ইসলামিক কান্ট্রি পাকিস্তানের নাগরিকদের হজযাত্রায় সমস্যা

Mysepik Webdesk: চৈনিক ভ্যাকসিন পাকিস্তানের কাছে একটি সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। হজ যাত্রা বা চাকরির জন্য পাকিস্তানি নাগরিকরা সৌদি আরবে যেতে চান। কিন্তু সৌদি ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলি চিনা টিকা গ্রহণকারী পাকিস্তানিদের ভিসা দিচ্ছে না। পাক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিজেই উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে এই বিষয়টি সমাধান করার জন্য আলোচনা করেছেন। এই বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের ওপর বেজায় চটেছেন পাক নাগরিকরা।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বড়সড় ট্রেন দুর্ঘটনা: ৩০ জন নিহত, আহত ৫০-এরও বেশি

শেখ রশিদ রবিবার স্বীকার করেছেন যে, সৌদি আরব এবং উপসাগরীয় দেশগুলি পাকিস্তানিদের ভিসা দিচ্ছে না, যাঁরা চিনে তৈরি ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছিলেন। পাকিস্তানের কাছে এটি উদ্বেগের বিষয়। কীভাবে এই উদ্বেগ কাটানো যায়, তার পথ খুঁজতে হবে। জানিয়েছেন রশিদ। তাছাড়াও মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে পাক প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন যে, তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব দেশের সঙ্গেই আলোচনা জারি রেখেছেন।

বিশ্বের অনেক দেশের মতোই সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ চিনের সিনোফর্ম এবং সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন অনুমোদন করেনি। চিন প্রথমে পাকিস্তানকে ১০ লক্ষ ভ্যাকসিন দান করেছিল। তারপরে পাকিস্তান কয়েক লক্ষ ভ্যাকসিন কেনার চুক্তি করে। পাকিস্তান থেকে হাজার হাজার মানুষ উপসাগরীয় দেশগুলিতে হজযাত্রা বা কর্মসংস্থানে যান। তাঁদের অনেকে গত বছর এবং এই বছর পাকিস্তানে ফিরে এসেছিলেন। যাঁরা উপসাগরীয় দেশগুলিতে যেতে চান, তাঁদের ভিসা অনুমোদনের জন্য টিকা শংসাপত্র থাকা দরকার। তবে এঁদের অনেকেই চাইনিজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করছেন, তাই ভিসা অনুমোদিত হয়নি।

আরও পড়ুন: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ তেহরিক-ই-ইনসাফের বিরুদ্ধে

পাকিস্তান সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ পাক জনতা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য যে, বিশ্বের অন্যান্য দেশ যদি চিনা ভ্যাকসিনকে অনুমোদন না করে, তবে ইমরান খানের সরকার কেন এই ভ্যাকসিন কিনেছিল? উল্লেখ্য যে, সৌদি এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ এখনও পর্যন্ত কেবলমাত্র ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনিকা, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিনগুলি অনুমোদন করেছে। পাকিস্তান রাশিয়ার স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিনের কিছু ডোজ কিনেছে। আমেরিকা বা ব্রিটেনের কোনও ভ্যাকসিন তাদের নেই। এমন পরিস্থিতিতে পাক জনতার মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *