ডিওয়াইএফআই-এর যুবনেতার মৃত্যুকে ঘিরে পুলিশ মর্গের সামনে বিক্ষোভ বামেদের

Mysepik Webdesk: নবান্ন অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন বাঁকুড়ার ডিওয়াইএফআই-এর যুবনেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দা। নবান্ন অভিযানের সময় পুলিশের আক্রমণের শিকার হন মইদুল। পুলিশের লাঠির আঘাতে তাঁর পেশির ওপর চাপ পড়ে এবং তার ইউরিন দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করে। কিডনিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাঁকে কলকাতার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি। ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। এদিন সকালে তাঁর জীবনাবসান হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাজুড়ে এক অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে পুলিশের দিকে।

আরও পড়ুন: মইদুল ইসলাম মিদ্দার মৃত্যু নিয়ে কী জানালেন ফিরহাদ হাকিম

Image result for nabanna obhijan CPIM

এদিন সকালে মইদুল ইসলামের মৃত্যুর পর তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। পুলিশ মর্গের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বাম কর্মী সমর্থকেরা। পুলিশ জানিয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মৃত যুবনেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দার ময়নাতদন্ত করা হবে ও গোটা প্রক্রিয়া ভিডিও রেকর্ডিংও করা হবে। বাম নেতার মৃত্যুতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। তাঁর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে তরতাজা যুবককে ‘খুন’ করা হয়েছে। অন্যদিকে বাম নেতা ও চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম দাবি করেছেন, ওই তারুণ্যের দেহের অনেক স্থানে গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। লাঠির আঘাতের জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: ৯০ পার করেও শান্তি নেই, আরও বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম

Image result for nabanna obhijan CPIM

এদিকে পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্যকে হারিয়ে দিশেহারা মইদুল ইসলাম মিদ্যার পরিবার। তাঁর বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও তিন ছেলে মেয়ে। সোমবার সকালে স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ভেঙে পড়ে বাঁকুড়ার কোতুলপুর গ্রাম। ঘনঘন মূর্ছা যাচ্ছেন মৃত মইদুল ইসলাম মিদ্যার স্ত্রী। খবর পেয়ে মইদুলের বাড়ি পৌছে গিয়েছেন আত্মীয়স্বজনরা। এসেছেন স্থানীয় সিপিআইএম নেতৃত্বও। সবাই এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীর শাস্তির দাবি করেছেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *