অযোধ্যার রাম মন্দিরে জমি দুর্নীতি! মোদিকে জবাবদিহি তৃণমূলের

Mysepik Webdesk: সামনেই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভার নির্বাচন। নিজেদের ক্ষমতা কায়েম রাখতে ইতিমধ্যেই আদাজল খেয়ে মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি। শনিবার উত্তরপ্রদেশের মন্দির নগরীর উন্নয়ন পরিকল্পনার পর্যালোচনা করার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়াল বৈঠকে দাবি করেন, অযোধ্যা ভারতবর্ষের সেরা ঐতিহ্য। ভারতের উন্নয়নমূলক পরিবর্তনের বার্তা বহন করে অযোধ্যার রাম মন্দির। তাঁর এই বক্তব্যের পরেই আসরে নেমেছে বিরোধীরা। ‘ভারতবর্ষের সেরা ঐতিহ্য’ দাবির পরিবর্তে রাম মন্দিরের জমি কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দল।

আরও পড়ুন: রবিবার মাঝরাতে পর পর দু’টি বিস্ফোরণের কেঁপে উঠল জম্মু বিমানবন্দর

টুইট করে নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “অযোধ্যা ভারতের উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্তা বহন করে। অযোধ্যার অত্যাধুনিক পরিকাঠামো তৈরিতে জনসাধারণের অংশগ্রহণ এবং আমাদের যুবশক্তির সহযোগিতা অযোধ্যা শহরকে প্রাচীন এবং আধুনিকতার প্রাণবন্ত মিশ্রণ হিসেবে গড়ে তুলেছে।” মোদির এই টুইটের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে পাল্টা একটি টুইট করা হয়। সেই টুইটে লেখা হয়, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কী বিজেপি নেতা ও তাঁদের আত্মীয়দের দ্বারা সংগঠিত হওয়া অযোধ্যার জমি দুর্নীতি প্রসঙ্গে দেশবাসীকে অবগত করবেন? ফের ভুল জায়গায় জোর দিচ্ছেন।”

আরও পড়ুন: ভারতের দৈনিক করোনা আক্রান্ত ৫০ হাজার পেরোল, নেপথ্যে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট?

প্রসঙ্গত, অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের আগে সেখানে জমি বেচাকেনা নিয়ে একাধিক দুর্নীতির খবর প্রকাশ্যে এসেছে। দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়িয়েছে অযোধ্যার মেয়র হৃষিকেশ উপাধ্যায়ের। অভিযোগ, ২০ লক্ষ টাকার জমি মাত্র তিন মাসের মধ্যে ২ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা দামে কিনেছে রাম জন্মভূমি তীর্থ ট্রাস্ট। জানা যায়, গত ১৮ মার্চ সন্ধে ৭.১০ মিনিটে ২ কোটি টাকা দিয়ে যে জমি কেনা হয়, সেই জমি মাত্র ১৫ মিনিট পরেই রাম মন্দির ট্রাস্টকে বিক্রি করা হয় সাড়ে ১৮ কোটি টাকায়। অর্থাৎ মাত্র ১৫ মিনিটে জমির দাম বেড়ে যায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা। কীভাবে জমির দাম এতো তাড়াতাড়ি বেড়ে যেতে পারে? সেই প্রশ্ন করেই সুর চড়িয়েছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ একাধিক রাজনৈতিক দল। এবার তৃণমূলও ওই একই প্রশ্ন করল প্রধানমন্ত্রীকে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *