আত্মহত্যা জাতীয় হকি খেলোয়াড় গুরশরণ সিংহের

Mysepik Webdesk: এজি অফিসে জাতীয় হকি খেলোয়াড় এবং হিসাবরক্ষক পদে নিযুক্ত গুরশরণ সিংহ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গুরশরণের মৃতদেহ দোরান্দার এজি কলোনিতে সরকারি কোয়ার্টারে নিজেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। রবিবার গভীর রাতে ঘটনাটি জানা গেছে। ২৮ বছর গুরুশরণ সিংহ পঞ্জাবের বাসিন্দা। তিনি কয়েক বছর ধরে রাঁচিতে বাস করছিলেন। রাঁচি খেলার আগে তিনি পঞ্জাব থেকেই জাতীয় প্রতিযোগিতায় খেলেছিলেন।

আরও পড়ুন: ব্যাডমিন্টন শিবিরে জায়গা না পেয়ে অগ্নিশর্মা পারুপল্লি কাশ্যপ

গুরুশরণের আত্মহত্যার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দোরান্দা থানার এসআই শশী শেখর জানান, মরদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য রাঁচির স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আসার পরে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে এখনও অবধি তদন্তে কোনও বিবাদ বা হতাশার প্রশ্ন প্রকাশিত হয়নি। পাওয়া যায়নি কোনও সুইসাইড নোটও। এক্ষেত্রে গুরুশরণ কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন, তা পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই জানা যাবে।

আরও পড়ুন: প্রথম ফাস্ট বোলার হিসাবে ৬০০ উইকেট জিমির

প্রাপ্ত তথ্য মতে, গুরুশরণ মঙ্গলবার পঞ্জাবে বসবাসরত তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফোন তোলেননি। একাধিক কল করার পরেও যখন গুরশরণ ফোন ধরেননি। তখন গুরুশরণের পরিবার রাঁচির বাসিন্দা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় রাজন সিংকে ডেকে গুরশরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল। রাজন সিংও এজি অফিসে কাজ করেন। তিনি গুরশরণের সরকারি কোয়ার্টারে পৌঁছে দেখেন যে, ভিতরে থেকে তালাবন্ধ দরজা। দরজায় নক করার পরেও গুরশরণ দরজা না খোলায় সন্দেহ বাড়ে। এরপর দরজায় জোরে ধাক্কা দিয়ে রাজন সিংহ ভেতরে ঢুকে দৃশ্যটি দেখে হতবাক হয়ে যান। এর পরে রাজন প্রথমে সোসাইটির তত্ত্বাবধায়ককে বিষয়টি সম্পর্কে জানান। তারপরে দোরান্দা থানায় খবর দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: দারিদ্র্যের শিকল ভেঙে অর্জুন পুরস্কার সারিকার

গুরুশরণের আত্মহত্যার খবর পঞ্জাবে বসবাসকারী তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছেও পাঠানো হয়। গুরুশরণ একজন প্রতিশ্রুতিবান হকি খেলোয়াড় ছিলেন। পঞ্জাবের হয়ে হকি খেলতেন। স্পোর্টস কোটা থেকে তিনি এজি অফিসে চাকরি পেয়েছিলেন। তার পরে তাঁকে রাঁচিতে স্থানান্তর করা হয়। তিনি হিসাবরক্ষক হিসাবে রাঁচিতে ছিলেন। অবিবাহিত গুরুশরণ সরকারি আবাসে একাই থাকতেন।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *