প্যানকেকগুলি

ক্যাথরিন মেরি গুলদেজার

ওপরে ওঠার সময় কার্ল লক্ষ করল, তার একটা স্কি’র ওপর দিকটায় একটা ফাটল ধরেছে। দাঁড়ানোর পর সেদিকে ভালো করে সে তাকাল। ব্রিজিত্তে আর বাচ্চারা কাছেই একটা ছোট পাহাড়ে রয়েছে। সে তার পিঠের ঝোলা থেকে নরম রবারটা বের করে রোদে গিয়ে বসল। দু’দিন হল বরফ পড়ছে। বরফও তাই শক্ত হয়ে গেছে। কার্ল একটা কমলালেবু আর একটা ছোট ছুরি বের করল। কমলালেবুর খোসা ছাড়াবার সময় তার মনে পড়ল ছোট ভাই হেইনজের কথা। ফ্রেদেরিকসবার্গের কাফে ইনটিমের কাছে সে থাকে। ততক্ষণে তার দু’হাত দিয়ে কমলালেবুর রস গড়াতে শুরু করে দিয়েছে।

একটু পরে সে নিচে নেমে এলো, স্কি দু’টো খুলে ফেলল, ঘরের দরজার পাশে একটা টবের ভেতর চাবিটা দেখতে পেল। সিঁড়িগুলো ছিল পিচ্ছিল, ওঠার সময় সে প্রায় পড়েই যাচ্ছিল। চাবি ঘুরিয়ে দরজা খোলার সময় সে পিছনে একটা শব্দ শুনতে পেল। পিছনে তাকিয়েও কাউকে দেখতে পেল না। আসলে ব্রিজিত্তে আর বাচ্চারা অন্যদিক থেকে ঘরের কাছে চলে এসেছিল। ওরা এত তাড়াতাড়ি ফিরে আসায় কাল একটু বিরক্তই বোধ করল। চাবি দিয়ে দরজা খুলে সে ভেতরে ঢুকল। তাঁর মনে হল, টানা ২৪ ঘণ্টা ধরে নিজের পরিবারের সঙ্গে কাটানো বেশ ক্লান্তিকর একটা ব্যাপার। যদিও ব্রিজিত্তে বাচ্চাদের নিয়ে অনেকটা সময় থাকে না, ছোট পাহাড়ে চলে যায়, তবুও।

আরও পড়ুন: ‘ইউরোপ সেরা’ চেলসির ইতিহাস

বহুদিন ধরেই স্ত্রীর প্রতি কার্ল আর বিশ্বস্ত নয়। এই ব্যাপারটা তার কাছে এখন খুব স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। তার জীবনে অন্য নারী আছে আর এভাবেই চলছে। সে নিজের স্কি’র সময়কার পোশাক খুলে ফেলল এবং মেয়েদেরও খুলতে সাহায্য করল। ছোট মেয়েটা একবোরে অক্টোপাসের মতোই তাকে আঁকড়ে ধরল। সে জানতে চাইছিল। কীভাবে ফায়ারপ্লেস চালানো হয়। যদিও তার বয়স মোটে আট, তবুও কার্ল সেটা তাকে দেখাল। কিছু পুরনো কাগজ জড়ো করে সে দেশলাই জ্বালাল। আগুনের শিখা তার চোখে ঝলসে উঠল আর ধোঁয়ায় ভরে উঠল। চাদ্দিক।

ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল তার প্রথম সচিবের সঙ্গে। মেয়েটিই প্রথম ভাব জমিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে যে এটা চলতে পারে, সেটা বুঝিয়েছিল। অফিসেও সব ঘটত। একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসাবে তখন সে কাজ করে। ডেস্কের ওপর বসে মেয়েটি দু’পা ছড়িয়ে দিত আর কার্ল নিজের প্যান্টটা নামিয়ে দিত গোড়ালির কাছে। এভাবেই চলত। সৌভাগ্য বলতে হবে, কেউ ওদের ওই অবস্থায় দেখে ফেলেনি। অনেকদিন ধরেই এরকম চলেছিল। কিন্তু পরে কার্ল নিজেকে বুঝিয়েছিল, এভাবে চলতে পারে না। সে এরকমটা হতে দিয়েছিল বলে, নিজের কাছে লজ্জাবোধ পর্যন্ত করেছিল।

বাড়ি ফেরার সময় সে হালকা বোধ করছিল। কিন্তু তারপরই যেন আবার তার বিবেক জেগে উঠল। রেড লাইট এলাকায় সে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। সচিব মেয়েটির ডেস্কের ওপর দু’পা ছড়িয়ে বসার দৃশ্যটি তার চোখের সামনে ভেসে উঠেছিল। নিজের হাতের ওপর সে যেন মেয়েটির পাছার ভার টের পাচ্ছিল।

সেদিন রাতেই ব্রিজিত্তেকে সে সব বলতে চেয়েছিল, কিন্তু বলে উঠতে পারেনি। যৌনতাটা যেন তাদের অভ্যাসে দাঁড়িয়ে গেছিল। এটা ছাড়া তাদের দু’জনের চলাই অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। মানসিক সুস্থতা হারিয়ে নেশাগ্রস্তের মতো তারা মিলিত হত। গোটা অফিস বাড়ির যেখানে সেখানে তাদের মধ্যে যৌনতা শুরু হয়ে যেত। শেষপর্যন্ত নিজের কাজে ইস্তফা দেওয়া ছাড়া কার্লের সামনে অন্য কোনও পথ খোলা ছিল না। এত ভালো চাকরিটা ছেড়ে দেওয়ায় ব্রিজিত্তে গোড়ায় একটু অবাক হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত অবশ্য বড় রকম কোনও সমস্যা হয়নি।

আরও পড়ুন: জয়ী

পরের চাকরিতেও গোড়া থেকেই ব্যাপারটা ভুল দিকে মোড় নিল। এবার কোনও সচিব নয়, একজন মক্কেলের পাল্লায় পড়ল সে। মেয়েটিকে গাড়িতে চাপিয়ে সে যাচ্ছিল কোগের একটা পুরনো বাড়ি দেখাতে। হঠাৎ সে জানতে চাইছিল, সে বিবাহিত কি না। কার্ল জবাবে বলেছিল, বিবাহিত তো বটেই, সুখীও।

দ্বিতীয়বার ওই বাড়িটি দেখতে যাওয়ার সময়, দু’জনেই জানত এরপর কী ঘটতে চলেছে। একইসঙ্গে তারা ওই বাড়িতে পৌঁছেছিল। নিজের আলফা রোমিও গাড়িটিকে পার্ক করে মেয়েটি যখন হাঁটছিল, কার্ল তার সঙ্গ নিল। বেশ কিছুক্ষণ কোনও কথা না বলে তারা পাশাপাশি হাঁটছিল। বাড়ির ভেতরে ঘুরে দেখার সময় মেয়েটি তাকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করছিল। সে জবাব দিচ্ছিল আর তাদের মধ্যে কখনও হালকা ছোঁয়া লাগছিল। তারা সিঁড়ি দিয়ে উঠে সবকিছু খুঁটিয়ে দেখছিল আর এটা জেনেই যে, তাদের মনে রয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা ব্যাপার। একসময় তারা বেডরুমে এসে পৌঁছল। ঘর অন্ধকার করে একটা ছোট বাতি জ্বালিয়ে কার্ল মেয়েটির কাঁধ থেকে ব্রার স্ট্র্যাপ সরিয়ে দিচ্ছিল। সে খুব আস্তে মেয়েটি গলায় চুম্বন করেছিল, তারপর জিভ দিয়ে ভিজিয়ে দিয়েছিল তার কান। এরপর কিছুক্ষণ স্তব্ধতার ভেতরে দাঁড়িয়ে কামনা ও বেদনায় জর্জরিত হয়ে তারা একে অপরের শ্বাসপ্রশ্বাস শুনেছিল। আর একটু পরেই মেয়েটির স্তন কার্লের বুক ছুঁয়েছিল আর কার্লের লিঙ্গ ছুঁয়েছিল মেয়েটির যোনিরোম। এতক্ষণ সবকিছুই চলছিল খুব ধীরে, এবার খুব দ্রুত আর হিংস্রতায় সবকিছু ঘটতে শুরু করেছিল। শয্যা প্রস্তুত ছিল, কিন্তু কার্ল মেয়েটিকে ঠেলে নিয়ে গেছিল দেওয়ালের দিকে।

ব্রিজিত্তে গোড়া থেকেই জানত, কার্ল তার প্রতি বিশ্বস্ত নয়। হয়তো কার্ল নিজে ব্যাপারটা বোঝার আগে থেকেই। কিন্তু এটা নিয়ে সে কখনও বেশি ভাবেনি। নিজেকে সে নানা বিলাসে ডুবিয়ে রেখেছিল। এই তো কিছুদিন আগেই সে একটা নতুন গাড়ি কিনেছে। আর কেনই বা নয়? যদিও সে জানে, এটা তাদের পক্ষে চাপের হতে পারে, কিন্তু সে চাপ তো তার সমস্যা নয়। তাদের মধ্যে যেন একটা অলিখিত নিয়মই আছে। তার টাকা চাই আর এটা জোগানোর দায়িত্ব কার্লের।

তাদের প্লেন যত কোপেনহেগেনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, চারপাশের দৃশ্য তত যেন আরও সুন্দর হয়ে উঠছিল। আকাশ ছিল পরিষ্কার। কার্ল আর ব্রিজিত্তে, দু’জনেই দু’টো জানলার পাশে বসেছিল। কোপেনহেগেনের দিকে তাকিয়ে কার্লের ভালো লাগছিল। এখানেই সে সারাজীবন কাটিয়েছে। উত্তেরস্লেভ জলা, হ্রদ আর হাসপাতলের দিকে সে তাকিয়েছিল। এখানকার পরিচিত স্থানগুলো দেখে সে উত্তেজনা বোধ করছিল। আবার একথা ভেবেও বিব্রত বোধ করছিল যে, বাকি বিশ্ব সম্পর্কে কিছুই না জেনে কীভাবে সারাজীবন সে কোপেনহেগেনে কাটিয়ে গেছে। নামার সময় হয়ে গেছিল, কার্টুপে নেমে তারা নিজেদের গাড়ি খুঁজে নিয়েছিল। বাড়ি ফেরার পথে ফ্রেদেরিকসবার্গে হেইনজের সঙ্গে তারা দেখা করেছিল। হেইনজ তাদের সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসার আওয়াজ পেয়েছিল। সে বলতে গেছিল, তারা যেন তাদের জিনিসপত্তর নিচেই রেখে আসে। কিন্তু সেকথা আর বলতে পারল আর তারাও সবকিছু নিয়েই ওপরে উঠে এলো। শুধু তাদের স্কি-গুলো গাড়িতেই রয়ে গেছিল।

আরও পড়ুন: সম্বুদ্ধজাতিকা (৩য় অংশ)

চা-পানের পর হেইনজই গাড়ি চালিয়ে তাদের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিল। গাড়ি চালানোর সময় সে আয়না দিয়ে বারবার ব্রিজিত্তের দিকে তাকাচ্ছিল। হেইনজ যেন ঠিক বুঝতে পারছিল না, কেন সে এভাবে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে! কার্ল বসেছিল একজন নিষ্ক্রিয় যাত্রীর মতোই।

মালোভে তাদের বাড়ির সামনে গাড়িটা দাঁড় করিয়ে হেইনজ গাড়িতেই কিছুক্ষণ বসে রইল। বাকিরা তখন জিনিসপত্র নামিয়ে বাড়িতে ঢোকাতে ব্যস্ত। সে চাইছিল, ওরা তাকে ভেতরে আসতে বলুক। কার্লের পরিবারকে একসূত্রে বেঁধে রাখতে নিজের ভূমিকার কথা ভেবে সে বেশ তৃপ্ত বোধ করছিল। এই কারণে তাদের আমন্ত্রণে সে বাড়ি পর্যন্ত এসেছে। এই কারণেই সে তাদের রান্নাঘরে বসে হাতে একটা বিয়ারের বোতল নিল। সে যেন সবার মধ্যমণি হয়ে বসে রইল। যদিও সেইসময় বাচ্চারা ব্যস্ত হয়ে গিয়েছিল তাদের পোষ্যদের নিয়ে আর বড়রা চিঠিপত্রের খামগুলি খুলে দেখতে।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে কার্ল পকেটে হাত দিয়ে ইস্তেজাদের দিকে পায়চারি করতে গেল। নিজের আগের রিয়েল এস্টেট এজেন্সির চাকরিতে সে আবার ফিরে এসেছে। সোমবার সকালে নিজের বিজনেস পার্টনারের সঙ্গে এই নিয়ে তার অনেক কথাবার্তাও হয়েছে। যদিও কোম্পানি কীভাবে চলবে, কোন মান বজায় রাখবে, এই নিয়ে তারা একমত হয়েছে। কিন্তু কার্লের কাছে যা অসহ্য লেগেছে, তা হল অফিসের পরিবেশ। গত পাঁচ বছরে অংশীদার লোকটি নিজের আত্মীয়-স্বজনে গোটা অফিসটি বোঝাই করে ফেলেছে, যাদের মধ্যে রয়েছে তার নিজের স্ত্রী, পুত্রবধূ এবং বোন। কার্ল ইস্তেজাদের দিকেই যাচ্ছিল, কিন্তু আধ ঘণ্টা পর ঠিক করল, একবার সে অফিসে ঢুঁ মেরে আসবে। বেশ্যা-সঙ্গের কথাও একবার ভাবল, কিন্তু তারপরই সিদ্ধান্ত পালটাল।

আরও পড়ুন: নোটস ফ্রম দ্য ডেড হাউস (৩য় অংশ)

দু’টোর একটু পরে কার্ল সবচেয়ে ছোট মেয়ের একটা ফোন পেল। সে বলল, তার খুব একঘেয়ে লাগছে। সে তার শুয়োরছানার সঙ্গে খেলেছে, তাকে স্নান করিয়েছে, পোশাক পরিয়েছে, এখন তার খুব একঘেয়ে লাগছে। বাবার কাছে সে জানতে চাইল, এখন সে কী করবে। কার্ল জানতে চাইল, তোর কী করতে ইচ্ছা করছে? বাবা, যেন লাইন এখুনি কেটে যাবে, মেয়েটি একরকম মরিয়া হয়েই জানতে চাইল, বাবা, তুমি কোথায়? কার্ল চেয়ারটিকে পিছিয়ে বসল, যেন সে একটা জাহাজে বসে আছে আর নিজের গন্তব্য জানে না। তারপর শান্তভাবে বলল, আমি এখানেই আছি, তোর কী করতে ইচ্ছা করছে, তুই কী কারও সঙ্গে খেলতে চাস? মেয়েটি বলল, জানি না। তুই তাহলে এক কাজ কর। প্যানকেক বানা। কার্ল জানে, এই কথাটি বললে তার মেয়ে শান্ত হয়। মেয়েটি কোনও উত্তর না দিয়ে জানতে চাইল, কখন সে বাড়ি ফিরবে। কিন্তু একদিন ছুটির পর কার্লের আজ কাজের চাপ ছিল, তাছাড়া একটি মেয়ের সঙ্গেও তার দেখা করার কথা ছিল। সরাসরি উত্তর না দিয়ে বরং সে বলল, তোমার মা শিগ্‌গিরই ফিরে আসবে।

মেয়েটি কোনও উত্তর দিল না, হঠাৎ ফোনটা কেটে দিল। কার্ল তাকে ফোন করবে ভাবল, কিন্তু সেই মুহূর্তেই একজন মক্কেল তার কাছে এসে গিয়েছিল।

সে কম্পিউটারে একটা বিক্রয়-তালিকা বানাতে শুরু করতেই, হার্ড ডিস্কটা বিগড়ে গেল। মাসখানেক আগে থেকেই ওটায় একটা শব্দ হচ্ছিল, কার্ল পাত্তা দেয়নি।

কার্ল ভাবল, এটা বিগড়ে যাওয়ারই ছিল। লাল বিপদ-সংকেতটা দেখেও সে আমল দেয়নি। ক্রোধে আগুন হয়ে সে পায়চারি শুরু করেছিল, আর তার সহকর্মীরা তার ও সেই কম্পিউটারটির দিকে করুণার চোখে তাকাচ্ছিল। নিজের প্রচণ্ড বিরক্তি ছাড়া সে আর কিছুই টের পাচ্ছিল না। গোটা অফিসটা যেন পাতিলেবুর গন্ধে ভরে গেছিল।

কার্ল ভাবতেও পারেনি, কম্পিউটারটা এমন জঘন্যভাবে বিগড়ে যাবে। গোটা ব্যাপারটা সামলাতে চারটে বেজে গেল। কার্লও অফিস থেকে বেরিয়ে এলো।

আরও পড়ুন: আঁকা-লেখা

বাড়িতে তার মেয়ে তখন প্যানকেক বানাতে শুরু করে দিয়েছে। বাবাই তাকে ওটা বানানোর পদ্ধতি শিখিয়েছে। এক কাপ ময়দা, এক কাপ দুধ, একটু নুন, চিনি আর একটা ডিম। কার্ল সাস্লোগাদের একটা অ্যাপার্টমেন্টের সবচেয়ে উঁচু তলায় তখন সিঁড়ি ভেঙে উঠছিল। তার মেয়ে ডিমটা ভাঙল আর কার্ল বেল বাজাতেই দরজা খুলে গেল। যে মহিলা খুলে দিল, সে কোনো বাড়তি আগ্রহ না দেখিয়েই তার দিকে তাকাল। বেশ কয়েক বছর ধরেই তারা একে অপরকে জানে। এরপর সবকিছুই পর পর যেমন ঘটে, সেভাবেই ঘটতে লাগল। মহিলাটি নিচু গদিতে বসে পড়েছিল, কারণ বিছানার চেয়ে এটাই তার বেশি পছন্দ। কার্ল তার একটার পর একটা পোশাক খুলছিল, তার সারা শরীরে নিজের দৃষ্টি বোলাচ্ছিল। সে শুয়ে পড়ে পা দু’টো ছড়িয়ে দিল। সে তাকে কিছুই বলল না, একটা সস্তা কাগজের টুকরোর মতোই তাকে নিজের মধ্যে গ্রহণ করল।

ভাষান্তর: রাহুল দাশগুপ্ত

Facebook Twitter Email Whatsapp

One comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *