‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ মনোজ পাতিললের আত্মহত্যার চেষ্টা, অভিযোগ অভিনেতা সাহিল খানের বিরুদ্ধে, কী লেখা আছে সুইসাইট নোটে?

Mysepik Webdesk: অতীতে ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’র খেতাব জয়ী বডি বিল্ডার মনোজ পাতিল আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। সূত্রের খবর, মনোজ একটি সুইসাইট নোটও লিখেছিলেন, যাতে তিনি অভিনেতা সাহিল খানকে এর জন্য দায়ী করেছেন। সুইসাইড নোটে তিনি সাহিলের বিরুদ্ধে সাইবার বুলিং এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ করেছেন। আত্মহত্যার চেষ্টা করা মনোজ পাতিলকে মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: তালিবান জুজু: দেশত্যাগ করে পাকিস্তান পৌঁছলেন আফগানিস্তানের যুব মহিলা দলের ফুটবলাররা

তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। মনোজ নিজেকে গুলিবিদ্ধ করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে অভিনেতা সাহিল খানের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ করেছেন মনোজ। মনোজ পাতিল তাঁর সুইসাইড নোটে লিখেছেন, “হয়রানি এবং অপবাদের কারণে আমি আত্মহত্যা করতে চলেছি।” মিস্টার ইন্ডিয়া হমনোজ পাতিল মিস্টার অলিম্পিয়া হওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। সাহিলও এই প্রতিযোগিতায় নামতে চেয়েছিলেন। মনোজের অভিযোগ, এই কারণে সাহিল খান তাঁকে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে না দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।

মনোজ পাতিল আরও লেখেন, সাহিল খান সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর নামে বদনাম করছেন। এই কারণেই তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। খবরে বলা হয়েছে, পাতিলের পরিবার ওশিওয়ারা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

কী লেখা আছে মনোজের সুইসাইট নোটে?

আরও পড়ুন: সিপিএল পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন

আমি মিস্টার ইন্ডিয়া মনোজ পাতিল, একজন ভারতীয় ক্রীড়াবিদ এবং বডি বিল্ডিংয়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছি। সাহিল খান নামে একজন অভিনেতা আছেন, যিনি আমাকে এবং আমার নিউট্রিশনিস্ট শপকে ইনস্টাগ্রাম এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে টার্গেট করছেন। এ কারণে আমাকে ও আমার পরিবারকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আমি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছি। সাহিল খান আমার উন্নতি দেখে ঈর্ষান্বিত।

আমার এবং আমার ব্যবসা সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছু বলা হয়েছে। এমনকী আমার কেরিয়ার শেষ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। সে আমার বিল্ডিংয়ের নিচেও এসেছিল, আমি জানি না এর পিছনে কী কারণ ছিল।

মিস্টার অলিম্পিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য আমাকে আমেরিকা যেতে হত। ও আমার এবং আমার স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ বাধিয়ে দিতে চাইত। আমার প্রতি যাতে আমার স্ত্রীর মন সরে যায়, তারজন্য নানানভাবে চেষ্টা করেছে। আমার পরিবার এবং আমি এই সব দেখে খুব বিরক্ত। আমি আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য। আমার বাবা ৬৫ বছর বয়সি অবসরপ্রাপ্ত মানুষ এবং আমার মা একজন গৃহিণী।

আরও পড়ুন: মরু শহরের আইপিএলে ফিরতে চলেছে দর্শক

এই সমস্ত পরিস্থিতির কারণে আমি আত্মহত্যা করতে উৎসাহিত হচ্ছি। যদি এমন চলতে থাকে, তাহলে আমি আগামী দিনে কিছু বড় পদক্ষেপ নেব। এর পরে এই সমস্ত কিছুর দায়িত্ব সরকার, পুলিশ এবং সাহিল খানের। এই সাহিল খান অতীতে একই কাজ করেছে ২-৩ জন খেলোয়াড়ের সঙ্গে, যা সম্পর্কে বিস্তারিত ওশিওয়ারা থানায় রয়েছে। … আমি একজন ভারতীয় খেলোয়াড় এবং আমার সঙ্গে এই সব ঘটছে, তাই সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কীই বা আশা করা যায়।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *