রাজ্যের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Mysepik Webdesk: রবিবার আকাশপথে রাজ্যের একাধিক বন্যা-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি আরামবাগের কালীপুর এলাকায় যান। সেখানে জলে নেমে দূর থেকেই বন্যা দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের আশ্বস্ত করেন। ‘ম্যান মেড’ বন্যার অভিযোগ তুলে জানালেন, রাজ্য সরকারকে না জানিয়েই জল ছেড়েছে ডিভিসি। মাইথন এবং পাঞ্চেত জলাধার থেকেও জল ছাড়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের (ডিভিসি) থেকে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: না জানিয়ে ঝাড়খণ্ড জল ছাড়ায় প্লাবিত রাজ্য, পাল্টা রাজ্য সরকারকেই কাঠগড়ায় তুললেন অধীর চৌধুরী

জলমগ্ন আরামবাগে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্তারিত তথ্য দিয়ে বলেন, ডিভিসির এই অতিরিক্ত জল ছাড়ার কারণেই জলের নিচে চলে গিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। ৮ টি জেলার বিভিন্ন এলাকা এখনও জলের তলায়। প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। আর তার জেরেই হাওড়া, বীরভূম, হুগলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান -এর বিভিন্ন জায়গায় হু হু করে জল ঢুকছে।

আরও পড়ুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের রাস্তা মসৃন করতে ভবানীপুরে কংগ্রেস প্রার্থী দেয়নি: অধীর চৌধুরী

মুখ্যমন্ত্রী জানান, “১ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এনডিআরএফ নেমেছে। নবান্ন থেকে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশ্বাস দেন, ফিরে গিয়ে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে মিটিং করব। আশা করি দ্রুত জল নেমে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “একদিন আসবে এমন যে ডিভিসির থেকে আমাদের ক্ষতিপূরণ চাইতে হতে পারে। কারণ, যদি চারবার করে জল আসে (তাহলে কী করার আছে)? এবার তো চারবার জল এসেছে। সব টাকা জলেই চলে যাচ্ছে আর মানুষের তো ক্ষতি হচ্ছেই।

আরও পড়ুন: ঘাটালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আস্ত দোতলা বাড়ি, মৃত্যু ৪ বছরের শিশুর

প্রসঙ্গত, বন্যা কবলিত জেলাগুলির পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য একাধিক মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ফিরহাদ হাকিম থেকে শুরু করে মানস ভুঁইয়া, সকলকেই একাধিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্লাবিত এলাকার বাসিন্দারা যাতে এই পরিস্থিতিতে কোনও রকম অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *