দ্বিতীয় পর্বের ভোটের প্রচারের শেষ দিনে প্রচারে ঝড় জোড়া ফুল এবং পদ্ম শিবিরে

Mysepik Webdesk: পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় পর্বের ভোটের প্রচারের আজ শেষ দিন। এমনই এক গুরুত্বপূর্ণ দিনে বিজেপি এবং তৃণমূল ভোট প্রচারে ঝড় তুলেছে। একদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একটি রোডশো করেছিলেন, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ভাঙাবেড়া থেকে সোনাচূড়া পর্যন্ত হুইলচেয়ারে বসে পথযাত্রায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। শাহ এবং মমতা দু’জনেই কাছাকাছি অবস্থানে রোডশো করেন। যদিও পদযাত্রা নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় পৌঁছলে বিক্ষোভের মুখে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। বিক্ষোভকারীরা জয় শ্রীরাম স্লোগান দেয়।

রোডশো শেষে সংবাদমাধ্যমকে অমিত শাহ বলেন, “গোটা বাংলায় পরিবর্তনের সহজতম উপায় হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রাম থেকে হারানো। আমি নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, আপনারা শুভেন্দু অধিকারীকে কেবল জেতাবেনই না, বরং অনেক বেশি ভোট দিয়ে জেতাবেন।” একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেওয়ার আবেদন করেন। তিনি বলেন, “পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা আপনার মনকে শান্ত রাখুন এবং তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিন।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে অমিত শাহ বলেন, “আমি এখানে এসে এক দুঃখজনক খবর পেলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে সভা করছেন, সেখান থেকে মাত্র ৫ কিমি দূরে এক মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এই জাতীয় ঘটনা যখন ঘটে, তখন কোন সুরে মমতা দিদি মহিলাদের সুরক্ষার বিষয়ে কথা বলেন। আগের দিন একজন বিজেপি কর্মীর মা মারা গিয়েছিলেন। তাঁকে তৃণমূলের গুন্ডারা মারধর করেছিল।”

নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করবেন। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন যে, “বাংলার মানুষ পরিবর্তন চায় এবং এর ভিত্তি নন্দীগ্রাম থেকেই স্থাপন করা হবে। আমরা বাংলায় ২০০টিরও বেশি আসন জিততে চলেছি।”

বঙ্গ ভোটের হট সিট নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ দ্বিতীয় পর্বে অর্থাৎ ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি প্রার্থী এবং একসময় তাঁর নিকটবর্তী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ভোটে লড়বেন। উল্লেখ্য যে, শুভেন্দু গতবছরের নভেম্বর মাসে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *