কথা রাখলেন মমতা, ক্ষমতায় এসেই শীতলকুচিতে গঠন করলেন সিট!

Mysepik Webdesk: কথা রাখলেন তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার জনের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি আগে জানিয়েছিলেন, ক্ষমতায় আসলে তিনি তদন্ত করবেন। তিনি বলেছিলেন, “যত বড়ই মাথা হোক, আমি শেষ দেখে ছাড়ব।” সেইমতো তিনি ওই ঘটনার তদন্তের জন্য তিনি সিট গঠিন করলেন। সিআইডি সূত্রে খবর, সিআইডির ডিআইজি কল্যাণ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ওই সিট গঠন করা হয়েছে, যা শীতলকুচি ঘটনার তদন্ত করবে।

আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে রাজ্যে ৪ সদস্যের কেন্দ্রীয় দল

রাজ্যে নির্বাচনের আগে পুলিশ-প্রশাসনে রদবদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ক্ষমতায় বুধবার শপথ গ্রহণ করার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আগের সবাইকেই ক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছেন। রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে ফিরে এসেছেন বীরেন্দ্র। এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে পুনরায় এসেছেন জাভেদ শামিম। অন্যদিকে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর পদ থেকে। এদিকে শীতলকুচিকাণ্ডের তদন্তকারী অফিসারকে এদিন ভবানী ভবনে তলব করা হয়। পাশাপাশি মাথাভাঙা থানার আইসি কান্নানকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে, যিনি নির্বাচনের আগে কোচবিহারের পুলিশ সুপার পদে ছিলেন। নির্বাচন কমিশনই তাঁকে সরিয়েই দেবাশিস ধরকে ওই পদে নিয়ে আসে।

আরও পড়ুন: রাজ্যে লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি বাতিল বেশ কিছু এক্সপ্রেস ট্রেনও, জেনে নিন তালিকা

গত ১০ এপ্রিল শীতলকুচিতে ভোট চলাকালীন জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথে সকাল থেকেই গন্ডগোল শুরু হয়। গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মৃত্যু হয় সমিউল মিঁয়া, মনিরুল মিঁয়া, হামিদুল মিঁয়া এবং নূর ইসলাম মিঁয়ার। দেবাশিস ধর রিপোর্টে বলেছিলেন, প্রায় ৩০০ জন গ্রামবাসী কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ফেলে তাঁদের অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। শূন্যে গুলি চালিয়েও লাভ হয়নি। তারপরেই গ্রামবাসীদের লক্ষ করে গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *