Latest News

Popular Posts

বাঙালি মননে সংগীতশিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়: একটি আলোকপাত

বাঙালি মননে সংগীতশিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়: একটি আলোকপাত

শোভন হালদার

দেশ তখন সবে স্বাধীন হয়েছে, আকাশবাণী কলকাতায় গান গাইতে চেয়ে স্পেশাল পরীক্ষক বোর্ড বসাতে প্রায় বাধ্য করলেন এক যুবক। বারবার পাশ করতে না পারা সেই যুবকটি জানত যে, বিশেষ পরীক্ষক বোর্ডের কাছেও যদি তিনি ফেল করেন তো আর সম্ভবত কোনোদিনই তাঁর আকাশবাণীর শিল্পী হওয়ার সুযোগ হবে না। গ্রামোফোনের যুগের আকাশবাণী শ্রোতা যে কতদূর বিস্তৃত ছিল, তা ভালোই জানতেন এই যুবক। সেদিন তিনি সফল হয়েছিলেন। এরপরে গ্রামোফোন থেকে ক্যাসেট যুগ পেরিয়ে সিডি ডিভিডির যুগেও তিনি স্বমহিমায় বিরাজ করে গেছেন। তিনি দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়।

গানের শুরু সভ্যতার সঙ্গে সঙ্গেই। সংগীতের মধ্যে দিয়ে যেমন একদিকে মনের ক্লান্তি দূর হয়, অন্যদিকে দুঃখ ও আনন্দেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটে। প্রাচীনকালে দেবালয় থেকে রাজদরবারে সংগীত ভিন্নমাত্রা পেয়েছিল আর এই ধারা বহমান ছিল মধ্যযুগের ভারতেও। আধুনিক ভারতে যাত্রাপালা ও ব্রিটিশ বিরোধিতার সঙ্গে হাত ধরে বিস্তৃত হয়েছিল গানের দিগন্ত। এই সময়ে ক্রমে বাঙালির মনের দরবারে স্থান করে নেবার দিকে একটু একটু করে এগোচ্ছিলেন যিনি, তিনি দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়। জন্ম থেকে বড় হওয়ার মধ্যে তিনি দেখেছেন দেশের স্বাধীন হওয়া থেকে দেশভাগ। ছোট্ট একটা চাকরিতে ঢুকেছিলেন তিনি। সঙ্গে করতেন গান।

আরও পড়ুন: ধর্ম বিশ্বাস

গানের সঙ্গে ভারতীয়দের যোগাযোগ আজকের নয়। সাম বেদের সঙ্গে গানের ভাবনার যোগ সর্বজনস্বীকৃত। ঈশ্বর বন্দনায় সুরের প্রাধান্য চিরকালের। অষ্টাদশ শতাব্দীর শাক্ত সংগীত, পাঁচালি গান থেকে আধুনিক কালের থিয়েটারের গান, এই বিস্তৃত যাত্রাপথের কেন্দ্রে ছিলেন শ্রোতা। শ্রোতাই যেন ঈশ্বর। শ্রোতার শর্তে শিল্পী হয়েছেন মহান। বিশ শতকের বাংলা গানের জগতে এই ঈশ্বরকে তুষ্ট করে চিরস্থায়ী হয়ে আছেন দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় আজও বাঙালির মনে।

বিংশ শতকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এমন কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়, যা বাঙালির রুচি, অভ্যাস, চাল-চলন ও মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তন এনে দেয়। এর সুস্পষ্ট ছাপ পড়েছিল সংগীত জগতে। চলচ্চিত্রের আত্মপ্রকাশ, অল ইন্ডিয়া রেডিয়োর যাত্রা শুরু এক্ষেত্রে অন্যতম। আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রের অনুরোধের আসরের মতো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে একদিকে ভালো সংগীতজ্ঞের আবির্ভাব যেমন ঘটেছিল, তেমনি অন্যদিকে বাংলা গানের শ্রোতার পরিধিও বিস্তৃত হয়েছিল। আধুনিক বাংলা সংগীতের জগতে এইভাবেই এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়ের শুরু হল।

আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি: স্বাধীনতা পূর্ব

এই অধ্যায়েই আছেন আধুনিক বাংলা গানের স্বর্ণযুগের এক অন্যতম কিংবদন্তি দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়। তিনি ঔপনিবেশিক ভারতে ১৯২৭ সালে ১২ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার এক বনেদি ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান ছিলেন তিনি। যৌথ রক্ষণশীল পরিবারের মধ্যে তাঁর শৈশব-জীবন অতিবাহিত হয়েছিল। তাঁর ঠাকুরদাদা ছিলেন পেশায় সুচিকিৎসক। ব্রাহ্মণ পরিবারের সর্বময় কর্তা ছিলেন তাঁর ঠাকুরদাদা। তাঁর পিতা ছিলেন পেশায় ব্যবসায়ী। এই পরিবারে সেভাবে গান-বাজনা হত না বটে, কিন্তু সুরের রেশ ছিল। দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের কাকাবাবু একটু-আধটু গান গাইতেন, তবে তা খুব ঘটা করে নয়। বাড়িতে গানের সমঝদার ছিল কম, কিন্তু একনিষ্ঠ শ্রোতা অবশ্যই ছিল। তিনি দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়।

দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের মেট্রিকুলেশন পরীক্ষার সময় তাঁর ঠাকুরদাদা হঠাৎ প্রয়াত হবার সূত্রে মুখার্জি পরিবার আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। সেই সূত্রে কাজের সন্ধানে পথে নামেন শিল্পীও। একটি চাকরিও পেয়ে যান। এতে সংসার একটু মজবুত ও দৃঢ় হল বটে, কিন্তু মনের মধ্যে ছিল গান গাইবার বাসনা।

আরও পড়ুন: সম্বুদ্ধজাতিকা (অংশ ২৪)

বিংশ শতকে প্রায় একমাত্র বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দীর্ঘদিন রাজত্ব করেছিল আকাশবাণী। বেতার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনন্দে মুখরিত হতেন শ্রোতারা। আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রে সেই সময় অনুরোধের আসরের নিয়মিত শ্রোতা ছিলেন দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়। এই অনুষ্ঠানের অনুপ্রেরণায় ও উৎসাহ পেয়েই বলা চলে তিনি ভালো শ্রোতা থেকে শ্রেষ্ঠ সংগীত শিল্পী ও সুরকার হয়ে উঠলেন তিনি। তিনি ভালো খেলাধুলাও করতেন। এসবের মধ্যেই পণ্ডিত কাশীনাথ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ক্লাসিকাল গানের প্রথম হাতেখড়ি হয় তাঁর। এছাড়াও তিনি পঙ্কজ কুমার মল্লিক, অনাদি ঘোষ দস্তিদার, শ্রীসুশান্ত লাহিড়ী, নিহার বিন্দু সেন প্রমুখ সংগীত-জগতের কিংবদন্তি নায়কদের কাছে সংগীতের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন।

কেমনভাবে শুরু হয়েছিল তাঁর প্রথম গান গেয়ে অর্থ উপার্জনের পথ চলা, আসা যাক সে-কথায়। রামমোহন লাইব্রেরিতে একটি গানের অনুষ্ঠানে সংগীতজ্ঞ সুশান্ত লাহিড়ী হাত ধরে তিনি অকস্মাৎ হাজির হয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী পঙ্কজ কুমার মল্লিক, কে সি দে, এইচ ডি বর্মন প্রমুখ সংগীত ব্যক্তিত্ব। এই অনুষ্ঠানে শ্রোতা হিসেবে তিনি গেলেও গান গাইবার একটা সুযোগ এসে যায় তাঁর কাছে। তিনি মঞ্চে গান পরিবেশন করলেন। অনুষ্ঠান শেষে পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ৫ টাকা। সেই তার শুরু। সুশান্ত লাহিড়ীর হাত ধরে ঘটনাক্রমে সেই অনুষ্ঠানেই তাঁর শিল্পী হিসেবে যাত্রার শুরু বলা যায়।

বিংশ শতকে শীতের রাতে গানের জলসা অনুষ্ঠান লেগেই থাকত, কোভিড পেরিয়ে এই দৃশ্য আজ বিরল। এমন একাধিক জলসায় তিনি গেছেন। জয় করেছেন মানুষের মন।

আরও পড়ুন: কালীকথা

দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় আকাশবাণীতে বেতার অনুষ্ঠানে জগন্ময় মিত্র, সত্য চৌধুরী, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় প্রমুখ সংগীতজগতের দিক্‌পাল ব্যক্তিত্বর মতোই গান পরিবেশনের স্বপ্ন দেখতেন। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন সবেমাত্র শেষ হল, ঠিক সেই সময় দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় প্রথম বাংলা গানের রেকর্ডিং করেছিলেন। ১৯৪৬ সাল ছিল তাঁর জীবনের স্মরণীয় ঘটনাটি ঘটে। কারণ তিনি সে-সময়েই আকাশবাণী অল ইন্ডিয়া রেডিয়োতে একজন শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন এবং কলম্বিয়া রেকর্ডিং সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ১৯৪৮ সালের শেষের দিকে সংগীত-জগতের রত্ন দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় পেশাদারি গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। এরপর ১৯৪৯ সালে গানকে একমাত্র পেশা করেই পুরোপুরি চাকরি ছেড়ে দেন।

স্বাধীনতার পরে গণনাট্য সংঘের ভাবনার সঙ্গে যোগাযোগও ঘটেছিল তাঁর। গণনাট্যের ভাবনার সঙ্গে দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের সংযোগ ঘটেছিল তাঁর ভাইয়ের হাত ধরে। এখানেই বিশিষ্ট চলচ্চিত্র সংগীত সুরকার সলিল চৌধুরির সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ হয়। তিনি জনপ্রিয় বাংলা মৌলিক গানের পাশাপাশি বহু হিন্দি গানের সৃজনে ভূমিকা নিয়েছিলেন। এই সূত্রে দ্বিজেনবাবুর গলায় এলো হিন্দি গানও। সলিল চৌধুরীর হাত ধরে তিনি বোম্বাই (মুম্বই)-তে এসেছিলেন। এখানে এসে তিনি ছ’টি হিন্দি চলচ্চিত্রে গান গেয়েছিলেন। মনে রাখার মতো এরকম কয়েকটি চলচ্চিত্র হল ‘হানিমুন’ (১৯৬০), ‘মায়া’ (১৯৬১), ‘সপন সুহানে’ (১৯৬১)। বোম্বাইতে লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গেও তিনি দ্বৈত কণ্ঠে গান পরিবেশন করেছিলেন। এভাবেই দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় বাংলা মৌলিক গান ও হিন্দি চলচ্চিত্রের গানের শিল্পী হয়ে উঠেছিলেন। তিনি প্রায় ১৫০০টি-র বেশি গান রেকর্ড করেছিলেন। এরমধ্যে রবীন্দ্রসংগীত গেয়েছিলেন প্রায় ৮০০টি। তিনি রবীন্দ্রসংগীত গেয়েও খ্যাতির শীর্ষে বিরাজমান ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প অবলম্বনে ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ (১৯৬০)-এ তাঁর গান জয় করেছিল বাঙালি মনন। এছাড়া ‘সন্ধারাগ’, ‘বন পলাশীর পদাবলী’ ছবিতে গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তিনি ও সলিল চৌধুরী একই সঙ্গে ‘শ্যামল বরণী ওগো কন্যা’, ‘ক্লান্তি নামে গো’— এই সমস্ত গানগুলি ভক্তদের উপহার দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয় চতুর্দশপদী কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কবিতা ‘রেখো মা দাসের মনে’, ‘আশার ছলনে ভুলি’— এগুলিতে কণ্ঠে দিয়ে তিনি সংগীত-জগতে নজির সৃষ্টি করেছেন।

আরও পড়ুন: হানাবাড়ির কথা

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। এইসময় গান অন্যমাত্রা পায়, শ্রোতাও গায়কদের মধ্যে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়। গোটা বাঙালি জাতির মধ্যে শিহরণ জেগে ওঠে। দুর্গাপুজোর প্রাক্‌মুহূর্তে মহালয়ার শুভক্ষণে ভোর চারটের সময় আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্র থেকে অত্যন্ত জনপ্রিয় বেতার অনুষ্ঠান ‘মহিষাসুরমর্দিনী’-তে সংগীত নাটকের অংশ হিসেবে ভক্তিমূলক গান ‘জাগো দুর্গা’ পরিবেশন করে দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় আরেকবার মন জয় করে নিয়ে করে নিয়েছিলেন।

সংগীত রচয়িতা, সুরকার ও সহশিল্পীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল সুখকর। সংগীত জগতে এক অনবদ্য শিল্পী ছিলেন দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়। ভক্তের ডাকে তিনি বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে গেছেন বারবার। অনুষ্ঠান করতে ঘুরেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও। ১৯৫৬ সালে ভারতীয় সৈনিকদের গান শোনাতে তিনি লাদাখ গিয়েছিলেন এবং রক্ষাকর্তা সৈনিকরা তাঁর গান শুনে আনন্দে মুখরিত হয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক মহলেও তিনি খ্যাতির শীর্ষে বিরাজমান ছিলেন। ভারতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে তিনি বিদেশ সফর করেছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়ায় শ্রোতাদের গান শুনিয়ে আনন্দ দিয়েছিলেন। সংগীতের জগতেও বিশ্ব সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লাভ করেছিলেন ভারতমাতার সন্তান দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়। তাঁর শ্রোতার তালিকায় ছিলেন যুগোস্লাভিয়া রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটো থেকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ। শ্রোতার তালিকায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু থেকে ইন্দিরা গান্ধিও। ২০১০ সালে তিনি ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মভূষণ ও সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক তিনি বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হন।

আরও পড়ুন: রানাঘাটের শরীরচর্চার ইতিহাস

ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠশিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় ২০১৮ সালে ২৪ ডিসেম্বর পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নেন। আজও জলসায় কান পাতলে শীতের আমেজে বাজে তাঁর গান,

‘একদিন ফিরে যাব চলে
এ ঘর শূন্য করে
বাঁধন ছিন্ন করে…
যদি চাহ যেও ভুলে…’

ভুলে না যাওয়া এই মানুষটি এভাবেই অনেক স্মৃতির মধ্যে দিয়ে অমর হয়ে আছেন বাঙালি মননে।

প্রসঙ্গ সূত্র
১) গোলাম মুরশিদ, হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি, অবসর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
২)দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারের অংশবিশেষ (আকাশবাণী কলকাতা কেন্দ্রে) পুনঃপ্রচার, ১৬.১০.২০২১, সময় রাত ৯টা। https://youtu.be/1K9txvbxk-s
৩) কবীর সুমন, কোন পথে গেল গান, জেনেরিক, কলকাতা।
৪) প্রিয়দর্শী চক্রবর্তী (সম্পাদিত) জীবন উজ্জীবন এবং…, দে’জ পাবলিশিং, কলকাতা।

লেখক অন্নপূর্ণা মেমোরিয়াল কলেজ অব এডুকেশন (কাকদ্বীপ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা)-এর মাস্টার অব এডুকেশনের ছাত্র।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *