের রাজত্ব শুরু হলে পরিবর্তন ঘটে রাজনৈতিক পটভূমিকার। তাঁরা ছিলেন শৈব। স্বভাবতই শৈবধর্ম প্রসারে ব্রতী হয়েছিলেন তারা। সেই সময় বহু জৈন উপাসনার স্থান রাতারাতি শৈব উপাসনা স্থানে পরিণত হয়েছিল রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা লাভের আশায়।  জৈনচৌমুখাগুলি শিব হিসাবে পূজা পাবার এটি একটি কারণ বলে মনে করা যেতে পারে।

এইরূপ একটি শিবলিঙ্গ রয়েছে বাঁকুড়া জেলার সিমলাপাল থানার আঁকড় গ্রামে। এই শিব লিঙ্গটি সারাবছর জলের তলাতেই থাকে। চৈত্রমাসে গাজন উপলক্ষ্যে জল সিঞ্চন করে লিঙ্গটি বার করা হয়। এটি গভীর গর্তের মধ্যে অবস্থিত। জনশ্রুতি পূর্বে পার্শ্ববর্তী ঠান্ডা পাড়ায় অবস্থিত ছিল লিঙ্গটি। মাঝি ধর্মাবলম্বী ওই গ্রামের অধিবাসীদের মূল জীবিকা চিঁড়া কুটা (ঠেকির সাহায্যে ধান থেকে চিঁড়া তৈরি করা)। চিঁড়া কুটার শব্দে বিরক্ত হয়ে শিব শিলাবতীর স্রোত ধরে আঁকড় গ্রামের এই স্থানে এসে অবস্থান করেন এবং পুরোহিতকে স্বপ্ন দেন। পুরোহিত অব্রাহ্মণ, লোহার সম্প্রদায়ের। বর্তমান পুরোহিতের নাম মিহির লোহার। চৈত্র সংক্রান্তিতে গাজন অনুষ্ঠিত হয়। একদিনের মেলা বসে। তবে গাজনে ভক্তা হওয়া এবং ঢাক বাজানো সম্পূর্ণ রূপে নিষেধ।

শান্তিনাথ বাঁকুড়া জেলায় অনেক শিবের নাম শান্তিনাথ। প্রসঙ্গত, ষোলোতম জৈন তীর্থঙ্করের নাম শান্তিনাথ। শিবের বাহন ষাঁড়। অনুরূপে প্রথম জৈন তীর্থঙ্কর ঋষভনাথের  লাঞ্ছনচিহ্ন ষাঁড়। শিবথানে কোথাও বলির প্রচলন নেই। জৈনরাও অহিংসার পূজারি। এই শিবথানের পুরোহিত ব্রাহ্মণ হলেও এর মূল  উপাসক এলাকার অন্ত্যজ শ্রেণি।

দেউলভিড়্যা-সহ একাধিক গ্রামে অনেক জৈনমূর্তি খাঁদাসিনি নামে পূজিত হয়।

দেউলভিড়্যা গ্রামে রায় পরিবার কর্তৃক পূজিত খাঁদাসিনির যে থান আছে, সেখানে মাটির হাতিঘোড়ার মধ্যে পূজিত হয় কালো রঙের ক্লোরাইট পাথর নির্মিত একটি মূর্তি। পুরুষ মূর্তিটির একহাতে তলোয়ার,  অন্যহাত বুকের উপর স্থাপিত। মূর্তিটি সম্ভবত কালভৈরবের। শৈব সংস্কৃতির অংশ। এই মূর্তিটি আকারে নিকটবর্তী পার্শ্বনাথ মন্দিরে অবস্থিত কুলুঙ্গির অনুরূপ। প্রসঙ্গত, জৈনধর্ম দুর্বল হয়ে পড়লে এই অঞ্চলের বেশিরভাগ জৈন থান শৈবথানে রূপান্তরিত হয়। এর মূল কারণ ওড়িশা থেকে আগত পশুপত শৈব ধর্মের প্রাবল্য। যাদের প্রভাবেই এই অঞ্চলের বেশিরভাগ শৈব থানগুলি গড়ে উঠেছিল। পাশাপাশি সেন রাজত্বের উথ্থান। যাঁরা ধর্মের দিক থেকে ছিলেন শৈব। সুতরাং বলা অত্যুক্তি হবে না শৈবধর্মের প্রাবল্যের কারণেই পূর্বের পার্শ্বনাথ মন্দির শৈব ধর্মের পীঠস্থানে পরিণত হয়। যার প্রমাণ ওই মহাকাল মূর্তিটি।

তেইশতম জৈন তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথ। লাঞ্ছন চিহ্ন সাপ। পার্শ্বনাথের মূর্তি পাওয়া গেছে সিমলাপাল ব্লকের লায়েকপাড়া গ্রামে। এখানে এটি খাঁদারানি নামে পূজিত হন। তালডাংরা থানার হাড়মাসড়ায় যে পার্শ্বনাথ মূর্তিটি রয়েছে সেটি পূজিত হয় খাঁদাসিনি নামে। প্রসঙ্গত, খাঁদারানি বা খাঁদাসিনির পুজো জৈনদের প্রকৃতি পুজোর নামান্তর।

আরও পড়ুন: রাঢ়ের আর্যায়ণ প্রক্রিয়া

কাল ভৈরব

ভৈরব লক্ষ্মীসাগরের রঙ্কিণী তড়ায় রয়েছে একটি বৃহৎ মহাবীরের মূর্তি। এটি ভৈরব হিসাবে পূজা হয়। অন্য আর একটি মহাবীর মূর্তি থয়েছে হাড়মাসড়ার পাঁচঘরিয়া পাড়ার শিবমন্দিরে। অলকধারা গ্রামের মহাবীর মূর্তিটি বর্তমানে পূজিত হয় ভৈরব হিসাবে। হিন্দুধর্মে শিবের অন্যতম দ্বাররক্ষী ভৈরব। অন্ত্যজ শ্রেণির লোকেরা কৃষিদেবতা হিসাবে ভৈরবের পূজা করে। বর্তমান মূর্তির পুরোহিত গাঁড়্ররা গ্রাম নিবাসী সৎপথী পদবী ধারী ব্রাহ্মনেরা।

মণিভদ্র হিন্দুদেব গণেশ মণিভদ্র হিসাবে পূজিত হন জৈন সম্প্রদায়ের মধ্যে। তবে মূর্তির গঠনগত একটু পার্থক্য রয়েছে। মণিভদ্রের একটি মূর্তি উদ্ধার হয়েছে গাঁড়রার শান্তিনাথ শিব মন্দির সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে। মূর্তিটি পুকুর থেকে তোলার সময় মূর্তিটির বেশ কিছু অংশ ভেঙে যায়। সেটি সিমেন্ট দিয়ে সংস্কার করায় মূর্তিটির প্রকৃত রূপ নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে এটি হিন্দুদেব গণেশ হিসাবে পূজিত হয়।

বলা অত্যুক্তি না জৈন হিন্দু এবং অন্ত্যজ শ্রেণির ধর্ম সমান্তরালভাবে এই অঞ্চলে প্রসারিত হবার ফলে একটি সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *