জনঅরণ্যে সম্প্রীতির বার্তা

সাইদুর রহমান

ঐতিহাসিক কারণেই মুর্শিদাবাদ জেলায় সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের বাস। এবং এই জেলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দরিদ্র্যতাও ঐতিহাসিক। এই ঐতিহাসিকতার সমর্থন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখার মধ্যেও পাওয়া যায়, ‘‘হাসিম সেখ আর রামা কৈবর্ত্ত দুই প্রহরের রৌদ্রে খালি মাথায় খালি পায়ে এক হাঁটু কাদার উপর দিয়া দুইটা অস্থিচর্ম্মবিশিষ্ট বলদে, ভোতা হাল ধার করিয়া আনিয়া চষিতেছে। … সন্ধ্যাবেলা গিয়া উহারা ভাঙ্গা পাতরে রাঙ্গা রাঙ্গা বড় বড় ভাত নুন লঙ্কা দিয়া আধপেটা খাইবে। তাহার পর ছেঁড়া মাদুরে, না হয় ভূমে, গোহালের একপাশে শয়ন করিবে― উহাদের মশা লাগে না। তাহারা পরদিন প্রাতে আবার সেই এক হাঁটু কাদায় কাজ করিতে যাইবে― যাইবার সময়, হয় জমিদার, নয় মহাজন, পথ হইতে ধরিয়া লইয়া গিয়া দেনার জন্য বসাইয়া রাখিবে, কাজ হইবে না। নয়ত চষিবার সময় জমিদার জমিখানি কাড়িয়া লইবেন, তাহা হইলে সে বৎসর কি করিবে? উপবাস― সপরিবারে উপবাস।’’ (বঙ্গদেশের কৃষক/ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৬৯ সালে ১৫ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে যোগদান করেন। পরে ১৮৭১ সালের ১০ জুন, কালেক্টর পদে উন্নীত হন। ফলে তাঁর দেখা মুর্শিদাবাদের তৎকালীন সামাজিক ও অর্থনৈতিক চিত্র ঐতিহাসিক সত্যকেই তুলে ধরে। হাসিম সেখ ছিলেন সে সময়ের জেলার মুসলিম প্রতিনিধি, তাতে সন্দেহ নেই।  

আরও পড়ুন: প্রসঙ্গ আল-আকসা: বিশ্বজুড়ে ছি-ছিক্কার আর অভিশাপ কুড়াচ্ছে ইসরাইল

১৯০১ সালে এই জেলার মোট জনসংখ্যা ছিল ১৩২২৪৮৬ জন। ১৯৫১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭১৫৭৫৯ জনে। ১৯৭১ সালে মোট জনসংখ্যা ২৯৪০২০৮ জন। ২০০১ সালে ৫৮৬৩৭১৭ জন। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, মুর্শিদাবাদ শহরের জনসংখ্যা হল ৭১০৩৮০৭ জন, যার মধ্যে ৩৬২৭৫৬৪ পুরুষ এবং ৩৪৭৬২৪৩ জন মহিলা। ২০২০ সালে মুর্শিদাবাদের জনসংখ্যা ৭৫৬৫৩৪০ (আধার uidai.gov.in ২০১৯-এর তথ্য অনুসারে অনুমান)। তথ্য অনুসারে, ১৯৭১ সালের পর মুর্শিদাবাদ জেলার জনসংখ্যার হার দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। যদিও শেষের দিকে জনসংখ্যার হার বৃদ্ধিতে কিছুটা হ্রাস এসেছে, এটা আশার কথা। ২০১১ সালে যেখানে ৭১০৩৮০৭ জন, সেখানে ২০২০ সালে ৭৫৬৫৩৪০ জন।

১৯০১ থেকে ২০২১ পর্যন্ত  ১২০ বছরে এই জেলার জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমানের সামগ্রিক একটা রূপ দেওয়া হল:  

আগেই বলেছি, মুর্শিদাবাদ জেলার এই বৃহত্তম জনসমুদ্রের বড় অংশই মুসলিম সম্প্রদায়ের। ভাগীরথী নদী মুর্শিদাবাদ জেলাকে মাঝামঝি দুইভাগে ভাগ করেছে। পশ্চিম অংশের না রাঢ় অঞ্চল। পূর্ব অংশ বাগড়ি― যা সীমান্ত এলাকা নামে পরিচিত। এই বাগড়ি অঞ্চলেই লোকসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা লালগোলা, ভগবানগোলা, ডোমকল, জলঙ্গি, আখরিগঞ্জ, শেখপাড়া, কাহারপাড়া, সাগরপাড়া অঞ্চলগুলি সবচেয়ে বেশি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ‘ইতিহাস আর দেশভাগ জনিত বাঙালি মুসলমানের বিপর্যস্ত সমাজ’ অর্থনীতির বারোমাস্যা অনুভব করা যায় এই সমস্ত অঞ্চলে। সীমান্তের ওপারে গোদাগাড়ী, রাজশাহী সদর। দেশবিভাগের আগে রাজশাহীকে মূলকেন্দ্র করে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হত এই জেলার। এখন এই জেলার অর্থনীতির ভরকেন্দ্র বহরমপুর। 

আরও পড়ুন: নীল ফিতের জুতো

প্রথম থেকেই এই জেলার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ মুসলমান ছিলেন দরিদ্র। ধীরে ধীরে এই অঞ্চলের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে কিছুটা শিক্ষা ও কাজের সংখ্যা কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পায়। ফলে ১৯৩১-এর পর স্বাধীনতার আগে পর্যন্ত খুব সামান্য হলেও মুসলিম সম্প্রদায়ের অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটতে থাকে। কিন্তু স্বাধীনতার পর ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এই জেলার মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে একটা টালমাটাল অবস্থা শুরু হয়। এই সময়কালের মধ্যেই এই দেশে অবস্থিতির প্রশ্নে অনেক মুসলিম দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েন ও অনেকেই এই জেলা ছেড়ে তদানীন্তিন পুর্ব পাকিস্তানে চলে যান। এরা অনেকেই ছিলেন অবস্থা সম্পন্ন চাষি পরিবার। যাঁরা থেকে গেলেন তাঁদের অধিকাংশই কৃষক, ক্ষেতমজুর, ছোট পুঁজির ব্যবসায়ী, বিড়ি, জরি শিল্পী। গরিব কৃষক নিজের ভিটে ছেড়ে যাওয়ার সাহস করে উঠতে পারেনি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে এপারের মুসলমানদের মধ্যেও একটা স্থিতি আসে। ফলে ১৯৭১-এর পর জেলার মুসলিমদের মধ্যে একটা অর্থনৈতিক পরিবর্তন আসে।

আরও পড়ুন: নোটস ফ্রম দ্য ডেড হাউস (১ম অংশ)

১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ জেলার দু’জন জেলাশাসক ছিলেন অন্নদাশংকর রায় ও অশোক মিত্র। তখন সদ্য দেশ ভাগ হয়েছে। চারিদিকে স্থিতি আর গুছিয়ে নেওয়ার পালা চলছে। তাঁদের লেখা থেকে মুর্শিদাবাদ সম্পর্কে অনেক তথ্য জানা যায়। মুর্শিদাবাদ বিশেষজ্ঞ ও ইতিহাসবিদ সৌমেন্দ্রকুমার গুপ্ত লিখেছেন, ‘‘ওই সময়ে এই জেলার ৩০ হাজার মুসলিম পরিবারকে (অর্থাৎ ১ লক্ষ ৫০ হাজার জনকে) পাকিস্তানে বিতাড়ন করার একটি পরিকল্পনা করার চেষ্টা হয়, এই সকল পরিবার মুসলিম লিগের প্রতি সহানুভূতি সম্পন্ন এই যুক্তটিতে। এই চেষ্টা সফল না হলেও স্বেচ্ছায় পাকিস্তান চলে যাওয়ার একটি প্রবণতা জেলার মুসলিমদের মধ্যে সৃষ্ট হয় এবং ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে।’’ (মুর্শিদাবাদ জেলায় মুসলিম সমাজে বহুমুখী পরিবর্তন/ সৌমেন্দ্রকুমার গুপ্ত, ঝড়, ডিসেম্বর, ২০০৭)। তিনি আরও লেখেন ‘মুর্শিদাবাদ জেলার মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এই সময়ে আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের তিনটি সুস্পষ্ট পর্যায় আমরা লক্ষ করি― ১৯৩১ থেকে ১৯৫১ সাল, ১৯৫১ থেকে ১৯৭১ সাল এবং ১৯৭১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত। প্রথম পর্বে ১৯৩১ সাল থেকে ১৯৫১ সালের মধ্যে জমিদারদের বিরুদ্ধে জোতদারদের আর্থ-সামাজিক তথা রাজনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। ১৯৫১ থেকে ১৯৭১ সাল এই পর্বে জমিদারি ও মধ্যস্বত্বভোগী জোতের বিলুপ্তি ঘটে এবং ভূমিসংস্কারের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলি গৃহীত হয়। ১৯৭১ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে সামগ্রিকভাবে কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘপ্টলেও কৃষক থেকে মজুরে পরিণত হওয়ার প্রবণতাও তীব্রতর হয়।’’ ১৯০১ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত এই জেলার অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তুলনায় কমতে থাকলেও জমিদারি প্রথা, মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবস্থা ও শিক্ষাগত অগ্রগতির প্রভাবে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে ছিলেন অনেক বেশি। মুর্শিদাবাদ জেলায় ঐতিহাসিক কারণেই মুসলমানের সংখ্যা বেশি। এর সঙ্গে দলে দলে সংখ্যালঘু অনুপ্রবেশের কোনো গল্প নেই।

আরও পড়ুন: ‘চোখের বালি’ই বাংলা সাহিত্যে ঘটিয়েছিল যুগান্তকারী ঘটনা

আগেই বলেছি, ঐতিহাসিক কারণেই মুর্শিদাবাদ জেলার মুসলমান সমাজ পিছিয়ে পড়েছিলেন। এবং একইভাবে সমগ্র বাঙালি মুসলমানের পিছিয়েপড়ার কারণও কিন্তু এক। ‘‘দেশভাগ এ-পারের মুসলিম জীবনে গভীর সংকট নিয়ে এসেছিল৷ মুসলিম মধ্যবিত্তের বড় অংশই সীমান্ত ভাগের পরে ওপারে চলে গিয়েছিলেন৷ যাঁরা থেকে গিয়েছিলেন, তাঁরা অধিকাংশই গরিব প্রান্তিক কৃষক ক্ষেতমজুর, ছোট ব্যবসায়ী, অসংগঠিত শ্রমিক৷ ’৪৭ সালের পর জীবনে প্রতিষ্ঠা পাওয়া দূরে থাক, নিজস্ব আইডেন্টিটি নিয়েই তাদের জেরবার অবস্থা৷ দাঙ্গায়, পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ, চিনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি যখনই সমাজে সংকট নেমেছে, তখনই মুসলমানদের তার মাশুল গুনতে হয়েছে৷ ‘পাকিস্তানের চর’, ‘চিনের দালাল’ ইত্যাদি বিবিধ বিশেষণে তাদের কোণঠাসা করা হয়েছে৷ এই অবস্থায় মুসলিম জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল৷ ছবিটা কিছুটা বদলাল ’৭১-এর বাংলাদেশের যুদ্ধের পরে৷ তখন থেকে এ-পারের মুসলিম জনগোষ্ঠী সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘স্বর্গসুখ’ আর কোথাও নেই।’’ (দেশভাগের অভিঘাত/ সৌমিত্র দস্তিদার)

আরও পড়ুন: ছিন্নপত্রের পরশপাথর

আর একটি বিষয় যে, ঐতিহাসিকভাবেই পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান সমাজ গ্রামকেন্দ্রিক। নগর চেতনা এসেছে অনেক পরে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সমাজের অর্থনীতির মূল ভিত্তি হল কৃষি। মুর্শিদাবাদ জেলার মুসলমান সমাজও এর বাইরে নয়। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার  রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর ব্যাপক ভূমিসংস্কার করেছিলেন, অপারেশন বর্গা, জমির পাট্টা বিতরণ এবং পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মধ্যে দিয়ে যে অর্থনৈতিক পরিবর্তন এনেছিলেন, তার সুফল রাজ্যের বিশেষভাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি যেভাবে পেয়েছিল, মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষ সেভাবে পায়নি। তার কারণও অনেকটাই এই জেলার প্রান্তিক চাষির সংখ্যার আধিক্য। যাইহোক, আরেকটি বিষয় যে, ‘‘নব্বই দশকের পরে যে মুক্ত বাজার অর্থনীতি তার মোকাবিলা করার কোনও অস্ত্র বামপন্থীরা প্রয়োগ করতে পারেননি৷ শিল্প নিয়ে বাগাড়ম্বর৷ কর্পোরেট পুঁজির দাক্ষিণ্য পাওয়ার ব্যাকুলতা৷ কৃষির প্রতি গুরুত্ব না দেওয়া, সব মিলিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে যে সংকট দেখা দিতে লাগল, জনজীবনে সমস্যা বাড়তে লাগল তার প্রতি বামেরা সেভাবে মনোযোগী না হওয়ায় মুসলিম, দলিত ও অন্যান্য অনগ্রসর জনগোষ্ঠী তাদের উপর বিরূপ হল৷ যার চরম পরিণতি আমরা দেখলাম ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনে।’’ (দেশভাগের অভিঘাত/ সৌমিত্র দস্তিদার)। ফলে অর্থনৈতিক দুর্গতি, সামাজিক দুর্দশা, কাজের খোঁজে ভিনরাজ্যে পাড়ি দেওয়া, শিক্ষায় পিছিয়েপড়া মুর্শিদাবাদ জেলার প্রান্তিক মুসলমানদের বারোমাস্যায় পরিবর্তিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলার সংখ্যাগরিষ্ঠ এই গ্রামীণ, প্রান্তিক মানুষের জীবনযন্ত্রণা ও প্রতিদিনের জীবনসংগ্রামের কথাকে ‘‘আমরা শহরের এলিটরা চিনি না৷ চিনতে চাইও না।’’  

আরও পড়ুন: রবীন্দ্রনাথ ও শিক্ষা

This image has an empty alt attribute; its file name is IMG_20200818_095442.jpg

মুর্শিদাবাদ জেলার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ (প্রায় ৬৮ শতাংশ) মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত হলেও অমুসলিম সম্প্রদায়ের বাস রয়েছে চোখে দেখার মতো। সম্প্রীতিই এই জেলার মূল চালিকাশক্তি। সম্প্রীতির সেই সাদা চাদরে দু’টো ঘটনা কালো দাগ কেটে রেখেছে। এক, ১৯৮৪ সালের ১ জুন, ইসলামপুরে। অন্যটি ১৯৮৮ সালের ২৪ জুন, কাটরা  মসজিদকে কেন্দ্র করে। দু’টো ঘটনাতেই অনেকে সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পেলেও এগুলো ছিল কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষের ইচ্ছানুযায়ী সৃষ্ট সমস্যা। এর সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতার কোনও সম্পর্ক ছিল না এবং এখনও নেই। আজ পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ জেলার অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির সাংস্কৃতিক মেলবনন্ধনের উপর এই ঘটনা কোনওভাবেই প্রভাব ফেলতে পারেনি।

রাজনীতির ক্ষেত্রেও মুর্শিদাবাদ জেলা কোনওদিন সাম্প্রদায়িকতা বা সাম্প্রদায়িক দলকে প্রশ্রয় দেয়নি। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত মেইন স্ট্রিমের রাজনৈতিক দল তথা কখনও কংগ্রেস, কখনও বামফ্রন্ট, কখনও তৃণমূল কংগ্রেসকে বেছে নিয়েছে। একদা এই জেলা থেকেই প্রয়াত প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় লোকসভায় জীবনে প্রথম জনসাধারণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার স্বাদ পেয়েছে। তিনি জঙ্গিপুর লোকসভা থেকে কংগ্রেসের টিকিটে পর পর দু’বার নির্বাচিত হন। শেষ চারটি বিধানসভার ভোট বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যাবে এই জেলা কখনও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি।

মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে এই প্রথম বিজেপি বিধানসভার দু’টি আসন লাভ করেছে।

ক্রমশ…

লেখক প্রাবন্ধিক। কলামিস্ট। ‘অতঃপর…’ লিটল ম্যাগাজিন সম্পাদক।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *