জয়পুরে বন্ধুর স্ত্রীকে ধর্ষণের পরে খুন: ৪ বছরের কন্যা গোপন কথা প্রকাশ করে বলল, কাকা তার মাকে হত্যা করেছে

Mysepik Webdesk: জয়পুরে এক ব্যক্তি ধর্ষণের পরে তার বন্ধুর স্ত্রীকে হত্যা করেছিল। অভিযুক্তরা একে অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হিসাবে বর্ণনা করেছিল। শেষকৃত্যের জন্য প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছিল তারা। তবে এর মধ্যেই নিহতের চার বছরের কন্যা গোপন কথাটি প্রকাশ করে দেয়। পুলিশ জানিয়েছে যে, ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ নভেম্বর। জয়পুরের গোনার রোডের শঙ্করবিহারের বাসিন্দা মহাবীর সিং গুর্জার (৪৩) তার বন্ধুর ৩৫ বছর বয়সি স্ত্রীকে লালসার শিকার বানিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ঘটনার সময় নির্যাতিতার স্বামী ভিওয়াদি গিয়েছিলেন এবং অভিযুক্ত শিশুকন্যাকে টিউশন পড়তে পাঠিয়েছিল। মহিলার একটি ১২ বছরের ছেলে এবং একটি চার বছরের কন্যা রয়েছে।

আরও পড়ুন: সোলার আয়রন সেল চালিত মোবাইল প্যানেল তৈরির জন্য শিশুদের জলবায়ু পুরস্কার পেলেন তামিলনাড়ুর এই কিশোরী

ঘটনাটির পরে আসামি ফোনে মহিলার স্বামীকে জানিয়েছিল, অমুক রোগে তাঁর স্ত্রী মারা গেছেন। তিনি তাকে শেষকৃত্যের জন্য আলওয়ারের শাহজাহানপুরের বেলনী গ্রামে নিয়ে এসেছেন। এটি পীড়িতের পৈতৃক গ্রাম। যখন শেষকৃত্যের প্রস্তুতি চলছিল, সেই সময় নিহতের চার বছরের কন্যা জানায় যে, মহাবীর চাচা তার মাকে হত্যা করেছে। সে মায়ের কাপড়ও সরিয়ে নিয়েছিল। বিষয়টি শুনে পরিবার অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ পোস্টমর্টেমের পরে মহিলার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

আরও পড়ুন: হিমাচলপ্রদেশে বাড়ছে করোনা: কাংরার ডিসি অফিসে ১৫ কর্মীর কোভিড, সিল অফিস

চার বছরের সেই শিশুকন্যা বলেছে যে, ঘটনার দিন মহাবীর চাচা কাছে এসে তাকে জোর করে টিউশনের জন্য পাঠিয়েছিল। তার মা তখন বাধা দিয়েছিল। এরপর মহাবীর সিং শিক্ষককে ফোন করে টিউশনির জন্য পাঠিয়ে দেয় শিশুকন্যাকে। সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে টিউশন থেকে ফিরে এসে দেখে যে, তার মা ফাঁসির দড়িতে ঝুলছে এবং তার গায়ে কোনও কাপড় নেই। মহাবীর সিং তখন গেটে দাঁড়িয়েছিল। গেটটি ভেঙে গেছে। এরপরে মহাবীর সিং শিশুকন্যার মাকে ফাঁসির দড়ি থেকে নামিয়ে গাড়ি করে গ্রামে চলে আসে।  

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *