Latest News

Popular Posts

নববর্ষ উদ্‌যাপন এবং ভারতের বৈচিত্র্য

নববর্ষ উদ্‌যাপন এবং ভারতের বৈচিত্র্য

অনিন্দ্য বর্মন

বর্তমান পৃথিবীর মানচিত্রে আনুমানিক ২১৬টি দেশ আছে। বিশ্ব রাষ্ট্রসংঘ (ইউএনও)-এর খাতায় উল্লিখিত আছে ১৯৩টি দেশ। বিশ্ব ফুটবল সংস্থা (ফিফা)-র খাতায় উল্লিখিত আছে ২১১টি দেশ। মাত্র ৪-৫টি দেশ ছাড়া, অন্য সব দেশেই গ্রেগরিয়ান পঞ্জি (ক্যালেন্ডার) মানা হয়। সেই অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর বছর শেষ এবং ১ জানুয়ারি নতুন বছরের সূচনা। এই বিষয় আমাদের সকলেরই জানা। ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টায় আগামী বছরকে আমন্ত্রণের উল্লাস, উৎসব, বাজি ফাটানো এবং ভোজের সঙ্গে সকলেই পরিচিত। উইশ ইউ আ হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২২।

কিন্তু ভারত বৈচিত্র্যের দেশ। নানা মত, ভাষা, অবস্থান, সংস্কৃতি, রীতি, প্রথা এবং উদ্‌যাপনের দেশ। প্রাক্-বৈদিক যুগ (আনুমানিক ২৫০০ খিস্ট পূর্ব) থেকে শুরু করে বর্তমান অবধি মেনে চলা হয়েছে একাধিক ধরনের পঞ্জিকা। ভারতের ইতিহাসে উল্লিখিত সর্বপ্রথম পঞ্জিকা হল শালিবান শকপঞ্জি। এই পঞ্জিরও দু’টি ভাগ আছে― সূর্যপঞ্জি এবং চন্দ্রপঞ্জি। এটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সঙ্গে অনেকাংশেই মিলে যায়। এর সঙ্গেই বিভিন্ন জাতি এবং ধর্ম বিশেষে প্রচলিত আছে বহু আঞ্চলিক পঞ্জিকা। সেই অনুয়ায়ী ভারতে একাধিক পঞ্জিকা মানা হয়।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের নিউ ইয়ার (১ জানুয়ারি) ছাড়াও পৃথিবীতে একাধিক নববর্ষ পালিত হয়। যেমন― লুনার (চিন), হিজরি (ইসলাম), ওসোগাতসু (জাপান) এবং রোশ হাসনাহাহ (ইহুদি)। কিন্তু ভারতে নানা সংস্কৃতি, ভাষা, জাতি এবং ধর্মের মানুষের বসবাস। প্রত্যেকটি রাজ্য নিজস্ব রীতি এবং প্রথা মেনে নববর্ষ পালন করে। আপেক্ষিকভাবেই হিন্দুপ্রধান দেশের হিন্দু নববর্ষের নাম ‘বিক্রম সম্বৎ’ এবং এই প্রথা মেনেই সমস্ত হিন্দু অনুষ্ঠানের সূচি তৈরি হয়। ভারতের যে রাজ্যগুলি সূর্যপঞ্জি মেনে চলে, সেখানে সাধারণত বৈশাখ মাসকে বছরের প্রথম মাস হিসেবে ধরা হয়। অন্যদিকে চন্দ্রপঞ্জি মেনে নববর্ষ হয় চৈত্র মাসে। এছাড়াও কিছু রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে অন্যান্য সময়েও নববর্ষ পালিত হয়ে থাকে। এই প্রত্যেক ধরনের নববর্ষ উদ্‌যাপনে নতুন পোশাক এবং ভোজের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

প্রথমত দেখা যাক সম্প্রদায় অনুযায়ী ভারতে কোথায় নববর্ষ পালিত হয়―

সিন্ধিদের চেটি চন্দ

সিন্ধি জাতির মানুষদের নববর্ষকে বলা হয় চেটি চন্দ। এর অপর নাম হল ‘ঝুলেলাল’ অথবা ‘দরিয়ালাল জয়ন্তী’। চৈত্র মাসের প্রথম দিনে এই চেটি চন্দ উদ্‌যাপিত হয়। উপকথা অনুযায়ী, ঝুলেলাল হলেন জলের দেবতা বরুণদেবের অবতার। ঝুলেলাল সিন্ধি জাতিকে মুসলিম শাসক মিরিখ শাহ-র অত্যাচার থেকে বাঁচিয়েছিলেন। সিন্ধিরা অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবেই চেটি চন্দ উদ্‌যাপন করে থাকেন। প্রধান আকর্ষণ হল বিভিন্ন রীতি, মেলা এবং খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন।

আরও পড়ুন: বর্ষবরণের আলো জ্বললেও জেল্লা কম ‘একদা রঙিন’ বো ব্যারাকে

মরাঠাদের গুড়ি পাড়ওয়া

মহারাষ্ট্রের মরাঠি এবং কোঙ্কানি হিন্দুরা চৈত্র মাসের প্রথম দিনে নববর্ষ পালন করে। এই পরবের নাম ‘গুড়ি পাড়ওয়া’। রঙ্গোলি (রঙিন আবির দিয়ে তৈরি নকশা) দিয়ে বাড়ি সাজানো হয়। বিভিন্ন রকমের খাবার এবং মিষ্টি বানানো হয়। দরজার ওপরে গুড়ি পতাকা লাগানো হয়। বাঁশ অথবা লাঠির ডগায় রঙিন রেশমের কাপড়, ফুল, নিম এবং আমপাতা লাগিয়ে তৈরি হয় এই পতাকা। তার ওপর লাগানো হয় রুপো অথবা ব্রোঞ্জের কলস (ঘটি)। এই পতাকা হল জয়ের প্রতীক, যা দুষ্টের দমন করে পরিপূর্ণতায় ভরিয়ে তুলবে মানুষের জীবন, এমনই বিশ্বাস।

মুসলিমদের হিজরি

ইসলামীয় এবং আরবের নববর্ষ হল হিজরি। মহরমের মাস হল বছরের প্রথম মাস এবং মহরমের প্রথম দিন হল বছরের প্রথম দিন। এবং এই দিনই হিজরি অর্থাৎ নববর্ষ। ৬২২ সালে নবী মহম্মদ সা. এবং তাঁর অনুচরদের মক্কা থেকে মদিনা যাত্রাকে ‘হিজরত’ বলা হয়। এই দিনটাই ‘হিজরি’ হিসেবে পালিত হয়। মসজিদে নামাজের পর উপহার আদানপ্রদান করা হয় এবং জমাটি ভোজের আয়োজন হয়।

আরও পড়ুন: প্রেমের ২৭

পারসিদের নউরোজ

ইরানিয়ান এবং পারসি পঞ্জি অনুযায়ী বছরের প্রথম দিন হল ‘নউরোজ’, যা সারা ভারতে পারসিরা উদ্‌যাপন করে থাকেন। অগ্নি উপাসকদের জন্য এই দিনটি বছরের এবং বসন্তের প্রথম দিন। নউরোজ মানে পারস্য ভাষায় নতুন দিন। এই দিন পারসিরা বাড়ি সাজায়। ভারতে মূলত মুম্বই এবং গুজরাতে নউরোজ পালিত হয়। শাহেনশাহী পঞ্জি মতে নউরোজ পালিত হয়। এই পঞ্জিকায় অধিবর্ষ (লিপ ইয়ার) নেই। তাই নউরোজ-এর দিনও বাকি পঞ্জির থেকে আলাদা। ভারতে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে নউরোজ পালিত হয়।

এবার দেখা যাক রাজ্য অনুযায়ী ভারতে কোথায় নববর্ষ পালিত হয়―

অসমের বোহাগ বিহু

রঙ্গোলি অথবা বোহাগ বিহু হল অহমিয়া নববর্ষ। এখানে হিন্দু এবং বৌদ্ধ― দুই রকমের পঞ্জি মানা হয়। বছরের প্রথম মাসের প্রথম দিনটিকে বলা হয় বোহাগ। এটা এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়। বছরের প্রথম দিনটিকে তাই বোহাগ অর্থাৎ উদ্‌যাপন দিয়েই শুরু করার রীতি। বোহাগ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রঙের ব্যবহার করা হয়। তাই একে রঙ্গোলি বিহুও বলা হয়। মনে করা হয় রং হল জীবনের সকল আনন্দ এবং উদ্‌যাপনের প্রতীক।

আরও পড়ুন: প্রতিমার শেষ মাস

ওড়িশার পানা সংক্রান্তি

ওড়িশার নববর্ষ পানা সংক্রান্তির আরেক নাম হল মহাবিষুব সংক্রান্তি। এই সময় সূর্য মেষ রাশিতে প্রবেশ করে। এটি বৈশাখ মাসের প্রথম দিন। এই দিন ওড়িশায় পানা নামক এক ধরনের পানীয় তৈরি করা হয়। এই থেকেই পানা সংক্রান্তি নামকরণ হয়েছে। পানা (মিছরি এবং জল মিশিয়ে তৈরি পানীয়) তৈরি করে তা একটি ছোট কলসিতে ভরে তুলসী গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। কলসির তলায় ফুটো থাকে, যা দিয়ে জল চুঁইয়ে পড়ে। এটা হল বৃষ্টির প্রতীক। এছাড়াও ছাতু, কলা এবং দই মেখে খাওয়ার রেওয়াজ আছে।

তামিলনাড়ুর পুথান্ডু

তামিল পঞ্জির প্রথম দিন শুরু হয় চিথিরাই-তে। এই দিনটিকে পুথান্ডু অথবা ভারুশা পিরাপ্পুও বলা হয়, অর্থাৎ তামিল নববর্ষ। এটা এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়। এই উৎসবের প্রধান উদ্দেশ্য হল আনন্দ, নতুন সুযোগ, সমৃদ্ধি, আশীর্বাদ এবং ভালো স্বাস্থ্য। এই উৎসবে নিম ফুল এবং আমপাতাকে শুভ মনে করা হয়। পাচিদি বলে একটি প্রথাও পালিত হয়। মনে করা হয় এতে সমস্ত পরিবারের মঙ্গল হয়। বিশ্বাস করা হয় যে, যখন ভগবান ব্রহ্মা ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করেন, দেবরাজ ইন্দ্র এই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলেন। পৃথিবী তখন সুখ এবং শান্তিতে পরিপূর্ণ। তাই এখানে এই উপলক্ষে মহাভোজের আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: আফ্রিকার বড়দিন ও তার ইতিহাস

তেলেগুদের উগাড়ি

উগাড়ি পরব মূলত অন্ধ্রের তেলেগুরা পালন করে থাকেন। এই দিনটিকে বলা হয় থিড়ি, যা চৈত্র শুদ্ধ পদ্ম্যামি-র প্রথম দিন। চৈত্র হল প্রথম মাস এবং শুদ্ধ পদ্ম্যামি হল প্রথম দিন। উগাড়ি শব্দটা সংস্কৃত শব্দ যুগাদি থেকে এসেছে। যুগ মানে চার যুগ এবং আদি মানে শুরু। তাই যুগাদি মানে বছরের প্রথম দিন। শালিবান শকের চন্দ্রপঞ্জি মতে, চৈত্র মাসের শুদ্ধ প্রতিপদে উগাড়ি উদ্‌যাপিত হয়। বলা হয়, চৈত্র মাসের শুদ্ধ প্রতিপদেই ভগবান ব্রহ্মা বিশ্ব নির্মাণ করেছিলেন। উগাড়ির সকালে মানুষ স্নান করে নতুন পোশাক পরে। বিভিন্ন রকমের ফুল, মূলত জুঁই ফুল এবং আমপাতা দিয়ে বাড়ি এবং মন্দির সাজানো হয়।

পাঞ্জাবিদের বৈশাখী

বৈশাখী হল শিখ সম্প্রদায়ের নববর্ষ। এই দিনই ১৬৯৯ সালে গুরু গোবিন্দ সিং যোদ্ধাদের নিয়ে খালসা পন্থ তৈরি করেছিলেন। বর্তমানে পৃথিবীর সমস্ত শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ এই দিন নববর্ষ পালন করে। অন্যদিকে, বৈশাখী পঞ্জাবে ফসল ঘরে তোলার দিন হিসেবে উদ্‌যাপিত হয়। এটি নতুন কৃষি বছরের শুরু হিসেবেও দেখা হয়। শহর এবং গ্রাম, দু’জায়গাতেই বৈশাখী উদ্‌যাপিত হয়। রবি শস্য পাকার এবং ফসল কাটার প্রতীক এই উৎসব। নানকশাহী পঞ্জি মতে, এপ্রিলের মাঝামাঝি এই উৎসব উদ্‌যাপিত হয়।

মালায়ালামদের বিশু

বিশু হল মালায়ালাম পঞ্চং-এর মেদাম মাসের প্রথম দিন। এপ্রিলের মাঝামাঝি এই উৎসব উদ্‌যাপিত হয়। কেরল ছাড়া, তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকের কিছু অঞ্চলেও এই উৎসব পালিত হয়। বিশু হল মেষ সংক্রান্তি। সূর্য এই সময় মেশ রাষিতে প্রবেশ করে। সংস্কৃতে বিশু মানে সমান। এই সময়ে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে উত্তর গোলার্ধে আসে। মানুষ নতুন পোশাক পরে এই প্রথা পালন করে। প্রচুর বাজি ফাটানো হয়। এভাবেই কেরলে বিশু উৎসব পালিত হয়।

গুজরাতের বেস্তু বরস

গুজরাতি নববর্ষকে বেস্তু বরস অথবা বর্ষা প্রতিপদ এবং পাড়ওয়া বলা হয়। কালীপুজোর পর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং গোবর্ধন পর্বতকে পুজো করা হয়। কার্তিক মাসের প্রথম উজ্জ্বলতম দিন― কার্তিক সুদ একম-এ পালিত হয় এই উৎসব। এই রাজ্যের প্রথম অর্থনৈতিক দিন। আলো দিয়ে সাজানো হয় ঘর-বাড়ি। মানুষ নতুন পোশাক পরে মন্দির যায়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধন পর্বত তুলে ব্রজের মানুষকে মহাবৃষ্টির থেকে রক্ষা করেছিলেন। এই দিনটি সেইভাবেই আনন্দ এবং উৎফুল্লতার সঙ্গে উদ্‌যাপিত হয়।

সিকিমের লুসুং

সিকিমের নববর্ষ সোনাম লোসার অথবা লুসুং ডিসেম্বর মাসে পালিত হয়। এটি বহু প্রাচীন এবং জনপ্রিয় উৎসব। কৃষিকার্যের শেষ হিসেবে এই উৎসব চিহ্নিত হয়। এর একটি প্রধান আকর্ষণ হল স্থানীয় ছম নাচ।

কাশ্মীরের নেভরে

কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নববর্ষ উদ্‌যাপনের দিন হল নেভরে। শব্দটি এসেছে সংস্কৃত নববর্ষ থেকে। চৈত্রের শুক্ল প্রতিপদে এই উৎসব পালিত হয়। একটি বিশেষ রীতিতে থালা সাজানো হয়। ধান, রুটি, টক দই, নুন, মিষ্টি, বাদাম, অর্থমূল্য, কলম, আয়না, ফুল এবং নতুন পঞ্জিকা দিয়ে এই থালা সাজানো হয়। বাড়িতে কাশ্মীরি যন্ত্রী (কাশ্মীরের সমস্ত প্রদান দিন চিহ্নিত পঞ্জিকা) রাখা হয়।

অরুণাচল প্রদেশের লোসার

তিব্বতি পঞ্জির সবথেকে বড় উৎসব হল লোসার, যা তিব্বতিদের নববর্ষ। এই দিনটি চিনা নববর্ষের কাছাকাছি সময়ে ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চে পালিত হয়। প্রায় ১৫ দিন ধরে উৎসব চলে। লোসার শব্দের উৎপত্তি লো অর্থাৎ নতুন এবং সার অর্থাৎ বছর। তিব্বতি মতে, বছরের প্রথম দিন থেকে ১৫তম দিন অবধি লোসার পালিত হয়। দৈনন্দিন কাজ সাধারণভাবে সারা হলেও লোসারের প্রথম তিনদিন বিরাট অনুষ্ঠান করা হয়। এই উৎসবে ধার্মিক বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়। নতুন পোশাক পরে মঠে প্রার্থনায় উপস্থিত হয় সবাই। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের উপহারও দেওয়া হয়।

বাংলার পয়লা বৈশাখ

পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ পালিত হয় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে। পয়লা বৈশাখ। নাচ, গান, ভূরিভোজ এবং উদ্‌যাপনে মেতে ওঠে মানুষ। বারো মাসে তেরো পার্বণের বাংলা দোল উৎসবের পর মেতে ওঠে নববর্ষ উদ্‌যাপনে। নানান আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হয় নববর্ষ পালন। দোকানে দোকানে চলে গণেশ-লক্ষ্মীপূজা। অনেক বাঙালি ব্যবসায়ীই এই বিশেষ দিনটিতে হালখাতা দিয়ে ব্যবসার আর্থিক বছরের হিসেব-নিকেশ রাখার সূত্রপাত করেন।

গোয়ার নিউ ইয়ার

ভারতের প্রায় সব রাজ্যেই নিউ ইয়ার পালিত হয় ১ জানুয়ারি। গোয়ায় এই উৎসব আলাদা মাত্রা পায়। গোয়ায় খ্রিস্ট ধর্মের মানুষ অনেক বেশি। তাই নিউ ইয়ার্স ইভ (৩১ ডিসেম্বর) এবং নিউ ইয়ার (১ জানুয়ারি) সেলিব্রেশন এখানে বিরাট উৎসবের সময়। সঙ্গে থাকে বিভিন্ন খাবার এবং পানীয়ের সম্ভার।

এমনই বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন পঞ্জিকা মেনে ভারতে পালিত হয় নববর্ষ। হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২২।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

One thought on “নববর্ষ উদ্‌যাপন এবং ভারতের বৈচিত্র্য

  1. খুব ভালো লিখেছিস। বেশিরভাগটাই অজানা ছিল। এমন তথ্যসমৃদ্ধ লেখা বারেবারে চাই। নতুন বছরে হার্দিক প্রীতি, শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা জানাই। খুব ভালো থাকিস, সৃজনে থাকিস।

Leave a Reply to প্রসূন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *