শ্রমিকের সামান্য ‘পান্তা ভাতে’ একটু লবণের ব্যবস্থার হোক

সাইদুর রহমান

মুর্শিদাবাদের প্রধান পরিচিতি ঐতিহাসিক পটভূমির উপর দাঁড়িয়ে আছে। এর জন্ম ও ধ্বংস― উভয়ের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে ইতিহাস। এক বিশেষ ঐতিহাসিক ক্ষণে মুর্শিদাবাদের জন্ম। ১৭০৪ সালে মুর্শিদকুলি খাঁ তাঁর রাজস্ব আদায় কেন্দ্র ঢাকা থেকে মুখসুদাবাদে সরিয়ে আনেন। তারপর ওই সময়েই মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের অনুমতিতে মুখসুদাবাদের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মুর্শিদাবাদ। ১৭০৭ সালে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর সম্রাট বাহাদুর শাহ মুর্শিদকুলি খাঁকে  অস্থায়ীভাবে মুর্শিদাবাদের নায়েব নাজিম পদে নিয়োগ করেন। ১৭১৬ সালে মুর্শিদকুলি খাঁ বাংলার সুবাদার ও নবাব হন। ১৭১৭ সাল থেকে মুর্শিদাবাদ হয়ে ওঠে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার রাজধানী। আঠারো শতকের প্রথম চতুর্থাংশ পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ বাংলা প্রদেশের রাজধানী ছিল। ১৭৭৩ সালে ব্রিটিশরা মুর্শিদাবাদ থেকে রাজধানী কলকাতায় স্থানান্তরিত করেন। বাংলার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আর পট পরিবর্তনের ধারায় এই রাজধানী মুর্শিদাবাদ ছিল যাবতীয় ইতিহাস রচনার কেন্দ্রস্থলে। এই মুর্শিদাবাদের জন্ম, বিকাশ ও ধ্বংস্তূপের উপর নতুন রাজধানী কলকাতার উত্থান আর ক্রমবিকাশের দ্বন্দ্বময় ইতিহাস দাঁড়িয়ে আছে।   

আরও পড়ুন: ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিত ও বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা

প্রথম থেকেই মুর্শিদাবাদ শিল্প ও সংস্কৃতির একটি বড় কেন্দ্র ছিল। মুঘল সম্রাটগণ একসময় মুর্শিদাবাদের শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। মুঘলদের সহায়তা আর বাংলার নবাবদের শিল্পানুরাগের ফলে মুর্শিদাবাদে একটি স্বতন্ত্র ঘরানার শিল্প শৈলী গড়ে উঠেছিল, যা শিল্পকলার ইতিহাসে ‘মুর্শিদাবাদ শৈলী’ নামে পরিচিত। মুর্শিদকুলি খাঁ চিত্রকলার বিশেষ অনুরাগী ছিলেন না। কিন্তু তিনি মুহররম আর খাজা খিজিরের উৎসব উপলক্ষে মুর্শিদাবাদকে সেই সময়েই নানারকম আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তুলতেন। নবাব সিরাজ-উজ-দৌলা ছিলেন শিল্পের বিশেষ অনুরাগী। তাঁর সময়েই মুর্শিদাবাদে শিল্পচর্চার চরম উন্নতি ঘটে। মিরজাফর বা মিরকাশিমের সময়েও এই ধারা চলতে থাকে। মুর্শিদাবাদের এই শিল্প-চিত্রকলাকে কেন্দ্র করেই একসময় ভারত ও ভারতের বাইরে, যেমন পারস্য, আফগানিস্তান, ইরান, ইংল্যান্ড, এমনকী ইতালি-স্পেন থেকে শিল্পীরা কাজ করতে মুর্শিদাবাদে আসতেন। সেইসময় গুজরাত, দিল্লি, লখনউ থেকেও শিল্পীরা এসেছেন এই মুর্শিদাবাদে কাজ করতে। এমনকী মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর মুঘল দরবারের শিল্পীগণ যখন তাঁদের কাজ হারিয়ে ফেলেন, তখন তাঁরা জীবিকার সন্ধানে মুর্শিদাবাদের দরবারে আশ্রয় গ্রহণ করেন। তাছাড়া মুর্শিদাবাদ সমগ্র বাংলা, বিহার ও ওড়িশার রাজধানী হওয়ায় একসময় এই সমস্ত অঞ্চল থেকে প্রচুর লোক আসতেন কাজের সন্ধানে। যে মুর্শিদাবাদে একসময় বাইরে থেকে এত লোক আসতেন কাজের সন্ধানে, আজ সেই মুর্শিদাবাদ থেকেই লোক যাচ্ছে বাইরে কাজ করতে। অনেকেই একে মুর্শিদাবাদের ঐতিহাসিক ট্রাজেডি বলে মনে করেন।

আরও পড়ুন: পোস্টমর্টেম: ২০২১ বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের অন্তর্স্বর 

আজ কেরলের ‘সর্বগ্রাসী বন্যা’ থেকে কাশ্মীরে জঙ্গিদের ‘শ্রমিক নিধন’, সাম্প্রতিক ‘দিল্লির জাতিহিংসা’ থেকে ‘করোনাভাইরাস আতঙ্ক’, লকডাউন পরবর্তী রাস্তায় লক্ষ শ্রমিকের ঘরে ফেরার মরণপণ পদযাত্রা― মুর্শিদাবাদের ‘পরিযায়ী শ্রমিক’রা বারবার উঠে এসেছেন সংবাদের শিরোনামে। কখনও তাঁদের মন্ত্রীর সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে তো কখনও তাঁদের ধরে ধরে ট্রেনে করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এই জেলায়। কিন্তু কেন মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের এই বহির্গমন! মুর্শিদাবাদের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যেই রয়েছে এর উত্তর। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ থেকে এত শ্রমিক বাইরের রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতেন না। কেরল তো দুরস্থান, পাশের রাজ্যগুলিতে যেতেও ভয় পেতেন। জেলায় যে কৃষিকাজ হত, তার সঙ্গেই তাঁরা যুক্ত থাকতেন। খুব বেশি হলে পাশের জেলা বর্ধমান বা নদিয়ায় কৃষিকাজের জন্য তাঁরা পাড়ি দিতেন। তাছাড়া এই জেলায় কয়েকবছর আগেও দু’টি কারখানা ছিল― বিশেষ করে কাশিমবাজারের পাটকল ও বেলডাঙার চিনি কল। এই দুই কারখানায় জেলার কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ করতেন। ফলে এই জেলার শ্রমিকদের খুব বেশি বাইরে যেতে হত না। এখানেই তাঁরা কোনও রকমে কাজের সংস্থান করে ফেলতেন।

আরও পড়ুন: এটাই পশ্চিমবাংলার ঐতিহ্য

মুর্শিদাবাদ জেলা প্রধানত কৃষিপ্রধান জেলা। কৃষিই হল এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান জীবিকা। একসময় বিশেষ করে স্বাধীনতার আগে পর্যন্ত এখানে উচ্চ ও মধ্যবিত্ত চাষির সংখ্যা ছিল বেশি। স্বাধীনতার পরে এই মধ্যবিত্ত শ্রেণির কিছুটা পালাবদল ঘটে এবং মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের অর্থনৈতিতে পালাবদল ঘটে। এর কারণ ছিল প্রধানত দু’টি। প্রথমত, মুর্শিদাবাদ জেলা প্রধানত মুসলিম প্রধান জেলা। দেশবিভাগের সময় উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মুসলিম সমাজের কিছু অংশ বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) চলে যায়। আবার এই সময়েই জমিদারি বিলোপ ও ভূমি সংস্কারের ফলে জেলার মানুষের নতুন করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক শ্রেণিবিন্যাস গড়ে ওঠে। দ্বিতীয়ত, এই জেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা হল জনসংখ্যা বৃদ্ধি। স্বাধীনতার পর থেকে এই শতকের শুরুর দিক পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে জমির মালিকানা ও অংশদারিত্ব  বৃদ্ধি পেতে থাকে। বৃদ্ধি পেতে থাকে প্রান্তিক চাষির সংখ্যাও। এই প্রান্তিক চাষির সংখ্যা যতই বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, ততই মানুষ বহির্মুখী হতে শুরু করে। 

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মুর্শিদাবাদের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে যে দু’টি ঘটনা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছিল, তার মধ্যে একটি হল ভূমিসংস্কার। অন্যটি হল সবুজ বিপ্লব। ভূমিসংস্কারের ফলে ভূমির কেন্দ্রীকরণ, বণ্টন ও উৎপাদন পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসল, কিন্তু তাতে বিপুল জনসংখ্যার যে চাপ, তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। তবে কৃষিতে সবুজ বিপ্লব আসার ফলে ব্যাপক হারে কৃষি-উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে থাকে। কিন্তু এই সবুজ বিপ্লব কিছুটা ধনী-চাষিদের সুবিধা ও বাড়বাড়ন্ত এনে দেওয়ায় অধিকতর গরিব ও প্রান্তিক চাষিদের সেভাবে লাভ হয়নি। এর ফলে গ্রামেগঞ্জে যেমন ব্যাপক হারে ক্ষেতমজুরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে, তেমনি বৃদ্ধি পেতে থাকে গ্রামীণ ভূমিহীন দরিদ্র শ্রেণির সংখ্যাও।

আরও পড়ুন: বাংলা নিজের মেয়েকেই চাইল, কিন্তু বাংলার মানুষও এখনও অনেক কিছু চায়

আরেকটি বিষয় যে, ধীরে ধীরে সময় বদলাল। কৃষিকাজের ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে উঠল নতুন প্রযুক্তি নির্ভর কর্পোরেট শিল্প বিপ্লব। পুরনো শিল্পকারখানাও তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারল না। ফলে একদিকে যেমন জেলার কৃষিব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ল, তেমনি শিল্প কারখানাগুলিও আর টিকে থাকতে পারল না। একে একে বন্ধ হয়ে গেল কাশিমবাজারের পাটকল, বেলডাঙার চিনিকল। ভেঙে পড়ল জেলার কৃষি নির্ভর অর্থনীতি। মোবাইল, ইন্টারনেট আর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে নতুন প্রজন্মের যুবকেরাও আর ঘরে বন্দি হয়ে থাকতে চাইল না। তারা ছড়িয়ে পড়তে চাইল কাজের খোঁজে, দেশ থেকে দেশান্তরে। তাই নব্বই দশকের শুরুতেই সোয়েটারহীন প্রায় খালি গায়ে প্রচণ্ড শীতের দেশ কাশ্মীরে আপেল বাগানে কাজ করতে পাড়ি দিয়েছিলেন যে বছর পনেরোর ফয়জুদ্দিন শেখ, ক্রমে তাঁর পিছু পিছু লাইনে এসে সার বাঁধলেন রুহুল শেখ, সাব্বি শেখ, বাখের আলি, রফিক শেখ, কামরুদ্দিন শেখ, মেহেবুব, বাসিরুলের মতো কয়েকশত আপেল শ্রমিক। বসির মিয়া আর আবু তাহেরের সঙ্গে দল বেঁধে রাজমিস্ত্রির কাজে কেরল পাড়ি দিলেন আজহারুদ্দিন, নাসির মোল্লা, গিয়াসুদ্দিন, স্বপন আর মিলনের দল। ক্রমে ক্রমে শত থেকে হাজার, হাজার থেকে লক্ষ শ্রমিক আজ মুর্শিদাবাদ জেলার বাইরে কাজ করছেন। নির্দিষ্টভাবে সরকারি তথ্য না থাকলেও মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিটি গ্রামের প্রায় দেড় থেকে দুই লক্ষ শ্রমিক কাশ্মীর সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় প্রতিটি রাজ্যে কাজ করছেন। ২০১৯-এর গত লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদের জেলাশাসক যে ১ লক্ষ ২০ হাজার শ্রমিককে ভোট দেবার জন্য অনুরোধ করে ডেকে পাঠিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় চল্লিশ হাজার শ্রমিকই ছিলেন ডোমকল এলাকার। মুর্শিদাবাদের এই পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছেন রাজমিস্ত্রি, জরি শিল্পী, সোনা-রুপোর গয়না শিল্পী আর বাড়ির ‘কাজের লোক’। বাড়িতে কাজ করার মধ্যে বেশি পরিমাণে আছেন মেয়েরা। ঘরে যে বড় অভাব। তাই সদা সন্ত্রাস আর জঙ্গিদের ছোড়া বারুদের ধোঁয়ার মধ্যেও তাঁদের স্বপ্নের নীড় খুঁজে পেতে হয়। সেই স্বপ্ন একটু ভাল থাকার স্বপ্ন, পাটকাটির টাটির এক চিলতে উঠোনে সামান্য ইটের প্রলেপ দেওয়ার স্বপ্ন, সদা চঞ্চল ছোট্ট বোনটির বড় বাড়িতে বিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন, আর সারা জীবন সংসার জীবনযুদ্ধে পরাজিত, হতাশাগ্রস্ত বাবা-মায়ের মুখে একচিলতে হাসি ফুটিয়ে তোলার স্বপ্ন।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্র ও আমরা

কিছুদিন আগে পর্যন্ত এই রাজ্য তথা এই জেলার শ্রমিকদের বাইরে অসুবিধায় পড়তে হত না। তাঁরা নির্ভয়ে, নির্ভাবনায় কাজ করে ঘরে ফিরতেন। এখন কিন্তু সেই পরিবেশ নেই। ক্রমাম্বয়ে গড়ে ওঠা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতিবিদ্বেষ, প্রাদেশিকতার উগ্র আস্ফালন সহ একাধিক কারণে আজকের এই জেলার শ্রমিকেরা বাইরের রাজ্যে আর ততটা সুরক্ষিত নন। তারপরেও রয়েছে মালিকের দুর্ব্যবহার, ঠিকাদারের চুক্তিমতো পারিশ্রমিক না দেওয়া, শ্রমিকের অসাহয়তার সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত কাজকরে নেওয়ার অমানবিক প্রবণতা। কখনও বা তাঁদের বাংলাদেশি বলে, কখনও বা বাঙালি বলে তাঁদের তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, পিটিয়ে মারা হচ্ছে, আবার কোথাও বা প্রাণ দিতে হচ্ছে জঙ্গিদের হাতে। কাশ্মীরে মুর্শিদাবাদের বাহালনগরের পাঁচ শ্রমিকের হত্যাকাণ্ড তার সাম্প্রতিক উদাহরণ। ফলে একটা সার্বিক হতাশা এই জেলার শ্রমিকদের ধীরে ধীরে গ্রাস করছে।

আরও পড়ুন: রোগ এবং রোগমুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন সত্যজিৎ

আধুনিক জনকল্যাণকামী রাষ্ট্রে নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের সমস্ত দায় ও দায়িত্ব রাষ্ট্রের উপর বর্তায়। নির্ধন, অর্ধভুক্ত সাধারণ মানুষ সমাজ তথা রাষ্ট্রের কাণ্ডারিদের কাছে তাঁদের বেঁচে থাকার নূন্যতম রসদ দাবি করেন। আমাদের দেশের কাণ্ডারিসকল জনগণের সেই দাবির কাছে মাথানত না করে দেশের জনগণকে ধর্মের ঘুমপাড়ানি গান শোনাতে ব্যস্ত। কিন্তু সেই ঘুমপাড়ানি গান আর কতদিন! পেটের জ্বালা যে বড় জ্বালা! সে যে ধর্মের গান শুনতে চায় না। সে চায় একটু পান্তা ভাত, একটু নুন। তাই, দেশজুড়ে আর ধর্মের ঘুমাপাড়ানি গান নয়, সময় এসেছে সত্যের মুখোমুখি হওয়ার। জনগণের যাবতীয় দায়িত্ব আজ সরকারকে নিতে হবে। জেলা সহ গোটা রাজ্যে কতজন শ্রমিক কোথায় কাজ করছে, তার পরিসংখ্যান সরকারকে রাখতে হবে। বিজ্ঞাপনী উন্নয়নের চোখ ধাঁধানো চমক নয়, সরকারি উন্নয়নের টাকা যাতে যাথার্থভাবে দেশের দরিদ্র সাধারণের জন্যই সঠিকভাবে খরচ হয়, তা সুনিশ্চিত করতে হবে সরকারকেই। দরিদ্র সাধারণ শ্রমিক শ্রেণির শুকনো পাতে মাছ ভাত না হোক, একটু লবণ, একটু ডাল ভাতের দায়িত্ব নিক সরকার।

ক্রমশ…

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *