জীবনযুদ্ধে হার মানলেন গোলরক্ষক অতন্দ্রপ্রহরী প্রশান্ত ডোরা

Mysepik Webdesk: খেলোয়াড়ি জীবনে গোলপোস্টের নিচে তিনি ছিলেন অতন্দ্রপ্রহরী। তাঁর দস্তানা অন্যতম ভরসা ছিল দলের। বাঁচিয়েছেন বহু গোল। তিনি প্রশান্ত ডোরা। খেলেছেন কলকাতার তিন প্রধানেই। তার আগে অবশ্য তিনি খেলেছিলেন কলকাতা টালিগঞ্জ অগ্রগামী এবং ক্যালকাটা পোর্ট ট্রাস্টেও। ১৯৯৯ সালে ভারতীয় দলের জার্সি চাপানো এই গোলকিপারের নাম প্রশান্ত ডোরা। ৪৪ বছর বয়সি এই গোলকিপার আক্রান্ত হয়েছিলেন দুরারোগ্য হেমোফাগোসিটিসি লিম্ফহিস্টিওসাইটোসিস (এইচএলএইচ) ব্যধিতে। ভারতের এই নামি গোলকিপার প্রয়াত হলেন আজ, প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনে।

আরও পড়ুন: মেলবোর্নের ইনিংস আমার কাছে অল টাইম স্পেশাল হয়ে থাকবে: রাহানে

টাটা মেমোরিয়াল রিসার্চ সেন্টারে চিকিৎসা চলছিল প্রশান্তর। গত একমাস ধরে জীবনযুদ্ধের সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছিলেন তিনি। তাঁর প্লেটলেট দ্রুত নেমে যাচ্ছিল। তিন মাস আগে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রশান্ত। তারপর থেকে ক্রমেই কমতে থাকে প্লেটলেট। চিকিৎসকরা প্রথমে রোগ ধরতে না পারলেও পরে দেখা যায়, প্রাক্তন জাতীয় গোলরক্ষক প্রশান্ত ডোরা আক্রান্ত হয়েছেন এইচএলএইচ রোগে। তিনি রেখে গেলেন স্ত্রী সৌমী এবং একমাত্র পুত্রকে।

আরও পড়ুন: মেলবোর্নের ইনিংস আমার কাছে অল টাইম স্পেশাল হয়ে থাকবে: রাহানে

একটা সময় তাঁর সহোদর বড় ভাই হেমন্ত ডোরা এবং তিনি দুজনেই একই সঙ্গে কলকাতা লিগে খেলেছেন। হুগলি জেলার শেওড়াফুলি থেকে উঠে আসা দুই ভাইয়ের গোলকিপিং ফুটবলপ্রেমীদের তারিফ কুড়িয়েছে। শেওড়াফুলির সুরেন্দ্রনাথ বিদ্যানিকেতনের ছাত্র ছিলেন দুই ভাই-ই। প্রশান্তর দাদা প্রখ্যাত গোলকিপার হেমন্ত ডোরার কথায়, “ভাইয়ের প্লেটলেট দ্রুত নেমে যাচ্ছিল। O+ গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন ছিল। তাও দিয়েছিলাম। তবে শেষরক্ষা হল না।” প্রশান্ত ডোরার মৃত্যুতে ময়দানে শোকের মহল তৈরি হয়েছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *