দিল্লি স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত কর্ণম মালেশ্বরী

Mysepik Webdesk: ‘দ্য আয়রন লেডি’ নামে খ্যাত, ভারতের প্রথম মহিলা অলিম্পিক পদকপ্রাপ্ত কর্ণম মালেশ্বরী এক দুর্দান্ত এক সম্মান অর্জন করলেন। দিল্লি সরকার তাঁকে দিল্লি স্পোর্টস ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত করেছে। হরিয়ানার যমুনানগরের বাসিন্দা মালেশ্বরী সিডনি অলিম্পিক্স ২০০০ সালে ওয়েললিফ্টিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।

আরও পড়ুন: কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফলে শিলমোহর DCGI-এর

মালেশ্বরী প্রথম ভারতীয় মহিলা, যিনি অলিম্পিকে ওয়েট লিফটিংয়ে পদক জিতেছেন এবং এখনও পর্যন্ত তার রেকর্ড অক্ষত রয়েছে। ৪৬ বছর বয়সি এই ভারোত্তোলক ১৯৯৪ সালে অর্জুন পুরস্কার এবং ১৯৯৫ সালে রাজীব গান্ধি খেলরত্ন পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯৯ সালে তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কারও পেয়েছিলেন। মালেশ্বরী এখন এফসিআইতে চিফ জেনারেল ম্যানেজার হিসাবে কাজ করছেন। তিনি জগধরীর সেক্টর-১৮য় পরিবারের সঙ্গে থাকেন।

তিনি ২৫ বছর বয়সে ২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে সিডনি অলিম্পিকে স্নেচ ক্যাটাগরিতে ১১০ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড ২৪০ জার্কে ১৩০ কেজি ওজন তুলেছিলেন। এভাবেই তিনি অলিম্পিকে মেডেল (ব্রোঞ্জ) জিতে প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসাবে অলিম্পিকে নজির গড়েন। এই ঐতিহাসিক কৃতিত্বের কারণে তাঁর নাম রাখা হয়েছিল ‘দ্য আয়রন লেডি’।

আরও পড়ুন: দেশের তিন রাজ্যে মিলল করোনার ‘ডেল্টা প্লাস’ ভ্যারিয়্যান্ট, তৃতীয় ঢেউয়ের অশনিসংকেত?

কর্ণমের জন্ম অন্ধ্রপ্রদেশের একটি ছোট্ট গ্রাম ভয়েসনানপায়েতে। তিনি ১২ বছর বয়সেই খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। কোচ নিলমেশফতির অ্যাপনানার অধীনে প্রশিক্ষিতও হয়েছিলেন। তাঁর বাবা কর্ণম মনোহর ছিলেন একজন ফুটবল খেলোয়াড়। তাঁর চার বোনও ছিলেন ভারোত্তোলক ছিলেন। কর্ণম মলেশ্বরী খুব দুর্বল হওয়ায় তাঁকে ওজন তোলা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছিল। মায়ের উৎসাহই তাঁকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছিল।

১৯৯০ সালে কর্ণমের জীবনে বড় পরিবর্তন আসে। সেই সময় এশিয়ান গেমসের আগে একটি জাতীয় শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। এতে কর্ণম তাঁর বোনকে নিয়ে দর্শক হিসাবে গিয়েছিলেন। তবে তৎকালীন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিওনিড তারানঙ্কোর নজরে পড়েন মালেশ্বরী। তিনি তৎক্ষণাৎ কর্ণমের প্রতিভার স্বীকৃতি দেন।

আরও পড়ুন: ত্রিপুরার অন্তত ১৫ হাজার বিজেপি কর্মী তৃণমূলে যোগদানের অপেক্ষায়!

কর্ণম মালেশ্বরী ব্যাঙ্গালোরের স্পোর্টস ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছিল। এখান থেকে কর্ণাম তাঁর প্রতিভার বিচ্ছুরণ দেখাতে শুরু করেছিলেন এবং একই বছরে তাঁর প্রথম জুনিয়র জাতীয় ওয়েললিফ্টিং চ্যাম্পিয়নশিপে ৫২ কেজি বিভাগে ৯টি জাতীয় রেকর্ড ভাঙেন। এক বছর পরে, তিনি তাঁর প্রথম সিনিয়র জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ খেতাব জিতেছিলেন এবং অলিম্পিক পদক জিতেছিলেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *