লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম জমা নিলেন ‘স্বয়ং মা লক্ষ্মী’!

Laxmi

Mysepik Webdesk: সম্প্রতি রাজ্যে শুরু হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প দুয়ারে সরকার। যে প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নির্দিষ্ট দপ্তরে না গিয়েও তাঁদেরই পঞ্চায়েত এলাকায় পেয়ে যাবেন সরকারি বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর এবং সেখানেই অনায়াসে নিজের নিজের প্রয়োজনীয় কাজ যেমন স্বাস্থ্য সাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম জমা থেকে শুরু করে নানাবিধ কাজ মিটিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু আপনার লক্ষীর ভাণ্ডারের ফর্ম যদি জমা নেন স্বয়ং মা লক্ষ্মী? এবার নানুর ব্লকের কীর্নাহার দু-নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে দেখা গেল এমনই ছবি। আজ সকাল থেকেই নানুর ব্লকের কীর্নাহার দু-নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুয়ারে সরকার ক্যাম্প চলছিল মাধপুর কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। এলাকার মানুষজনও সেখানে এসে তাঁদের প্রয়োজনীয় কাজ সারছিলেন, এমন সময় দেখা গেল সাক্ষাৎ পুচকে মা লক্ষ্মীই এসে হাজির হয়েছেন সেই ক্যাম্পে, প্রদক্ষিণ করলেন গোটা ক্যাম্প, পা মেলালেন আদিবাসী নৃত্যের তালেও এবং শেষ বেলায় সটান ঢুকে গেলেন লক্ষীর ভাণ্ডারের কক্ষে। সেখানে গ্রামের মহিলাদের হাত থেকে নিজেই জমা নিতে শুরু করলেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম দেওয়া ও সংগ্রহকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে গুরুতর আহত ৬

কিন্তু হঠাৎ কেন এমন উদ্যোগ? এই প্রশ্নের উত্তর প্রসঙ্গে কীর্নাহার দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সচিব মহঃ আলাউদ্দিন হক জানান, যেহেতু প্রকল্পের নাম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, তাই সেই প্রকল্পের নামকে সার্থক করতে এবং সাধারন মানুষের মনে ধনাত্মক প্রভাব ফেলতেই এমন উদ্যোগ। অবশ্য কীর্নাহার দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের এমন উদ্যোগ যে সাধারন মানুষের মনেও প্রভাব ফেলেছে তা বলাই বাহুল্য। এই প্রসঙ্গে ওই ক্যাম্পে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম জমা দিতে আসা ওই গ্রামের বাসিন্দা তৃপ্তি ঘোষ জানান, এমন উদ্যোগ তারা এই প্রথম দেখলেন। তিনি নিজেও ওই মা লক্ষ্মীর হাতেই তাঁর ফর্ম জমা করলেন এবং মা লক্ষ্মীও তাকে আশ্বাস দিয়েছেন তাঁর কাজ হয়ে যাবে বলে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *