সামাজিক দূরত্ব শিকেয়, কুম্ভমেলায় পুণ্যার্থীদের ভিড় দেখে হতবাক প্রশাসন

Mysepik Webdesk: করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফার ঢেউ আছড়ে পড়েছে ভারতে। ইতিমধ্যেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতের বেশ কয়েকটি শহরে শুরু হয়েছে নাইট কার্ফু। তবুও নিয়ন্ত্রণে আসছে না সংক্রমণের গতি। বেড়েই চলেছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশজুড়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১,৬৮,৯১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯০৪ জনের। আর এরই মধ্যে সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র দেখা গেল হরিদ্বারের কুম্ভমেলার। বেশিরভাগ মানুষের মুখে মাস্ক নেই। নেই কোনও সামাজিক দূরত্বের বালাই।

আরও পড়ুন: কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিনের এবার ভারতে অনুমোদন পেল রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুটনিক- ভি

গত ১ এপ্রিল থেকে হরিদ্বারে শুরু হয়েছে কুম্ভমেলা যা আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। যদিও এই বছর কুম্ভমেলার বেশ কিছু করোনাবিধি প্রয়োগ করা হয়েছে। মেলায় আগত পুণ্যার্থীদের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। অত্যাধিক জমায়েতের ওপর লাগাম দেওয়া হয়েছিল, তবুও মানুষের ভিড় সামলাতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ-প্রশাসনকে। সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে কমানো হয়েছে মেলার সময়সীমাও।

আরও পড়ুন: ব্যবহৃত মাস্ক দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিছানার তোষক! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

মেলার শুরু থেকেই সাধু-সন্ন্যাসীরা ভিড় জমিয়েছে মেলা প্রাঙ্গনে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের একটি দল গত মাসে সেখানে পরিদর্শন করে যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে, তাতে চক্ষু চড়কগাছ সবার। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে প্রতিদিন সেখানে অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পুণ্যার্থীদের বারংবার গঙ্গার ঘাটে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্নান করার কথা বলা হলেও তারা সেকথা কানে নিচ্ছেন না। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘন্টায় ঘন্টায় গঙ্গার ঘাট ও আখড়াগুলিতে জীবাণুনাশক প্রয়োগ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাখণ্ডে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৩৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *