বিরোধী শক্তিগুলিকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিতে সোমবার দিল্লি যাচ্ছেন মমতা

Mysepik Webdesk: বিজেপিকে হারিয়ে বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ইতিমধ্যেই বিজেপি বিরোধী প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২১ জুলাই তিনি শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকেই দেশের বিজেপি বিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন। এবার সেই লক্ষেই বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে আরও সংঘবদ্ধ করতে আগামী ২৬ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের একবার দিল্লি যাচ্ছেন। ২০২৪ কে পাখির চোখ করে তাঁর এই দিল্লি সফর রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিকমহল।

আরও পড়ুন: পেগাসাস নিয়ে আলোচনার দাবিতে উত্তাল সংসদ, তৃণমূলের ধর্ণা দিল্লি-কলকাতায়

একদিকে একাধিক অবিজেপি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ফোনে আড়ি পাতা পেগাসাস স্পাইওয়্যার, অন্যদিকে শরদ পাওয়ারের মতো ব্যক্তিত্বের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক, এ সবকিছুই সম্প্রতি বিরোধী দলগুলিকে যেন নতুন করে অক্সিজেন যোগান দিয়েছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একজোট হতে। পাশাপাশি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ছাড়া পেগাসাস নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি যে দলটি সোচ্চার হয়েছে, তা হল তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রশান্ত কিশোরের মতো হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বদের মোবাইল ফোন হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: ঈদ উপলক্ষে কেন তিনদিন লকডাউন শিথিল, কেরল সরকারকে ভৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে, ভারতের যে কোনও রাজনৈতিক দল বিজেপির বিরোধিতায় সবার আগে এগিয়ে যাক না কেন, তাকেই সমর্থন করুক অন্যান্য বিজেপি বিরোধী দলগুলি। এর উদ্দেশ্য একটাই, আগামী ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বাড়াতে হবে কেন্দ্রের ওপর। সেক্ষেত্রে সমচেয়ে বেশি প্রয়োজন বিজেপি বিরোধী সুর চড়ানো। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফরের আরও একটি উদ্দেশ্য রয়েছে, তা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আগামী ২৮ জুলাই বৈঠক। সেক্ষেত্রে মমতার দিল্লি সফরের উদ্দেশ্য যে এক ঢিলে দুই পাখি মারার, সেটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *