রাজপুর-সোনারপুরে তিনদিন লকডাউন, কড়া হাতে মোকাবিলায় প্রশাসন

Mysepik Webdesk: পুজোর দিনগুলিতে রাস্তায় বাঙালির ভিড় দেখে রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। পুজোর মণ্ডপগুলিতে বার বার মাইকে করোনা বিধিনিষেধ নিয়ে সতর্ক করা হলেও হুঁশ ফেরেনি আমজনতার। এবার সেই খেসারতই গুনতে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গবাসীদের। পুজো মিটতেই চিকিৎসকদের আশঙ্কায় সত্যি করে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক এলাকাকে কনটেনমেন্ট জোনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। লকডাউনের স্মৃতি ফিরেছে দক্ষিণ কলকাতার শহরতলি রাজপুর-সোনারপুর পুর এলাকায়। বৃহস্পতিবার থেকে আগামী তিনদিনের জন্য জারি করা হয়েছে কড়া লকডাউন।

আরও পড়ুন: দুর্ঘটনায় মৃত বিজেপি নেত্রীর বাড়িতে রাজ্যের মন্ত্রী, চিকিৎসার দায়িত্ব নিল সরকার

গত কয়েকদিন ধরেই রাজপুর-সোনারপুর পুর এলাকায় উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমণ রুখতে কার্যত লকডাউন ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন। বন্ধ রাখা হয়েছে এলাকার দোকানপাট, রেস্তোরা, শপিং মলগুলি। এলাকার বাসিন্দাদের লকডাউন মেনে চলতে বাধ্য করতে রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। তবুও হুঁশ ফিরছে না মানুষের। লকডাউনের প্রথম দিনেই বহু মানুষকে দেখা গিয়েছে রাস্তায় বিনা মাস্কে ঘুরে বেড়াতে। কেউ কেউ বলছেন মাস্ক কিনতে যাচ্ছি তো আবার কেউ কেউ বলছেন একটু আগেই পরা ছিল সবেমাত্র খুলেছি।

আরও পড়ুন: ফিরলো পুরোনো স্মৃতি, করোনা নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ শহরতলিতে আগামী তিনদিন লকডাউন

রাজপুর সোনারপুর পুরসভা এলাকায় মোট ১৯টি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। সংক্রমণ রুখতে এদিন সকাল থেকেই তৎপর ছিল পুলিশ। গতকাল দুপুর পর্যন্ত সোনারপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাস্ক না পরায় গ৩২ জনকে আটক করা হয়েছিল। এদিন সেই সংখ্যাটা একলাফে বেড়ে হয়েছে ৭৪। কলকাতা ছাড়াও উত্তর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা রাজ্য প্রশাসনের চিন্তা বাড়িয়েছে অনেকটাই।

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *