Latest News

Popular Posts

শুধু বুথের বাইরেই নয়, ভেতরেও চলেছিল গুলি! শীতলকুচির তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিটের

শুধু বুথের বাইরেই নয়, ভেতরেও চলেছিল গুলি! শীতলকুচির তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিটের

Mysepik Webdesk: একুশে নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় আসলে তিনি শীতলকুচির ঘটনার শেষ দেখে ছাড়বেন। তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর তিনি তাঁর কথা রেখেছিলেন। ভোটের দিন শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ১২৬ নম্বর বুথে গুলি চালানোর ঘটনার তদন্ত করতে তিনি একটি সিট গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিটের তত্ত্বাবধানে ওই ঘটনার তদন্ত চলছে জোরকদমে। অভিযুক্ত পুলিশ-প্রশাসন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, প্রত্যেকের ভূমিকাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারই মধ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল। সিআইডি অফিসাররা তদন্তে নেমে জানতে পেরেছেন, ওই অভিশপ্ত দিনে দিন শুধু বুথের বাইরেই নয়, ভেতরেও গুলি চলেছিল, কারণ ভেতরেও গুলির চিহ্ন পেয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: ত্রাণের ত্রিপল চুরির অভিযোগে FIR শুভেন্দু-সৌমেন্দুর বিরুদ্ধে

ওই দিন কে গুলি চালিয়েছে, কেন চালিয়েছে, কোন আগ্নেয়াস্ত্র থেকে চালানো হয়েছিল, এই বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। যদিও গুলি চালানোর পর কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আত্মরক্ষার্থেই তাঁদের গুলি চালাতে হয়। এই যুক্তি মেনে নিলেও সন্দেহ দানা বাঁধছে অন্য জায়গায়। সমস্যা তো বুথের বাইরে ছিল, তাহলে বুথের ভেতরে ব্ল্যাকবোর্ডে কীভাবে মিলল গুলির চিহ্ন? এই প্রশ্নগুলিরই এখন উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছে তদন্তকারী দল। ইতিমধ্যেই ওই বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একের পর এক আধিকারিককে তলব করে যাচ্ছেন গোয়েন্দারা। জেরা করা হয়েছে মাথাভাঙা থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকারকে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে ওই দিন আরটি মোবাইল অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকা এসআই গোবিন্দ মণ্ডলের ভূমিকাও।

আরও পড়ুন: দাম বাড়ছে পেঁয়াজের, আগামী দিনে অন্যান্য সবজিরও দাম বাড়ার আশঙ্কা

প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল শীতলকুচিতে ভোট চলাকালীন জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথে সকাল থেকেই গন্ডগোল শুরু হয়। গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মৃত্যু হয় সমিউল মিঁয়া, মনিরুল মিঁয়া, হামিদুল মিঁয়া এবং নূর ইসলাম মিঁয়ার। দেবাশিস ধর রিপোর্টে বলেছিলেন, প্রায় ৩০০ জন গ্রামবাসী কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ফেলে তাঁদের অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। শূন্যে গুলি চালিয়েও লাভ হয়নি। তারপরেই গ্রামবাসীদের লক্ষ করে গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও শীতলকুচি কাণ্ডে তদন্তের নাম করে আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা দাবি করেছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি দাবি করেছেন, সরকার প্রকৃত ঘটনাই জনসমকক্ষে তুলে ধরতে চায়। যাঁরা নির্দোষ, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই।

টাটকা খবর বাংলায় পড়তে লগইন করুন www.mysepik.com-এ। পড়ুন, আপডেটেড খবর। প্রতিমুহূর্তে খবরের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন। https://www.facebook.com/mysepik

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *