মিলল অনুমতি, অবশেষে হাতরসের নির্যাতিতার বাড়ির পথে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

Mysepik Webdesk: মাঝরাস্তায় আটকে দেওয়া, গলাধাক্কা, মাটিতে ফেলে দেওয়া, এতকিছুর পরেও লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি ফের হাতরসের নির্যাতিতার বাড়ি যাবেন। অবশেষে সেই সুযোগ পেলেন তিনি। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন রাহুল গান্ধি, প্রিয়াঙ্কা গান্ধি-সহ আরও পাঁচজনকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিলেন। আপাতত সেই উদ্দেশ্যেই যাচ্ছেন তিনি।

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের পর এবার বিহারে দলিত ধর্ষণের ঘটনা, আত্মহত্যা নিগৃহীতা তরুণীর

বৃহস্পতিবার ওই দলিত পরিবারের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছানো আগেই তাঁদেরকে মাঝরাস্তায় আটকে দেয় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। জানানো হয়, গ্রামে ১৪৪ ধারা চলছে, সেখানে যাওয়া যাবে না। এরপর পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করার সময় পুলিশকর্মীরা রাহুল গান্ধীকে গলা ধাক্কা দিয়ে রাস্তার ওপরেই ফেলে দেয়। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমাদের গাড়ি আটকে দিয়েছে, তাই আমরা পায়ে হেঁটেই এগোচ্ছিলাম। এর মধ্যেই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। এ দেশে কি শুধু নরেন্দ্র মোদিই হাঁটবেন? সাধারণ মানুষের হাঁটারও অধিকার নেই?”

আরও পড়ুন: হাতরসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা, সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি

এই ঘটনার পরেই আরও বেশ কয়েকটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। প্রকাশ্যে আসে জেলাশাসকের ‘দাদাগিরি’। মৃত যুবতীর পরিবারকে ঘরের মধ্যে আটকে রাখারও অভিযোগ ওঠে। তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ারও অভিযোগ ওঠে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে। আর তারপরেই কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের কাছ থেকেও তাঁর কাছে নির্দেশ আসে ঘটনার যথাযথ তদন্ত করতে। সেইমতো গঠন করা হয় সিট। পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন যোগী।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *