রাহুলের মন্তব্য ঘিরে সরগরম কংগ্রেসের অন্দর: চলল সমালোচনা, টুইট, রি-টুইট, একইসঙ্গে ডিলিটও

Mysepik Webdesk: কংগ্রেসে যে অনেক বিভেদ রয়েছে, তা প্রকাশ্যে এসেছে। কংগ্রেসের শীর্ষনেতারা নিজেদের বক্তব্য দিয়ে এটিকে প্রমাণ করছেন। সোমবার পার্টির বৃহত্তম সংগঠন কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি (সিডব্লিউসি)-র সভা শুরু হলে এমনই বিষয় সামনে আসে। বৈঠকের শুরুতেই সোনিয়া গান্ধি জানান যে, তাঁকে যেন সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সোনিয়াকে পাঠানো নেতাদের চিঠি নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধি। রাহুলের অভিযোগ, দলীয় নেতারা বিজেপির সঙ্গে মিলে এসব করেছিলেন। রাহুলের এহেন বক্তব্যের পর প্রতিবাদের ঝড় শুরু হয়েছিল। প্রতিবাদকারীদের মধ্যে ছিলেন গোলাম নবী আজাদ ও কপিল সিব্বল প্রমুখ। জল ক্রমে ঘোলা হচ্ছে দেখে কংগ্রেস পরে বলে যে, রাহুল ‘বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ’র মতো কোনও মন্তব্য করেননি।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শোকবার্তা জ্ঞাপন নমোর

আসলে, প্রায় ১৫ দিন আগে ২৩ দলীয় নেতা সোনিয়া গান্ধিকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিতে তাঁরা বলেছিলেন যে, বিজেপি ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলেছে। গত নির্বাচনে যুবকরা নরেন্দ্র মোদির পক্ষে জোরালোভাবে ভোট দিয়েছিলেন। কংগ্রেসে পুরো সময়ের জন্য লিডারশিপ থাকা উচিত এবং এর প্রভাবও কতটা, তাও দেখা উচিত।

যদিও কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বেলা দেড়টা নাগাদ বলেন যে, রাহুল ‘বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ’ হওয়ার মতো কোনও শব্দ বা কথা বলেননি। তাছাড়াও গোলাম নবী আজাদ বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধতার অভিযোগে বেলা সাড়ে তিনটায় একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধি কখনও তা বলেননি। সিডব্লিউসি বৈঠকেও বলেননি বা তার বাইরেও নয়। কপিল সিব্বল বলেন, ”রাহুল গান্ধী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বলেছিলেন যে তিনি কখনও এমন বলেননি, তাই আমি আমার টুইট মুছে ফেলছি।”

আরও পড়ুন: চিনের সঙ্গে কথায় কাজ না হলে ‘অন্য ব্যবস্থা’, ইঙ্গিত দিলেন বিপিন রাওয়াত

রাহুল গান্ধি ইতিমধ্যে দলীয় সভাপতির দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। এরপরে সোনিয়া আগস্টে এক বছরের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতির পদে ছিলেন।

Similar Posts:

Facebook Twitter Email Whatsapp

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *