মধ্যপ্রদেশ ভ্রমণ (নবম পর্ব) – জব্বলপুর

অঙ্কিতা

জবলপুর অথবা জব্বলপুর। অনেকে বলেন, জব্বল আরবি শব্দ, এর অর্থ পাথর। আবার অনেকে বলে, রামায়ণে আছে ভৃগুপুত্র ঋষি জাবালি নাকি এই স্থানে এসে নর্মদার তীরে তপস্যা করেন। সেই জাবালির নাম থেকে এই স্থানের নাম হয়েছিল জব্বলপুর। মধ্যপ্রদেশ ঘুরতে হলে জব্বলপুর বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। ধুঁয়াধার জলপ্রপাত আর মার্বেল রক এই অঞ্চলে। নর্মদা নদী আর শ্বেত পাহাড়ের সমন্বয়ে অপরূপ সুন্দর সে দৃশ্য। জব্বলপুরের নাম শিল্পশহর হিসাবে আমরা ছোটবেলায় ভূগোলে পড়েছি। হাওড়া থেকে জব্বলপুরের সঙ্গে দু’টো মাত্র ট্রেনের যোগাযোগ আছে। তার মধ্যে হাওড়া মুম্বই (ভায়া ইলাহাবাদ) ট্রেনটাই যা একটু ঠিকঠাক টাইমে আসে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্ত: গৌরচন্দ্রিকা

কানহা ছেড়ে জব্বলপুরের পথে

জব্বলপুর থেকেই ভিন্ন ভিন্ন দিকে কানহা, বান্ধবগড় আর অমরকণ্টক যাওয়া যায়। এ যাত্রায় সময়ের জন্য অমরকণ্টক আমাকে বাদ রাখতে হয়েছে। ইচ্ছা আছে ভবিষ্যতে কখনও বিলাসপুরের দিকে ঘুরতে গেলে অমরকণ্টকটাও দেখে নেব। নর্মদার উৎপত্তিস্থল অমরকণ্টক। জব্বলপুরে নর্মদাকে দেখলে দুরন্ত উচ্ছ্বল এক কিশোরী বলে মনে হয়। কিন্তু ওমকারেশ্বরের কাছে নর্মদা যেন পূর্ণ যুবতী, ভারে ধারে স্থির, রূপে ঢলো ঢলো।

কানহাতে গতকাল রাতে ভালোই ঠান্ডা পরেছিল। সকালবেলা বাগানের মধ্যে দিয়ে হেঁটে ব্রেকফাস্ট করতে গিয়ে খেয়াল করলাম খড়ের চালে বরফের কাঠি ঝুলছে, মাটিতে ঘাসের উপরে গুঁড়ো গুঁড়ো বরফ; তার মানে ভোরের দিকে তাপমাত্রা শূন্য ছুঁয়ে গেছে। পাঁচমারিতেও আমরা এত ঠান্ডা পাইনি। গতকাল আমরা যথেষ্ট বিশ্রাম নিয়েছি, আজ সকাল সকাল বেরোনোই উদ্দেশ্য ছিল আমাদের; কিন্তু সকালের ঠান্ডা ইত্যাদিতে লেপের তলায় একটু বেশিক্ষণই রয়ে গিয়েছিলাম। হোটেলে দিব্যি গরম জল পাওয়া যাচ্ছিল। জব্বলপুরের ভালো হোটেল বুক করিনি, তাই এখানেই ঘষেমেজে পরিষ্কার হয়ে নিলাম। তারপর ব্রেকফাস্ট করে বেরোতে বেরোতে প্রায় ন’টা বাজিয়ে ফেললাম।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্ত: ইন্দোর

মার্বেল রক ও নর্মদা বক্ষে নৌকাভ্রমণ

বাঘ না দেখতে পেলেও কানহার একটা আলাদাই মেজাজ আছে। মাত্র দু-রাত্তিরেই সেই মেজাজটা আমাকে পেয়ে বসেছিল। জঙ্গলের এক আলাদাই আমেজ। হয়তো বনে বনে ঘুরে বেড়ানোর দিনগুলো থেকেই আমাদের রক্তে মিশে গেছে সেই আবেগ। কানহা ছেড়ে যেতে রীতিমতো দুঃখ লাগছিল। হাইওয়েতে উঠে দুঃখ টুঃখ ঝেড়ে ফেললাম। সামনে আবারও সারাদিনের ঘোরাঘুরি। আমাদের প্ল্যান ছিল বেলা বারোটার মধ্যে জব্বলপুর হোটেলে পৌঁছে হোটেলে লাগেজ ইত্যাদি রেখে লাঞ্চ করে দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে ছুটব।

কিন্তু ওই যে অন্তরালে বসে কে যেন মুচকি হাসে। কানহা থেকে জব্বলপুর যাওয়ার তিনটে হাইওয়ে। একটা সরলরেখার মতো গেছে আর দু-পাশে দু’টো খানিক উপবৃত্তাকারে। গুগল বলছে সরলরেখায় না যেতে। সোজা সরল রাস্তা থাকতে কেন বাপু তিন সম্মুদ্দুর পেরিয়ে ঘুরে ঘুরে যাব? গুগুলের কাছে কোনও উত্তর নেই। আমরা সোজা রাস্তাটাই ধরলাম।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্ত: উজ্জয়িনী

ধুঁয়াধার জলপ্রপাত

প্রথম কুড়ি-পঁচিশ কিলোমিটার ভালোই চললাম, তারপরেই শুরু হল খেলা। সমস্ত হাইওয়ে জুড়ে কাজ চলছে। পরবর্তী পঞ্চাশ কিলোমিটার পার করতে প্রায় দু-ঘণ্টা লাগল। বাধ্য হলাম একটা সাইড রোড ধরে পাশের হাইওয়েটা ধরতে। আমাদের ড্রাইভার দাদাটা যথেষ্ট ভালো ছিলেন বলে বেলা তিনটে নাগাদ আমাদের জব্বলপুর পৌঁছে দিলেন। শহরে আর ঢোকা হল না, কোনও মতে রাস্তার ধারে একটা হোটেলে লাঞ্চ সারলাম। তারপর ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটলাম ধুঁয়াধার জলপ্রপাত দেখতে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্ত: মান্ডু

ধুঁয়াধার পাহাড় কেটে বয়ে চলা নর্মদা নদী

কিশোরী নর্মদা তার বিপুল অভিমান, রাগ, ক্ষোভ নিয়ে উঁচু পাহাড় থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ছে গভীর খাদে। পরক্ষণেই সেই রাগ ক্ষোভ বাষ্পাকারে উড়ে কান্না হয়ে ভিজিয়ে দিচ্ছে তাকে দেখতে আসা অতিথিবর্গকে। মানুষজনের স্তম্ভিতদশা দেখে নর্মদা খলখল করে হেসে বয়ে যাচ্ছে পশ্চিমে। প্রায় চারটে নাগাদ আমরা এসে দাঁড়ালাম ধুঁয়াধারের সামনে। সাধারণত শীতকালে ঝরনা জলপ্রপাতরা এতই শীর্ণ, ক্ষীণাঙ্গী হয়ে যায় যে তাঁদের দেখে মোটেও আশ মেটে না। এর আগে বেশ কয়েক জায়গায় ঘুরতে গিয়ে আমরা আশাহত হয়েছিলাম। সেখানে ধুঁয়াধার দেখে আমরা চমকে উঠলাম। শীতকালেই এই জলপ্রপাত যদি এমন বিশালাকায় হয় তাহলে বর্ষাকালে কী আকার ধারণ করে ধুঁয়াধার!

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্ত (৫) – মাহেশ্বর ওমকারেশ্বর

মর্মর পাথরের পাহাড়

পর্যটকের সংখ্যা কিছু কম ছিল না। জলপ্রপাতের খানিক ভিতর অবধি রেলিং দেওয়া শক্ত লোহার স্ট্রাকচার। তার উপরে দাঁড়িয়ে একদম সামনে থেকেই ধুঁয়াধার দেখা যায়। ভিড়ে ঠাসা। এত বেশি লোক যে মাঝেমাঝে রীতিমতো ভয় লাগছিল প্ল্যাটফর্ম ভেঙে নর্মদা-সমাধি না হয়ে যায়। ধুঁয়াধার প্রপাতে যাওয়ার রাস্তায় ছোট ছোট নরম মার্বেল পাথরের উপরে খোদাই করা নাম, মূর্তি ইত্যাদি কিনতে পাওয়া যায়। নাম লিখে দিলে মিনিট পনেরোর মধ্যেই পসরা সাজিয়ে বসে থাকা দোকানদারেরা তা লিখে দেন। আমরাও বেশ কয়েকটা শ্বেতশুভ্র সুভেনিওর কিনে নিলাম।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্ত (ষষ্ঠ পর্ব) – ভোপাল ভীমবেঠকা

নর্মদার বুকে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য তৈরি

ধুঁয়াধার দেখে ছুটলাম মার্বেল রক দেখতে। বিকেল হয়ে এসেছে। এরপরে আর ফোটো তোলা যাবে না। মনের মধ্যে একটা অস্বস্তি কাজ করছে। এত কাছে এসেও মার্বেল রক দেখা হবে না! ঘাটে পৌঁছে দেখলাম বারোয়ারি নৌকার টিকিট কাটার বিশাল লাইন। দু-মিনিট তর্ক চলল বারোয়ারি নৌকা নাকি নিজস্ব। অবশেষে নিজস্বী জয়ী হলেন। খানকতক নৌকাচালক আমাদের চারধারে ভিড় করেছিল তাঁদের মধ্যে থেকেই একজনকে বেছে ভেসে পড়লাম নদীর বুকে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্ত (৭) – পাঁচমারি

বিভিন্ন রঙের সমাহার

জব্বলপুরে দর্শনীয় স্থান অনেক হলেও প্রধান এই ধুঁয়াধার জলপ্রপাত আর মার্বেল রক। রূপে-সৌন্দর্যে তুই আগে না মুই আগে বলে দু’জনেই যেন প্রথম স্থানটি আঁকড়ে ধরে আছে। আমি কল্পনা করে নিতে পারি বর্ষাকালে ধুঁয়াধারের প্রতিদ্বন্দ্বী পাওয়া যেমন সম্ভব নয়, ঠিক তেমনি লক্ষ্মীপূর্ণিমার রাতে মার্বেল রকের পাহাড় অতুলনীয়। এখানে নর্মদা খানিক শান্ত স্থির। নরম চুনাপাথরের পাহাড় কেটে তাঁর খাতের গভীরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই জন্যই দাঁড়টানা নৌকার দল নির্বিঘ্নে বিচরণ করছে নদীর বুকে।

মার্বেল রকে এলে আর কিছু না হোক মার্বেল পাথরের রং সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা জন্মায়। দুধের মতো সাদা, দুধের থেকেও সাদা, হাতির দাঁতের মতো হালকা পীতাভ সাদা, কোথাও বা গোলাপি, কোথাও বা নীলচে, আবার হলদেটে, সবজেটে সব রকমের রংই নানা রঙ্গে খেলা করে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের গায়ে। মোটামুটি চওড়া নদীখাত, এদিক-ওদিক থেকে মাথা উঁচু করে রাখা ডুবোপাহাড় আর পাথর। নদীর মাঝখানে একদম ভারতের মানচিত্র আকৃতির একটা দ্বীপ আছে। এছাড়াও আছে এক পাহাড়ের গায়ে অদ্ভুত সব ফাটল আর গুহা। এরকম এক গুহার সামনে ছোট একটা পতাকা গোঁজা। মাঝি জানালেন, জাবালি মুনি ওইখানেই ধ্যান করতেন।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশ ভ্রমণ বৃত্তান্ত (অষ্টম পর্ব) – কানহা ন্যাশনাল পার্ক

পাহাড়ের গায়ে গুহার ফাটল

আমাদের ছোকরা মাঝি দিব্যি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাল আর ছড়া কাটল মার্বেল রকের বিশেষ বিশেষ পয়েন্টগুলো নিয়ে। এই ছড়াটা এখানকার প্রত্যেক মাঝিরই মুখস্থ থাকে। হাতির পা, ঘোড়ার নাল, রাজা বাদশাহের আংটি আরও কত কি ছিল সেই ছড়ায়। মার্বেল রকের শেষপ্রান্তে গেলে দেখা যায় দূরে ধুঁয়াধারের জলরাশি পাহাড় আড়াল থেকে বাষ্পাকারে ছিটকে আসছে, কলকল নর্মদা ছুটছে। সেখানে নদীর স্রোতও বেশ বেশি। নৌকা সামলানো মুশকিল। প্রকৃতির লীলায় নদী পাহাড়ের গা-ঘেঁষে একটা অদ্ভুত বাঁক নিয়েছে বলেই আজ মার্বেল রকের এত রূপ পর্যটকদের দেখা সম্ভব হচ্ছে। নয়তো প্রচণ্ডা নর্মদার আঘাতে সমস্ত নরম পাথর এমনিতেই ধুয়ে মুছে যেত।

আরও পড়ুন: যা দেখি, যা শুনি, যা লিখি

নৌকাভ্রমণের শেষ প্রান্ত

ঘাটে ফিরতে ফিরতে সূর্য ডুবে গেল। সাদা পাহাড়ের গায়ে এক অদ্ভুত লালচে আভা। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হল নর্মদার সন্ধ্যারতি। আমাদের আর জব্বলপুরের অন্যান্য স্থান দেখা হল না। গোটা একটা দিন না থাকলে সব কিছু ঘুরে দেখা সম্ভবও নয়। দেখা হল না প্রাচীন গোন্ডা রাজ্যের মদনমহল দুর্গ বা রানি দুর্গাবতীর দুর্গ, ওই দুর্গের পাশেই আছে ব্যালান্সিং রক— একটা বড় পাথরের মাথায় একটা ছোট পাথর, এ ছাড়াও রানি দুর্গাবতী মিউজিয়াম আর চৌষট্টি যোগিনীর মন্দির।

শেষোক্ত মন্দিরটি ভেড়াঘাটের কাছেই অবস্থিত, কিন্তু একটা পাহাড়ের উপরে। সেখানে উঠতে গেলে ১০৮টি সিঁড়ি ভাঙতে হবে। উপরে হরগৌরীর মন্দির আর তার চারিধার ঘিরে চৌষট্টি যোগিনীর মন্দির আছে। শুনেছিলাম এই মন্দিরগুলোতে চৌষট্টি যোগিনীর মূর্তি আছে, যা প্রায় খাজুরাহোর কারুকীর্তির সমান। খাজুরাহোর কাছে চৌষট্টি যোগিনীর যে প্রাচীন মন্দিরটি তাতে কোনও মূর্তি নেই। নর্মদা নদী তীরে এই মন্দিরটি খ্রিস্টীয় দশম শতকে কলচুরি রাজ্যের রাজা কেয়ূরবর্ষ প্রতিষ্ঠা করেন।

আরও পড়ুন: জেলার নাম বাঁকুড়া

মর্মর পাহাড়ে নর্মদা বক্ষে সূর্যাস্ত

মার্বেল রকের কাছে বড়োসড়ো বাজার বসেছে। পাথরের বিভিন্ন ধরনের সুভ্যেনির। বাজারে ঘোরাঘুরি করতে করতে প্রায় আটটা বেজে গেল। জব্বলপুর আমাদের এই দীর্ঘ ভ্রমণের মধ্যবিন্দু। এখান পর্যন্তই আমাদের গাড়ি ভাড়া নেওয়া। কাল গাড়ি ফিরে যাবে উজ্জ্বয়িনী। অবশ্য আমরাও ভোপাল ফিরব, কিন্তু গাড়িতে করে আর ফিরব না। আজ রাতেই আমাদের জব্বলপুর স্টেশন থেকে ট্রেনের টিকিট কাটা আছে ভোপাল যাওয়ার। আগামীকাল গাড়িতে করে ভোপাল ফিরতে গেলে শুধু যে চারশো কিলোমিটার গাড়ি জার্নি তাই নয়, গোটা দিনটাও নষ্ট। আগামীকাল যে আমাদের সাঁচি বিদিশা দেখার প্ল্যান আছে। সময় এবং স্থান সংখ্যার মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্যই এই ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন: পুরুলিয়ার তেলকুপিতে জলের নীচে ইতিহাস

একটা রেস্তরাঁয় ডিনার করে নিলাম। রাত্রি দশটা নাগাদ গাড়ি আমাদের স্টেশনে ছেড়ে দিল। ড্রাইভার দাদা একগাল হেসে প্রাপ্য টাকা নিয়ে চলে গেল। শীতের রাতে ফাঁকা স্টেশন চত্বরে ঘণ্টাদেড়েক হি-হি করে কাঁপলাম আমরা। এগারোটার পরে পরেই আমাদের নির্ধারিত জব্বলপুর-ইন্দোর এক্সপ্রেস স্টেশনে ঢুকতে আমরা ঝপাঝপ ট্রেনে উঠে বিছানাপত্র পেতে লম্বা হলাম। আগামীকাল আমরা আড়াই হাজার বছরের পুরনো ভারত দেখতে চলেছি। সেই স্বপ্নে বিভোর হয়ে ঘুম আসতে দেরি হল না।

আরও পড়ুন: জগদর্শন কা মেলা (পর্ব ১)

নর্মদা মায়ের সন্ধ্যারতি

পুনশ্চঃ এতদিন মধ্যপ্রদেশে ঘুরেছি, দেখেছি তার অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর জাগ্রত তীর্থক্ষেত্রগুলি। আগামী দিনগুলিতে ভ্রমণ করব মধ্যপ্রদেশের সুদীর্ঘ ইতিহাস সমৃদ্ধ ভূমিতে। মধ্যপ্রদেশ বৃত্তান্তের প্রথমার্ধ এইখানেই শেষ করলাম। দ্বিতীয়ার্ধে থাকবে সাঁচি-বিদিশা, খাজুরাহো, ঝাঁসি-ওরছা আর গোয়ালিয়র। দ্বিতীয়ার্ধ কিছুদিন পরে আসবে।

ক্রমশ…

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *