ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের এক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় রেণু

Renu

Mysepik Webdesk: হরিয়ানার হিসার জেলার ২০ বছর বয়সি রেণু এশিয়া কাপের জন্য ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলে নির্বাচিত হয়েছেন। রেণু মঙ্গলি গ্রামের বাসিন্দা। এই তরুণী ফুটবলের জন্য অনেক লড়াই করেছেন। পিতামাতার সঙ্গে মজদুরি করেছেন। সেখানে হাত পাকিয়েছেন। এমনকী হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরেও মাঠ থেকে পিছপা হননি। রেণু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার প্রতিভার প্রতি সুবিচার করে এখনও অবধি বেশকিছু পদকও জিতেছেন।

আরও পড়ুন: নেটনাগরিকদের ‘যুদ্ধজয়’, ওমান-ইউএই’র সঙ্গে ভারতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে পাবেন সমর্থকরা

সম্প্রতি গোয়ায় অনুষ্ঠিত ভারতীয় মহিলা দলের শিবিরে রেণু এশিয়া কাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। রেণুকে ফিজিক্যাল লেকচারার সুখবিন্দর কৌর, অবসরপ্রাপ্ত কোচ অশ্বানী কুমার, স্কুলের অধ্যক্ষ হরিকেশ শর্মা এবং ফুটবল কোচ নরেন্দ্র কুমার স্বাগত জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ২০২২ সালে ভারতে এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে।

রেণু তাঁর ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় ২০১৪ সালে ফুটবল শুরু করেছিলেন। এখনও অবধি তিনি দলগতভাবে বেশ কয়েকটি স্বর্ণপদক জয়ী হয়েছেন। ২০২০ সালে গেমস ইন্ডিয়া, ২০১৯ সালে স্কুল ন্যাশনালে, ২০১৮ সালে খেলো ইন্ডিয়ায় স্বর্ণপদক জিতেছে রেণুর দল। একইসঙ্গে ভাইয়েরা রাজ্য পর্যায়েও খেলেছেন। রেণু বলেছেন যে, ”এই স্তরে পৌঁছনোর জন্য আমার অভিভাবকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁরা আমাকে সবসময়েই খেলার জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন।”

আরও পড়ুন: দেখে নিন ভারত-ইংল্যান্ড টি-২০ সিরিজের ৫ জন ক্রিকেটারকে, যাঁদের টি-২০ বিশ্বকাপে দেখা নাও যেতে পারে

রেণুর বাবা দলবীর সিং এবং মা কমলেশ মালা বাড়িতে থাকেন। এমনকী প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও পিতামাতারা হাল ছাড়েননি এবং আজ মেয়েকে তাঁরা আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় বানিয়েছেন। এখন তাঁদের কন্যা এশিয়া কাপে সোনার পদক জেতার স্বপ্ন দেখেন। তিনি এজন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন। রেণু জানিয়েছেন, তিনি ২৪ মার্চ উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য প্রীতি ম্যাচে অংশ নিতে যাবেন।

রেণুর কথায়, ”২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে গোয়ায় ক্যাম্পটি শুরু হয়েছিল। এই শিবিরটি আড়াই মাস ধরে চলেছিল। তারপরে একবারবাড়ি ফিরেছিলাম। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্যাম্পটি আবার শুরু হয়। এখানে আসার পরে এক সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইন রাখা হয়। ৮ মার্চ থেকে অনুশীলন শুরু করেছিলাম। ওই একই দিনে আঘাতও পেয়েছিলাম। তবে সাহস হারাইনি। দু’দিন বিশ্রাম নেওয়ার পর আবার অনুশীলন শুরু করেছিলাম।” রেণুর বাবা দলবীর সিং বলছেন, ”আমি আমার মেয়েকে নিয়ে গর্বিত। কোচ এবং মেয়ের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এটা হয়েছে। খুব খুশি যে, কন্যা এশিয়া কাপের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আশা করি, ও স্বর্ণপদক জিতবে।”

Facebook Twitter Email Whatsapp

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *