হাফিজ সইফের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি, পাকিস্তান পড়ে রইল ধূসর তালিকাতেই

Mysepik Webdesk: একদিকে অর্থনৈতিক মন্দা, অন্যদিকে সন্ত্রাসবাদীদের মদত দেওয়ার অভিযোগে রাষ্ট্রসংঘের চাপ, এই দুই ফলায় বিদ্ধ হয়েই চলেছে পাকিস্তান। বাড়তি পাওনা হিসেবে তো রয়েছেই দেশের অভ্যন্তরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির ক্রমাগত আন্দোলন। এরই মাঝে আগের মতোই ধূসর তালিকাভুক্ত রয়ে গেল পাকিস্তান। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থ জোগানের উপর নজরদারি চালানো সংগঠন ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স ইমরান খানের দেশকে ফের ধূসর তালিকাভুক্ত করেছে। কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হইবে চিহ্নিত হওয়া সত্ত্বেও কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী হাফিজ সইফের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পাকিস্তান।

আরও পড়ুন: মানতেই হবে লকডাউন, নামানো হচ্ছে সেনা

শুক্রবার ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত রাখারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্যারিসে অবস্থিত এই সংস্থা জানিয়েছে, ইদানিং পাকিস্তান বেশ কিছু সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে ঠিকই, তবে তা যথেষ্ট নয়। এফএটিএফ-এর সভাপতি মার্কাস প্লেয়ার জানিয়েছেন, সন্ত্রাসদমনের জন্য ২০১৮ সালে পাকিস্তানকে ২৭টি শর্তপূরণ করতে বলা হয়েছিল। সেই শর্ত পূরণ করতে পারলে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকা থেকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২৭টি শর্তের মধ্যে পাকিস্তান ২৬টি শর্ত পূরণ করলেও এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পাকিস্তান পূরণ করতে পারেনি। সেই শর্ত হল, লস্কর-ই-তইবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদ, সংগঠনের কমান্ডার জাকিউর রহমান লকভি এবং জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া।

আরও পড়ুন: ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: ফাইজার ও মর্ডানা ভ্যাকসিন নিলে ‘বর্ধিত হৃদ্‌যন্ত্র’! সতর্কতা

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের জুন মাসে পাকিস্তানকে ধূসর তালিকাভুক্ত করা হয়। জানানো হয়, ধূসর তালিকা থেকে নিষ্কৃতি পেতে গেলে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসে মদত দেওয়া ও সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক সাহায্য বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের দেওয়া অ্যাকশন প্ল্যানগুলি মেনে চলতে হবে। সেই থেকেই পাকিস্তান মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ধূসর তালিকা থেকে বের হওয়ার। কিন্তু এবারেও ব্যর্থ হল পাকিস্তান।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *