Latest News

Popular Posts

মইরাং-এ নতুনভাবে গড়ে ওঠা আইএনএ যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ এবং মিউজিয়াম রং লাগাল নেতাজির ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে

মইরাং-এ নতুনভাবে গড়ে ওঠা আইএনএ যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ এবং মিউজিয়াম রং লাগাল নেতাজির ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে

Mysepik Webdesk: মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার অধীনে একটি ছোট শহর মইরাং। ইম্ফল থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মইরাং-এর গুরুত্ব অপরিসীম। মইরাং সেই জায়গা, যেখানে সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ বাহিনী ব্রিটিশ বাহিনীকে পরাজিত করার পর ভারতে প্রবেশ করেছিল। ১৯৪৪-এর ১৪ এপ্রিল এই মইরাং-এ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (আইএনএ) ভারতের তিরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: আম্বালা পার্কে প্রদর্শিত হবে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জীবন কাহিনি

এখানেই গড়ে উঠেছে একটি ওয়ার মিউজিয়াম। আগেও এখানে একটি স্মৃতিসৌধ ছিল বটে, তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা ধুঁকতে বসেছিল। এমনকী এখানে নেতাজির যে মূর্তিটি ছিল, কয়েক বছর আগে দুষ্কৃতীরা তা ভাঙচুর করেছিল। সম্প্রতি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (আইএনএ)-র যুদ্ধ স্মৃতিসৌধের কাজ শেষ হয়েছে মণিপুরে। ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের বিষ্ণুপুর জেলার মইরাং-এ এই ‘ওয়ার মেমোরিয়াল’ তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়াও এখানে স্থাপন করা হয়েছে উত্তর-পূর্বের সবচেয়ে উঁচু নিশানদণ্ড-ও।

সম্প্রতি একথা জানিয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। তিনি বলেছেন, “এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয় যে, ময়রাং-এ আইএনএ ওয়ার মেমোরিয়াল সম্পূর্ণ হয়েছে। উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির মধ্যে সবচেয়ে উঁচু নিশানদণ্ড স্থাপন করা হয়েছে এখানে।” তিনি আরও বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে বলছি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জাদুঘরটি মণিপুরের জনগণের কাছে উন্মোচিত করবেন।” মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়— “যাই হোক না কেন, আমি নেতাজিকে ভুলতে পারি না। আমি মণিপুরিদের স্বাধীনতা আন্দোলনের এই কিংবদন্তিকে ভুলতে দেব না। তাই আমি গুজরাত থেকে সবচেয়ে লম্বা খুঁটি এবং জাতীয় পতাকা নিয়ে এসেছি। এর উচ্চতা প্রায় ১৫৩ মিটার।”

আরও পড়ুন: কলকাতা পুরসভার জঞ্জালের স্তূপ থেকে উদ্ধার নেতাজির বহু দুষ্প্রাপ্য নথি

বীরেন সিং জানান, কয়েক একর জমিও অধিগ্রহণ করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অধ্যুষিত এই অঞ্চলেই মিত্রবাহিনী আক্রমণ করেছিল। এখানকার পরিবারগুলিকে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি ও বাড়ি মণিপুর সরকারের তরফে অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এলাকাটি নেতাজির আইএনএ-কে স্মরণ করবার জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। বীরেন সিংয়ের মতে, “এর ফলে নেতাজির ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি উপযুক্ত শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে।” উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগে প্রায় ২২টি প্রকল্পের উদ্বোধন করতে মঙ্গলবার মণিপুর পৌঁছেছেন নরেন্দ্র মোদি।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন।

Related Posts

One thought on “মইরাং-এ নতুনভাবে গড়ে ওঠা আইএনএ যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ এবং মিউজিয়াম রং লাগাল নেতাজির ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে

Leave a Reply to Ritwika Biswas Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *