Latest News

Popular Posts

সন্ধে ৭টার পর লোকাল ট্রেন বন্ধ-কাল থেকে বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: রাজ্যে জারি একাধিক করোনা বিধিনিষেধ

সন্ধে ৭টার পর লোকাল ট্রেন বন্ধ-কাল থেকে বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: রাজ্যে জারি একাধিক করোনা বিধিনিষেধ

Mysepik Webdesk: রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৫১২। তার মধ্যে শুধুমাত্র কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ২,৩৯৮। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে ফের করোনা বিধিনিষেধ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। জারি করা হল একাধিক করোনা বিধিনিষেধ। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে গতকাল নবান্নে একপ্রস্থ আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব।

আরও পড়ুন: বছরের প্রথম দিনেই রাজ্যে করোনা সংক্রমণ ৪,৫০০ -এরও বেশি

কী কী বিধি নিষেধ আরোপ করা হচ্ছে রাজ্যে

১) সন্ধে ৭টার পর লোকাল ট্রেন বন্ধ
২) সোমবার থেকে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
৩) ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রোরেল
৪) সরকারি ও বেসরকারি অফিসে সর্বাধিক ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করার নির্দেশ।
৫) সুইমিংপুল, জিম, বিউটিপার্লার, সেলুন বন্ধ থাকবে।
৬) বিয়ের অনুষ্ঠানে সর্বাধিক ৫০ জন উপস্থিত থাকতে পারবে।

আরও পড়ুন: ‘প্রেমের ফাঁদে’ ফেলে বাঘ ধরার নতুন কৌশল অবলম্বন গোসাবায়

৭) দূরপাল্লার ট্রেন চলবে।
৮) রেস্তরাঁ ও পানশালা ৫০ শতাংশ গ্রাহক নিয়ে খোলা থাকবে।
৯) ব্রিটেন থেকে আসা বিমানে সোমবার থেকে নিষেধাজ্ঞা।
১০) চিড়িয়াখানা-সহ সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।
১১) কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৫০ জন উপস্থিত থাকতে পারবেন।
১২) শপিংমলে ৫০ শতাংশ প্রবেশ করতে পারবেন।
১৩) মৃতদেহ নিয়ে যেতে পারবেন সর্বোচ্চ ২০ জন।
১৪) মুম্বই ও দিল্লি থেকে সপ্তাহে মাত্র দুটি ফ্লাইট চলবে, সোম ও শুক্রবার।
১৫) রাত ১০টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত কড়া বিধিনিষেধ জারি থাকবে।
১৬) মিটিং, কনফারেন্সে ৫০ শতাংশ উপস্থিতি।
১৭) মাস্ক না পরলে কড়া ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
১৮) নিয়মিত গণপরিবহণে স্যানিটাইজেশন বাধ্যতামূলক।
১৯) নিয়মিত বাজার স্যানিটাইজ করা হবে।
২০) ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পের কাজ একমাস পিছিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু।

ওমিক্রনের দাপট রুখতে আপাতত দু’সপ্তাহের কড়া কোভিডবিধি জারি করল রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: করোনাবিধি শিকেয় তুলে পর্যটকদের ভিড়ে জমজমাট দিঘার সৈকত

করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে ছাপিয়ে যেতে পারে তৃতীয় ঢেউ, এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। গোটা দেশ তথা রাজ্যজুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দৈনিক প্রায় ৩৫ থেকে ৩৬ হাজার মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন করোনায়। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী কার্যত স্বীকার করেছেন, রাজ্যে ইতিমধ্যেই ওমিক্রনের সংক্রমণ স্থানীয়ভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, তৃতীয় ঢেউয়ে পরিস্থিতি দ্বিতীয় ঢেউয়ের তুলনায় আরও খারাপ হবে। তবে, তিনি আশাবাদী যে, তৃতীয় ঢেউ মাস তিনেকের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। করোনার তৃতীয় ঢেউ কীভাবে সামলানো যেতে পারে, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার মোকাবিলায় গতকাল উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। জেলা স্তরে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিকাঠামো তৈরি করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালগুলোকে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *