উনিশে মে, রক্তস্নাত মাতৃভাষা

গৌতম গুহ রায়

“দশটি ভাই চম্পা একটি পারুল বোন

কলজে ছিঁড়ে লিখেছিলো, ‘এই যে ঈশান কোণ—

কোন ভাষাতে হাসে কাঁদে কান পেতে তা শোন।’

গুনলি না? তো এবার এসে কুচক্রীদের ছা

তিরিশ লাখের কণ্ঠভেদী আওয়াজ শুনে যা—

‘বাংলা আমার মাতৃভাষা, ঈশান বাংলা মা।’…’’

১৯৬১-র ১৯ মে, ঈশান কোনের বাংলাভাষাভূমের আত্মবিসর্জনের দিন। মাতৃভাষার জন্য প্রদত্ত ১১ শহিদের আত্মবলিদনের রক্তধৌত শিলচার। অভিমানী শিলচরের কবি শক্তিপদ ব্রহ্মচারীর উচ্চারণ ‘‘এই যে ঈশাণ কোণ— / কোন ভাষাতে হাসে কাঁদে কান পেতে তা শোন’’, এই স্বর ৬০ বছর পরেও প্রান্তিক উচ্চারণ হয়েই পরে রইল। এটা নিছক আক্ষেপ নয়, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ভাষিক গোষ্ঠীর কূপমুন্ডকাতাও। ঈশান বাংলার কয়েক কোটি মানুষ, যাদের মাতৃভাষা বাংলা তাঁদের অস্তিত্ব বিস্মৃতি আসলে ভাষাটাকেই আস্বীকার করা, অমলিন গৌরবের এক আলোকবিন্দুকে অস্বীকার করা।

আরও পড়ুন: দেবেশ রায়ের ‘মফস্বলি বৃত্তান্ত’

১৯৫২-র ২১ ফেব্রুয়ারি, ভাষা আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ একটি স্বধীন রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছিল, যার রাষ্ট্র ভাষা বাংলা। ২১ ফেব্রুয়ারি আজ ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসাবে রাষ্ট্রসংঘ স্বকৃতি দিয়েছে, গোটা বিশ্ব মান্যতা দিয়ে পালন করছে। বাহান্ন থেকে ঠিক নয় বছরের মাথায় ভারতের ঈশান কোণের কাছারে, আজকের বরাক উপত্যাকায় ভাষার অধিকার রক্ষার দাবি জানাতে গিয়ে এগারোটি তাজা প্রাণ বলি দিতে হয়েছিল। ভারতীয় নাগরিক তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনে নামলে শিলচরের মাটি সেই মানুষদের তাজা প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল রাষ্ট্রীয় রক্ষীরা। সেদিন শিলচর রেলস্টেশনের সমবেত সত্যাগ্রহীরা পুলিশের গুলিতে ১১ জন প্রাণ হারান। অনেকে আহত ও পঙ্গু হয়ে আজো সেই দুঃসহ স্মৃতি বহন করছে। এই স্মৃতি কি শহিদের ক্ষতের যন্ত্রণার? নাকি ক্ষোভের ও অভিমানের? যে অভিমানের উচ্চারণ দেখি কবি বিজিতকুমার ভট্টাচার্যের কলমে—

“আমাদের দিকে তাকিয়ে তারা বলে

তোমারা রক্ত দিয়েছিলে? উপবাস করেছিলে?

আহা… তাই তোমাদের এমন চেহারা, একদম চেনা যায় না।

যাকে চেনা যায় না তাকে আমরা কেমন করে চিনব?

কেমন করে বলব তোমরা আমার দেশবাসী?

তা হলে তোমরা নিশ্চই বিদেশি।…” (কবিতার বদলে / ১৯৮১)

এই অভিমান স্বাভাবিক। যে দাবিতে এই আন্দোলন, তা আজও অস্বীকৃত, মাতৃভাষার দাবিতে আত্মত্যাগের ষাট বছর পরেও শহিদের স্বীকৃতি নেই আজও। স্বাধীন ভারতে ভাষার দাবিতে জমায়েত হওয়া শান্তিপূর্ণ মানুষদের উপর গুলি চালনার ঘটোনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের রিপোর্ট আজও ঠান্ডাঘরে বন্দি।

আরও পড়ুন: কবি অয়ন চৌধুরীর দেওয়া মহাবিষপানেই আমাদের মৃত্যুর প্রবাহ অপার অন্তরীক্ষে, ‘হে বিষ! হে অন্তরীক্ষ!’

দক্ষিণ অসমের পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রায় সাত হাজার বর্গ কিলোমিটারের পাহাড় ঘেরা ঘন সবুজ সমভূমির সাম্প্রতিক নাম বরাক উপত্যকা। এই অঞ্চল ও সন্নিহিত ডিমসা কাছাড়ি রাজাদের রাজত্বকাল থেকেই বাংলা ভাষার সাহিত্য ও সংস্কৃতিও চর্চা এখানে চলে আসছে। ১৭০৮ সালে ডিমসা-কাছাড়ি রাজতন্ত্র নিজেদের রাজকার্য ও সংস্কৃতির ভাষা হিসাবে বাংলাভাষাকে গ্রহণ করে এবং ভুবনেশ্বর বাচস্পতিকে রাজকবি নিযুক্ত করে। এটা উল্লেখ করা দরকার যে বাংলায় রাজকীয় ভাষার মর্যাদা প্রদান, রাজকার্য পরিচালনা এবং রাজকীয় আইনকানুন প্রথম বরাক উপত্যকায় চালু হয়েছিল। বাংলার অন্য কোথাও সেটা তখনো ছিল না। ১৮৩০ সালে রাজা গোবিন্দচন্দ্র নারায়ণ আততীয়ের হাতে নিহত হন। ১৮৩২ সালে ইংরেজরা বরাক দখল করে। ১৮৩৬-এ ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয় আবং ১৮৭৪-এ অসম স্বতন্ত্র রাজ্য হিসাবে গঠিত হয়। সেই সময় ইংরেজরাজ প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাতে বরাক ও সিলেট বা শ্রীহট্টকে বাংলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে অসমের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। বিভেদ ও শাসন কৌশলে শুরু হয় অসমিয়া ও বাঙালি বিভেদের রাজনীতি। স্বাধীনতার সময় এই স্বরেই শাসন কথা বলে। জীবিকার টানে ও উদ্‌বাস্তু হয়ে আসা অ-অসমিয়া মানুষ, বিশেষকরে বাংলা ভাষাভাষীদের বিদেশি বলে চিহ্নিত করণ শুরু হয়। স্বাধীনতার সময়ের ভাষিকগোষ্ঠীগত হিসাবে ১ কোটি জনতার মধ্যে বাংলাভাষী ছিলেন ৩২ লক্ষ, অসমিয়াভাষী ২৮ লক্ষ, হিন্দিভাষী ১১ লক্ষ, বড়োভাষী ৬ লক্ষ, নেপালি ৪ লক্ষ, খাসিয়া ৩.৫ লক্ষ, গারো ৩.২৫ লক্ষ, মিজোভাষী ২.২৫ লক্ষ প্রভৃতি। ১৯৫১-তে এই সমীকরণ অবিশ্বাস্যভাবে পালটে দেওয়া হল।

আরও পড়ুন: প্রতিহিংসাপরায়ণতা কি সুচতুর চাল!

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তখন কাছাড়, মিজোরাম, মণিপুর, ত্রিপুরা প্রভৃতি মিলে আলাদা উত্তর-পূর্বাঞ্চল রাজ্যের দাবি প্রবল হচ্ছে। এভাবেই স্থানীয় সংঘাত নানা রূপে প্রকাশিত হচ্ছিল। যদিও এই দাবি ভাষা কমিশন মেনে নেয়নি, তাদের নীতি ছিল কোনো ভাষা যদি স্থানিক জনতার ৭০% মানুষের ভাষা হয়, তবেই তারা স্বতন্ত্র রাজ্যের দাবি জানাতে পারে। এদিকে ১৯৬০-এর ২১ এপ্রিল অসম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি এক সভা থেকে ঘোষণা করে যে, অসমের ভাষা হবে একমাত্র অসমিয়া ভাষাই। এই ঘোষণা গোটা ব্রহ্মপুত্র এলাকায় দাঙ্গার আগুন জ্বলিয়ে দেয়। ৪ জুলাই গুয়াহাটির ছাত্র মিছিলে পুলুশের গুলি চললে রঞ্জিত বরপূজারী নামে এক ছাত্র মারা যান। এই আগুন আরো লেলিহান হয়ে ওঠে। নওগাঁর ভাষাকর্মী ও দাঙ্গাবিরোধী নেতা শিশির নাগকে বাঙালি বলে দাঙ্গাকারীরা হত্যা করে।

এরপর ১৯৬০-এর ৭ জুলাই নিশীথরঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে বরাক উপত্যকার ছাত্র সম্মেলন ছাত্র সংগ্রাম কমিটি তৈরি করা হয়। এই সভা থেকে ৪ দফা কর্তব্য নির্ধারণ করা হয় ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলকে ও সরকারের কাছে দাবিপত্র দেওয়া হয়। ১৮ জুলাই জওহরলাল নেহরু অসমের তৎকালীন রাজধানী শিলংয়ে এসে এক জনসভায় এই দাঙ্গার নিন্দা করেন। ১৯৬০-এর ১০ অক্টোবর অসম বিধানসভায় ভাষাবিল পেশ করা হয়। সেখানে বলা হয় যে শুধুমাত্র অসমিয়াভাষাকেই রাজ্য ভাষারূপে গ্রহণ করা হোক। অন্যদিকে, অসমের বিধান পরিষদে অসমিয়ার সঙ্গে বাংলাকেও স্বীকৃতির প্রস্তাব আসে। কিন্তু সেই প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায় সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে। ১৪ অক্টোবর ১৯৬০, অসম বিধানসভায় অসমিয়া ভাষাকে রাজ্য ভাষা হিসাবে গ্রহণ করা হয়। বাংলাকে কাছারের জেলা ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া যায় কিনা, তা ছেড়ে দেওয়া হয় স্থানীয় মহকুমা পরিষদের হাতে। বিরোধীদের সমস্ত আবেদন নিবেদন অগ্রাহ্য করে ২৪ অক্টোবর ১৯৬০, অসমের রাজ্যভাষা বিলটি পাস করা হয়।

২৪ অক্টোবর পার্বত্য কংগ্রেস পরিষদ ১২ ঘণ্টার বন্‌ধ ডাকে। শিলচরে গণবিক্ষোভ আছড়ে পরে। কাছাড়ে বন্ধ পালিত হয়। ২ নভেম্বর করিমগঞ্জে ‘কাছাড় সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। এরপর ৭ নভেম্বর ‘নিখিল অসম বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন’-এ গৃহীত হয় মাতৃভাষার স্বীকৃতি আদায়ের সনদ।

আরও পড়ুন: যে উপন্যাসে ছড়িয়ে রয়েছে সন্ত্রাস

১৫ জানুয়ারি ১৯৬১, করিমগঞ্জ, শিলচর, হাইলাকান্দি ও করিমগঞ্জের কংগ্রেস কমিটির কনভেনশান অনুষ্টিত হয়। সেখানে কাছাড়কে আলাদা শাসনতান্ত্রিক সংস্থা রূপে পরিণত করার প্রস্তাব নেওয়া হয়। ১ বৈশাখ (১৯৬১, ১৪ এপ্রিল) গঠন করা হয় ‘কাছাড় জেলা গণপরিষদ’। ১৫ থেকে ১৫ গণচেতনা প্রসারে প্রচার আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হয়। ঐতিহাসিক পদযাত্রার ডাক দেওয়া হয় ১৯শে থেকে। ১৯ মে থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

১৯ মে, ১৯৬১, শুক্রবার। সমগ্র কাছারের মানুষ অসহযোগের ডাকে সেদিন রাস্তায়। শান্তিপূর্ণ সেই জনতার হাতে হাতে প্রচারপত্র, ‘‘১৯ মে কাছাড়বাসীর সামনে এক অগ্নি পরীক্ষার দিন। এই দিন প্রমাণ হবে আমরা আমাদের মাকে, মাতৃভাষাকে কতটুকু ভালোবাসি। ভাষা দিয়েই জাতির পরিচয়। ভাষা না থাকলে জাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।”

ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে প্রথম ট্রেন চলার কথা, অসহযোগী মানুষেরা ভিড় করলেন রেলস্টেশনে। ৪টা পর্যন্ত কোনো রেল চলবে না। ক্রমশ জনতার সম্মিলন বাড়ছিলো। ওদিকে প্রস্তুতি নিচ্ছিল সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্স, মাদ্রাস রেজিমেন্টের বাহিনী। সকাল ৬টা। লাঠি চালানো হল মাতৃভাষার দাবিতে সমবেত মানুষদের উপর। ৬টা ৩০ মিনিটে আবার লাঠিচার্জ। কিন্তু অপসারণের চেষ্টা সফল হল না প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এই মানুষদের। ৭টা ০৫ মিনিটে ফাটানো হল কাঁদানে গ্যাস। ৭টা ৩০ থেকে গ্রেপ্তার শুরু করা হয়। পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হতে থাকে। ২টো ৩৫ মিনিটে হঠাৎ একটি গাড়িতে আগুন লাগার খবর রটে যায়। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বেপোরয়াভাবে। আন্দোলনের নেতৃত্বের মধ্যেও মাইকে ঘোষণা করতে থাকেন শান্তিপূর্ণভাবে সত্যাগ্রহ চালিয়ে যেতে। হঠাৎ গুলি চালানো শুরু করে রক্ষীবাহিনী। একের পর এক সত্যাগ্রহীদের রক্তাক্ত দেহ শিলচর স্টেশনে লুটিয়ে পরে। আহত হন অনেকে। ১১ জন সত্যাগ্রহী শহিদ হন, ভাষাশহিদ। কমলা ভট্টাচার্য এঁদের অন্যতম, প্রথম মহিলা ভাষা শহিদ। এদিন পুলিশের গুলিতে যাঁরা শহিদ হন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হীতেশ গোস্বামী, শচীন্দ্র পাল, কুমুদরঞ্জন দাস, তরণী দেবনাথ, চণ্ডীচরণ সূত্রধর, কানাইলাল নিয়োগী, সুকোমল পুরকায়স্থ, সুনীল দে সরকার, বীরেন্দ্র সূত্রধর, সত্যেন্দ্র দেব।

আরও পড়ুন: মরণোত্তর দেহদান আন্দোলনের প্রাণ ব্রজ রায়

ঈশান বাংলার এই আত্মত্যাগের আলো ক্রমশ মানুষের বিস্মৃতিতে চলে যাচ্ছে কি? ক্রমশ একঘরে হয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্রের ও সুরমা উপত্যকার বাংলা ভাষাভাষীদের বর্তমান অন্তত সে-কথাই বলে। আত্মবিস্মৃত উত্তর প্রজন্মের কাছে ১৯ মে শুধুমাত্র একটি তারিখ আজ, যেদিন শিলচর রেলস্টেশনে গুলি চলেছিল! ভাষার অধিকার, ভাষার শক্তি যে জাতীয় আবেগ, জাতিসত্তার আবেগ, তা থেকে এই প্রজন্ম ক্রমশ বিস্মৃত। শিলচরের মানুষ প্রাক্তন উপাচার্য ড. তপোধীর ভট্টাচার্য তাই ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “কী চেয়েছি কেন চেয়েছি— এ নিয়ে মাথাব্যথা নেই কারো। উনিশে মে-র আরো পর কী ঘটেছিল, এর প্রতিটি অনুপুঙ্খ যাঁদের জানা— তাঁরা স্বরচিত হিম নীরবতার দুর্গে স্বেচ্ছাবন্দি। ইতিহাসের কাছে কোনো দায় আছে, এমন ভাবনার পরিচয় তাঁরা দেননি আজো।… কালে যাত্রার ধ্বনি শুনব কীভাবে? কালের বহতা ধারায় কাকস্নান মাত্র করে চলেছি। আপাত-কালের রঙিন মুখোশে আমরা মুগ্ধ ও বিভ্রান্ত, প্রকৃত কালের গভীর সংবেদনায় কেউ প্রাণিত হতে শিখিনি।” এই আক্ষেপ শুধু বরাক সন্তানের নয়, আজ সমগ্র বাংলাভাষীর। যখন বরাক উপত্যকা সহ গোটা ঈশান বাংলার কয়েক লক্ষ বাংলা ভাষাভাষীর রাষ্ট্রীয় পরিচয় নিয়েই জিজ্ঞাসা তুলে আনা হচ্ছে। রাষ্ট্রহীন হওয়ার আশঙ্কায় লক্ষ লক্ষ মানুষ। ভাষা শহিদ দিবসের তর্পণ নয় সেই আত্মত্যাগের মূল্যায়ন আজ জরুরি। মনে রাখতে হবে, মাতৃভাষার অধিকার আজ স্বীকৃত সত্য, জাতিসত্তার সঙ্গে ভাষার অধিকার জড়িয়ে আছে। সবশেষে দেবেশ রায়ের কথার উদ্ধৃতি দিতে চাই, “একটা ভাষা যদি তার পরিচয় থেকে বাদ চলে যায় তা হলে কী ক্ষতি হয় মানুষের? একজন বাঙালি যদি সারাটা দিন কোনো বাংলা অক্ষর না লিখে, না দেখে, না শুনে কাটিয়ে দিতে পারেন— কী ক্ষতি হয় তাঁর? এমন কোনো ক্ষতি হয় না, যা দেখা যায়।”

এমন কোনো ক্ষতি হয় না, যা দেখা যায়।

মেফিস্টোফেলিস এই কথা বলেই ফাউস্টের আত্মাটা নিয়ে নিয়েছিল।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *