স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ঘোষণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Mysepik Webdesk: নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এবার নির্বাচনের পর সেই প্রতিশ্রুতি রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নবান্নে একটি সাংবাদিক বৈঠকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এদিন জানান, ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য ১৫ বছরের জন্য ঋণ পাবেন। তাছাড়া ওই কার্ডের মাধ্যমে তাঁরা ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এই প্রসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার ক্ষমতায় এলে আমরা এটা করব। সারা বিশ্বে এত বড় প্রকল্প এই প্রথম। কথা রাখাটাই আমাদের কথা। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা ঋণ নিতে পারবে। রাজ্য সরকার এই ঋণের গ্যারান্টার থাকবে।

আরও পড়ুন: বিজেপির মিটিংয়ে গরহাজির রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, জল্পনা বিজেপি ত্যাগের!

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পর ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চশিক্ষার জন্য এই ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করতে পারবেন। স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, গবেষণার জন্য ঋণ পাওয়া যাবে। সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে। এছাড়াও যারা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারাও এই কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাবেন। কোর্স ফি, টিউশন ফি, হোস্টেল ফি, কম্পিউটার- ল্যাপটপ কেনার খরচ বহন করতে এই কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: IAS পরিচয় দিয়ে একাধিক অভিযানও চালিয়েছে ভুয়ো টিকাকাণ্ডের নায়ক দেবাঞ্জন, চাঞ্চল্যকর তথ্য

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা ইচ্ছে করেই চল্লিশ বছর পর্যন্ত বয়সসীমা রেখেছি। রাজ্যে অর্থের অভাবে অনেকেই পড়াশোনা শেষ করতে পারে না। অনেকে আবার চাকরি করতে করতেও উচ্চশিক্ষার জন্যও পড়াশোনা করে। শুধুমাত্র তাদেরকে সুযোগ করে দিতেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।” তার কথায়, “বাচ্ছাদের পড়াশুনো করানোর জন্য বাবা মায়েদের আর কোনও চিন্তা থাকবে না। বাচ্চাদেরও আর মন খারাপ করে ঘুরে বেড়াতে হবে না। ঋণ পাওয়ার জন্য জুতোর শুকতলা খুইয়ে যাবে না। ছাত্রছাত্রীদের বলছি, তোমরা টাকা পয়সার কথা না ভেবে মন দিয়ে পড়াশোনা করো। বাবা মায়েদেরও বলব চিন্তা করবেন না। আপনাদের স্বপ্নপূরণ হবেই। আপনাদের ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে আপনাদের মুখ উজ্জ্বল করবে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *