ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুর বাইরে লাল-হলুদের দুই সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে ধুন্ধুমার

Mysepik Webdesk: এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চত্বরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ময়দানে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। তারাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। উল্লেখ্য যে, ক্লাব কর্তাদের বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিল ক্লাব কর্তাদের সমর্থনকারী গোষ্ঠী। এই ঘটনায় বেশকিছু সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে খবর।

আরও পড়ুন: শুক্রবার উদ্বোধন, তার আগেই শুরু হয়ে গেল অলিম্পিক

এদিন লাল-হলুদ সর্মথকরা দুপুর ১টা নাগাদ লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাব তাঁবুর বাইরে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে উপস্থিত ছিল দুই গোষ্ঠীই, যারা একে অপরের বিরুদ্ধে বাদানুবাদ করতে থাকে। পরবর্তীতে তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, যাঁরা সমর্থনকারী গোষ্ঠীর সদস্য, আলাদা করে তাঁদের যাতে চিহ্নিত করা যায় সেই কারণে নীল-সাদা রিবন পরানো হয়েছিল তাঁদের। লাঞ্চের জন্য তাঁদের আলাদা করে টোকেনও দেওয়া হয়েছিল বলে খবর। এক দলের দাবি ছিল শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে চুক্তিপত্রে সই করুক ইস্টবেঙ্গল। অপরদিকে, অন্য গোষ্ঠীর দাবি ছিল এভাবে সই করা মানে ক্লাবকে একপ্রকার বিক্রি করে দেওয়া। এই নিয়েই তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল লাল-হলুদ ক্লাবের দুই সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে। তবে, ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন যে, পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে। পাঁচজন সমর্থক তাতে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ উত্থান শিখর ধাওয়ানের

এদিকে, ঘটনার পর কলকাতা পুলিশের ডিসি (সাউথ) আকাশ মাঘারিয়া সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, লেসলি ক্লডিয়াস সরণির মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। তবে ঘটনায় বড়োসড়ো কোনও ঘটনা ঘটেনি। গুরুতর জখমও হননি কেউ। জানা গিয়েছে যে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অবস্থা লক্ষ করে বিধায়ক মদন মিত্র তাঁর এক মাসের বেতন কলকাতার এই জায়ান্ট ক্লাবকে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। সূত্রের খবর, চুক্তির জট কাটাতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *