কান্নাকাটি বন্ধ করে প্রস্তুতি নিক ইংল্যান্ড, পিচ বিতর্কে ভারতের পাশে ভিভ রিচার্ডস

Vivian Richards

Mysepik Webdesk: পিচ বিতর্কে ভারতের সমর্থনে এগিয়ে এলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ক্রিকেটার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। ভিভ রিচার্ডস বলেন যে, “ভারতের মাটিতে খেলা হলে বল যে স্পিন করবে, সেটা প্রত্যাশিত। পিচে বল টার্ন করছে বলে অভিযোগ উঠছে। এটা পয়সার অন্য পিঠ। পাঁচ দিনের ফর্ম্যাটটিকে একটি পরীক্ষা বলা হয়। কারণ এটি আপনার মানসিক এবং শারীরিক দক্ষতা পরীক্ষা করে। শর্ত অনুসারে নিজেকে প্রস্তুত করাই হল আসল পরীক্ষা।”

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে রেসলিং ইভেন্টের ফাইনালে পৌঁছলেন ভিনেশ ফোগাট

স্যার রিচার্ডস সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন, যেখানে তিনি বলছেন― “আমাকে পিচ সম্পর্কে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। ইংরেজ ক্যাম্পে এমন হাহাকার বা কান্নাকাটি দেখে আমি কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছি। ইংল্যান্ড দল যদি এতটা সমস্যায় পড়ে থাকে তবে তাদের বোঝা উচিত যে, কোনও এক সময় তারাও তাদের হোম সিরিজে একটি পেস ফ্রেন্ডলি ট্র্যাক পাবে। সেখানে বল সুইং করবে এবং সিম হবে। গুডলেন্থ স্পট থেকে বল হঠাৎ লাফিয়ে ওঠে। সেই সময় অনেকেই মনে করেন যে, এটা ব্যাটসম্যানদের সমস্যা। কোনও কোনও সময় ব্যাটসম্যানরা এর সঙ্গে মানিয়ে নেন। তবে এখন আপনারা অন্য দিকটা দেখতে পাচ্ছেন।”

আরও পড়ুন: ক্রিকেট সিরিজ খেলতে ভারতে আগমন প্রোটিয়া প্রমীলা বাহিনীর

স্যার রিচার্ডসের কথায়, “এখন ইংলিশ দল যখন স্পিনের মুখোমুখি হচ্ছে, তখন তাদের সমস্যার কথা উঠে আসছে। আমি মনে করি এটিই আসল পরীক্ষা। কারণ এখানে আপনার মন এবং শরীরেরও পরীক্ষা হবে। বল স্পিন করছে এমন অভিযোগ করা ক্রিকেটের অংশ। লোকেরা ভুলে যায় যে, ভারতে কেবল স্পিনিং ট্র্যাক পাওয়া যাবে। আপনি স্পিন ল্যান্ডে যাচ্ছেন। আপনার সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।”

শেষে কিংবদন্তি রিচার্ডস বলেন, “চতুর্থ টেস্টেও তৃতীয় টেস্টের মতো পিচ ব্যবহার করা উচিত। কান্নাকাটি ও শোকের পরিবর্তে তাদের আরও জোরালোভাবে ফিরে আসা উচিত। দুই দিনেই টেস্ট শেষ হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে তারা প্রস্তুতির জন্য আরও দিন পেয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করুন। আমি যদি ভারতে থাকতাম এবং আমি কী ধরনের পিচ চাই, তা নিয়ে আমার পরামর্শ নেওয়া হত, আজ ভারতীয় দল যা করছে, আমি তা-ই করতাম।”

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *