দিল্লি থেকে বার বার ফোন আসলেও সেই ফোন ধরলেন না মুকুল রায়

Mysepik Webdesk: ২০১৭ সালে তৃণমূলের সঙ্গে সবরকমের সম্পর্ক চুকিয়ে বিজেপি শিবিরে যোগদান করেছিলেন মুকুল রায়। তিনি জানিয়েছিলেন, দলে নিজের গুরুত্ব কমে যাওয়ায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ঠিক সাড়ে তিনবছর পর ফের সপুত্র তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তিনি তৃণমূল ভবনে পৌঁছে গিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর তৃণমূলে যোগদানের খবর পৌঁছে গিয়েছে দিল্লি পর্যন্ত। সেই কারণেই মধ্যে বার বার দিল্লি থেকে ফোন আসলেও তিনি সেই ফোন ধরছেন না।

আরও পড়ুন: মুকুলের মতো রাজীব-সোনালী-সব্যসাচীরাও কী তৃণমূলে আসছেন?

তবে মুকুল রায়ের বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের কারণ হিসেবে উঠে আসছে একাধিক বিষয়। দলে যোগ্য সম্মান না পাওয়া তার মধ্যে প্রধান কারণ হিসেবেই ধরা হচ্ছে। তাছাড়া বাংলার একুশে নির্বাচনের সময় বিজেপির বিজেপির সর্বভারতীর সহসভাপতি হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে গুরুত্ব না দিয়ে বেশিরভাগ সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে দিল্লি থেকে। ভোটের আগে বা ভোটের সময় দিল্লি থেকে যে নেতারা তাঁকে বার বার ফোন করতেন, তাঁর স্ত্রী এবং তিনি করোনা আক্রান্ত হওয়ার সময় কেউই তাঁর খোঁজ-খবর নেননি। এদিন তাঁর তৃণমূলে যোগদান করার খবর ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে দিল্লিতে। কিন্তু এদিন বিজেপি নেতাদের পক্ষ থেকে যতবার তাঁর কাছে ফোন এসেছে, তিনি একটিও ফোন ধরেননি।

আরও পড়ুন: তৃণমূল ভবনে পৌঁছলেন মুকুল রায়, পৌঁছলেন মমতাও

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে থেকেই মুকুলের সঙ্গে বিজেপির দুরত্ব তৈরি হচ্ছিল। ভোট পরিচালনার দায়িত্বে তাঁকে না রাখা, তাছাড়া নবাগত শুভেন্দু অধিকারীদের অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া, জোর করে ভোটে দাঁড় করানো-সহ একাধিক ইস্যুতে মুকুল রায় নিজেকে বিজেপির সংস্পর্শ থেকে আলাদা করে রেখেছিলেন। এবার ভোটে তিনি বিজেপি প্রার্থী হয়ে কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে জিতলেও দলের সঙ্গে কোথাও একটা তাঁর দূরত্ব ঠিক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ঠিক এরই মধ্যে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ছিল। সম্প্রতি মুকুল রায়ের স্ত্রীকে দেখতে অভিষেকের হাসপাতালে যাওয়া, এই সবকিছু থেকেই তাঁর তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা স্পষ্ট হচ্ছিল।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *