ফের শুভেন্দুকে নিশানা করলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়

Mysepik Webdesk: বাংলার মসনদে তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পরেই দলবদলু একাধিক বিজেপি নেতা-নেত্রীদের মুখে শোনা গিয়েছে বিজেপির সমালোচনা। বাদ যায়নি রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন ডোমজুরের বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও। একাধিকবার তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেছিলেন। ফের আরও একবার তিনি সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করলেন। উল্টে পরোক্ষভাবে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করতেই শোনা গিয়েছে তাঁকে।

আরও পড়ুন: ভবানীপুরে প্রচার সারতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে সুকান্ত মজুমদার

তিনি বলেন, “ভবানীপুরে প্রার্থী না দিয়ে বিজেপি সৌজন্য দেখাতে পারত। প্রার্থী দিলেও ভবানীপুরে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” শুধু তাই নয়, বাবুল সুপ্রিয়র তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “এটা বাবুল সুপ্রিয়র ব্যক্তিগত বিষয়। এই নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। তবে শুনেছি বিজেপিতে থাকাকালীন ওঁর কিছু বিষয়ে সমস্যা হচ্ছিল।” এদিন ফের শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করেন ডোমজুরের প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি বলেন, “উনি অনেক বড় মাপের নেতা। উনার সম্মন্ধে কিছু বলব না। কিন্তু, যাঁকে দেখে বাংলার মানুষ ২১৩টা আসনে তৃণমূলকে জিতিয়েছে, তাঁকে ভোটের সময় ‘খালা’, ‘বেগম’-সহ যে ধরণের সম্বোধন করা হয়েছিল, তা ঠিক নয়। সেই সময়ই আমি প্রতিবাদ করেছিলাম।”

আরও পড়ুন: দিলীপদার আদর্শকে সামনে রেখে সকলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলব: সুকান্ত মজুমদার

প্রসঙ্গত, বাংলার একুশের নির্বাচনে ডোমজুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির মুখ হয়ে লড়াই করলেও পরাজিত হন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই তাঁর মুখে একাধিকবার দলবিরোধী (বিজেপি) মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছে। মুকুল রায়ের ঘনিষ্ট হওয়া সত্ত্বেও যখন মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন, তখন তাঁরও তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করার বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যদিও রাজীবকে দলে ফেরানোর বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের মুখে একটি কথাও শোনা যায়নি। তবে বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। আগামী দিনে তাঁর ফের তৃণমূলে ফেরার সুযোগ হবে কিনা, সেটা সময়ই বলবে।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *