পেটের টানে হাঁড়িয়া বিক্রি করছেন জাতীয় গেমসে পদকজয়ী, খবর সামনে আসতে টনক নড়ল সরকারের

Mysepik Webdesk: দেশের অন্যতম ক্যারাটে আইকন বিমলা মুণ্ডা। রাঁচির তরুণী। একসময় ঝাড়খণ্ডের প্রতিনিধিত্ব করে জিতেছিলেন রুপোর পদক। ২০১২ সালে অক্ষয় কুমার আয়োজিত চতুর্থ কুডো প্রতিযোগিতায় তিনি পেয়েছিলেন স্বর্ণপদক। ২০১১ সালের ৩৪তম জাতীয় গেমসে তিনি ঝাড়খণ্ডের হয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। তাছাড়াও পেয়েছেন অসংখ্য পদক। তবে এখন অনটনে দিন গুজরান করছেন বিমলা। ক্যারাটের রিং ছেড়ে ভুখা পেট চালাতে তিনি এখন হাঁড়িয়া বিক্রি করছেন। দুর্ভাগ্যক্রমে জাতীয় এই ক্রীড়াবিদ দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে দেশি মদ বিক্রি করে আপাতত যত্ন নিচ্ছেন তাঁর পরিবারের। এমন ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

আরও পড়ুন: কোচ হিসাবে বাংলাদেশের ক্লাবে যোগ দিচ্ছেন সুব্রত ভট্টাচার্য

একটি নিউজ চ্যানেলে স্বর্ণপদক বিজয়ী বিমলা মুণ্ডার গল্পটি দেখানোর পরে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বিমলার দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে গুরুত্বসহকারে নজর দিয়েছেন। এরপর আশা করা হচ্ছে যে, এই ক্রীড়াবিদকে আর্থিক সংকটে আর পড়তে হবে না। বিমল আর ভাগ্য খুব শীঘ্রই হয়তো বদল হতে চলেছে। কারণ ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর তরফে ঘোষণা করা হয়েছে যে, এক মাসের মধ্যেই বিমলা মুণ্ডাকে সরাসরি নিয়োগের সুবিধা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ট্রফি পাওয়ার দিনে অন্য রকম উদ্‌যাপন আই লিগ জয়ের

হেমন্ত সোরেন জানিয়েছেন সরকার এই ক্রীড়াবিদকে সম্ভাব্য সকল উপায় সহায়তা করতে চায়। ইতিমধ্যেই তাঁর জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ এক ওয়েব পোর্টাল। যা গতকাল থেকেই একটি সর্বজনীন ডোমেনে রাখা হয়েছিল। এই পোর্টালের সহায়তায় খেলোয়াড়েরা ফোরামের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবেন।

खेल से मालामाल झारखंड: लेकिन नहीं मिलती सुविधाएं, खिलाड़ी बिता रहे ऐसी  जिंदगी

উল্লেখ্য যে, আট বছর আগে তৎকালীন রাজ্য সরকার ৩৩ জন খেলোয়াড়কে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাতে বিমলারও নাম ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসে সমস্ত নথিপত্র সংক্রান্ত কাজ হয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতিমতো চাকরিতে যোগদানের ডাক আসেনি। এরপর একটি কোচিং সেন্টার চালাচ্ছিলেন বিমলা। তবে এই করোনাকালে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। ফলত, রোজগারে পড়ে টান। দীনতা ঘিরে ধরে তাঁর পরিবারকে। তবুও তো বাঁচতে হবে। সেই বাঁচার তাগিদ থেকেই তিনি বেছে নেন হাঁড়িয়া বিক্রির পথ। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই টনক নড়ে সরকারের। এখন দেখার, এরপর এই ক্রীড়াবিদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় কিনা।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *